০৯:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬

নতুন সরকারের বাজেট হতে হবে বাস্তবসম্মত ও সংস্কারভিত্তিক: সিপিডি

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ০১:০৪:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
  • / ১০২২৪ বার দেখা হয়েছে

বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা এবং আমদানি ব্যয় বাড়ার কারণে দেশের সামষ্টিক অর্থনীতিতে নতুন চাপ তৈরি হয়েছে। জ্বালানি আমদানি ব্যয় বাড়লে চলতি হিসাবের ঘাটতি বাড়া এবং বৈদেশিক মুদ্রা বাজারে অস্থিরতা তৈরি হতে পারে। এই প্রেক্ষাপটে নতুন সরকারের প্রথম বাজেট বাস্তবসম্মত ও সংস্কারভিত্তিক হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছে সিপিডি।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রাজধানীর ধানমন্ডিতে এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম আয়োজিত ‘নতুন সরকারের প্রথম বাজেট নিয়ে ভাবনা’ শীর্ষক আলোচনায় এসব তথ্য উঠে আসে।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, রাজস্ব আহরণের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের দুর্বলতা বাজেট বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে রয়েছে। বাজেটে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী রাজস্ব আদায় অনেক সময় সম্ভব হয় না, ফলে উন্নয়ন ব্যয় ও অর্থনৈতিক পরিকল্পনায় চাপ তৈরি হয়।

তিনি আরও বলেন, দেশের পূর্ববর্তী ঋণ এবং বর্তমান জ্বালানি সমস্যার কারণে নতুন করে ঋণ করে অর্থনীতিকে এগিয়ে নেয়া চ্যালেঞ্জিং ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। মূল্যস্ফীতি বর্তমানে যে পর্যায়ে রয়েছে, আগামীতে তার থেকেও বাড়তে পারে।

ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, যাদের করের আওতার বাইরে রাখা হয়েছে, তাদেরও করের আওতায় আনতে হবে। কর দিতে বাধ্য করতে হবে, তবে আওতা বাড়াতে হবে এবং সাধারণের উপর করের হার কমাতে হবে। সরকারি ব্যাংক এবং সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের আয় বাড়াতে হবে। না হলে এসব প্রতিষ্ঠান ভর্তুকি দিয়ে চালু রাখার যৌক্তিকতা নেই।

ঢাকা/এসএইচ

শেয়ার করুন

নতুন সরকারের বাজেট হতে হবে বাস্তবসম্মত ও সংস্কারভিত্তিক: সিপিডি

আপডেট: ০১:০৪:৪২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

বৈশ্বিক জ্বালানি বাজারের অস্থিরতা এবং আমদানি ব্যয় বাড়ার কারণে দেশের সামষ্টিক অর্থনীতিতে নতুন চাপ তৈরি হয়েছে। জ্বালানি আমদানি ব্যয় বাড়লে চলতি হিসাবের ঘাটতি বাড়া এবং বৈদেশিক মুদ্রা বাজারে অস্থিরতা তৈরি হতে পারে। এই প্রেক্ষাপটে নতুন সরকারের প্রথম বাজেট বাস্তবসম্মত ও সংস্কারভিত্তিক হওয়া প্রয়োজন বলে মনে করছে সিপিডি।

মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) রাজধানীর ধানমন্ডিতে এসডিজি বাস্তবায়নে নাগরিক প্ল্যাটফর্ম আয়োজিত ‘নতুন সরকারের প্রথম বাজেট নিয়ে ভাবনা’ শীর্ষক আলোচনায় এসব তথ্য উঠে আসে।

অনুষ্ঠানে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করেন সিপিডির সম্মাননীয় ফেলো ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য। তিনি বলেন, রাজস্ব আহরণের ক্ষেত্রে দীর্ঘদিনের দুর্বলতা বাজেট বাস্তবায়নের ক্ষেত্রে একটি বড় চ্যালেঞ্জ হয়ে রয়েছে। বাজেটে নির্ধারিত লক্ষ্যমাত্রা অনুযায়ী রাজস্ব আদায় অনেক সময় সম্ভব হয় না, ফলে উন্নয়ন ব্যয় ও অর্থনৈতিক পরিকল্পনায় চাপ তৈরি হয়।

তিনি আরও বলেন, দেশের পূর্ববর্তী ঋণ এবং বর্তমান জ্বালানি সমস্যার কারণে নতুন করে ঋণ করে অর্থনীতিকে এগিয়ে নেয়া চ্যালেঞ্জিং ব্যাপার হয়ে দাঁড়িয়েছে। মূল্যস্ফীতি বর্তমানে যে পর্যায়ে রয়েছে, আগামীতে তার থেকেও বাড়তে পারে।

ড. দেবপ্রিয় ভট্টাচার্য বলেন, যাদের করের আওতার বাইরে রাখা হয়েছে, তাদেরও করের আওতায় আনতে হবে। কর দিতে বাধ্য করতে হবে, তবে আওতা বাড়াতে হবে এবং সাধারণের উপর করের হার কমাতে হবে। সরকারি ব্যাংক এবং সরকারি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের আয় বাড়াতে হবে। না হলে এসব প্রতিষ্ঠান ভর্তুকি দিয়ে চালু রাখার যৌক্তিকতা নেই।

ঢাকা/এসএইচ