০৭:১৮ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬

বরিশালে শিক্ষার্থীদের বেধড়ক লাঠিপেটা, আহত ২৫

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ০৪:৪৮:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ জুলাই ২০২৪
  • / ১০৪৬০ বার দেখা হয়েছে

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ‘মার্চ ফর জাস্টিস’ কর্মসূচিতে দুই দফায় বেধড়ক লাঠিপেটা করেছে পুলিশ। পুলিশের হামলায় চার সাংবাদিকসহ অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন। আহত সাংবাদিকরা শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

আজ বুধবার (৩১ জুলাই) দুপুরের দিকে প্রথমে নগরীর রোডের অশ্বিনীকুমার হলের সামনে ও পরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সামনে ফজলুল হক এভিনিউতে লাঠিচার্জ করে পুলিশ। এ সময়ে অন্তত ২০ জনকে আটক করা হয়।

আহত শিক্ষার্থীরা জানান, আন্দোলনরত শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ হত্যার প্রতিবাদে আমাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে কয়েকশ পুলিশ, বিজিবি একসঙ্গে লাঠিপেটা শুরু করে। আমরা বলেছি আমরা সড়কের পাশে কর্মসূচি পালন করব। আমাদের কর্মসূচিতে কোনো সহিংসতা নেই। কিন্তু পুলিশ আমাদের ওপর সহিংসভাবে লাঠিপেটা শুরু করে।

জানা গেছে,বেলা ১১টার পর কাঠপট্টি সড়কের মুখে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের একটি অংশ মিছিল করার চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সেসময় বেশ কয়েকজন অভিভাবকও ছিলেন। পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের বাদানুবাদের একপর্যায়ে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থীকে পুলিশ টানাহেঁচড়া করে। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি শুরু হয়। একপর্যায়ে পুলিশ সিটি কলেজের গলির মুখে শিক্ষার্থীদের আটকে রাখে। পরে কয়েকশ আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী এক জোট হয়ে সদর রোডে অবস্থান করলে পুলিশ শুরুতে তাদের ধাওয়া দেয় পরে আচমকা লাঠিচার্জ শুরু করে। এ সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাংবাদিকদের ওপরেও লাঠিচার্জ করে পুলিশ।

আরও পড়ুন: হাইকোর্টে ঢুকতে পুলিশের বাধা, মাজার গেটে শিক্ষার্থীদের অবস্থান

পরে দুপুর ১২টার দিকে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বরিশাল আদালতের সামনে অবস্থান নেন। এ সময় পুলিশ দ্বিতীয় দফায় লাঠিচার্জ করে।

কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিচুল হক বলেন, আটক-টাটক কোনো ব্যাপার না। কিছু লোক জড়ো হয়েছিল। আমরা কয়েকজনকে সেখান থেকে নিয়ে এসেছি। পরবর্তীতে বিস্তারিত জানানো হবে।

আহত সাংবাদিকরা জানিয়েছেন, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের উপ-কমিশনার তানভীর আরাফাত নিজে লাঠিচার্জে ছিলেন। শুধু সাংবাদিক না যাকে যেখানে পেয়েছে পুলিশ পিটিয়েছে।

এ বিষয়ে উপ-কমিশনার তানভীর আরাফাত বলেন, সাংবাদিকদের চিনে পুলিশ লাঠিচার্জ করেনি। ভুলবশত লাঠিচার্জ পড়েছে। এ ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করা ছাড়া করার কিছু নেই।

ঢাকা/এসএইচ

শেয়ার করুন

বরিশালে শিক্ষার্থীদের বেধড়ক লাঠিপেটা, আহত ২৫

আপডেট: ০৪:৪৮:২১ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ জুলাই ২০২৪

বৈষম্যবিরোধী ছাত্র আন্দোলনের ‘মার্চ ফর জাস্টিস’ কর্মসূচিতে দুই দফায় বেধড়ক লাঠিপেটা করেছে পুলিশ। পুলিশের হামলায় চার সাংবাদিকসহ অন্তত ২৫ জন আহত হয়েছেন। আহত সাংবাদিকরা শের-ই-বাংলা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

আজ বুধবার (৩১ জুলাই) দুপুরের দিকে প্রথমে নগরীর রোডের অশ্বিনীকুমার হলের সামনে ও পরে জেলা ও দায়রা জজ আদালতের সামনে ফজলুল হক এভিনিউতে লাঠিচার্জ করে পুলিশ। এ সময়ে অন্তত ২০ জনকে আটক করা হয়।

আহত শিক্ষার্থীরা জানান, আন্দোলনরত শিক্ষার্থী ও সাধারণ মানুষ হত্যার প্রতিবাদে আমাদের শান্তিপূর্ণ কর্মসূচিতে কয়েকশ পুলিশ, বিজিবি একসঙ্গে লাঠিপেটা শুরু করে। আমরা বলেছি আমরা সড়কের পাশে কর্মসূচি পালন করব। আমাদের কর্মসূচিতে কোনো সহিংসতা নেই। কিন্তু পুলিশ আমাদের ওপর সহিংসভাবে লাঠিপেটা শুরু করে।

জানা গেছে,বেলা ১১টার পর কাঠপট্টি সড়কের মুখে আন্দোলনকারী শিক্ষার্থীদের একটি অংশ মিছিল করার চেষ্টা করলে পুলিশ বাধা দেয়। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে সেসময় বেশ কয়েকজন অভিভাবকও ছিলেন। পুলিশের সঙ্গে আন্দোলনকারীদের বাদানুবাদের একপর্যায়ে বেশ কয়েকজন শিক্ষার্থীকে পুলিশ টানাহেঁচড়া করে। শিক্ষার্থীদের সঙ্গে পুলিশের ধস্তাধস্তি শুরু হয়। একপর্যায়ে পুলিশ সিটি কলেজের গলির মুখে শিক্ষার্থীদের আটকে রাখে। পরে কয়েকশ আন্দোলনকারী শিক্ষার্থী এক জোট হয়ে সদর রোডে অবস্থান করলে পুলিশ শুরুতে তাদের ধাওয়া দেয় পরে আচমকা লাঠিচার্জ শুরু করে। এ সময় ঘটনাস্থলে উপস্থিত সাংবাদিকদের ওপরেও লাঠিচার্জ করে পুলিশ।

আরও পড়ুন: হাইকোর্টে ঢুকতে পুলিশের বাধা, মাজার গেটে শিক্ষার্থীদের অবস্থান

পরে দুপুর ১২টার দিকে আন্দোলনরত শিক্ষার্থীরা বরিশাল আদালতের সামনে অবস্থান নেন। এ সময় পুলিশ দ্বিতীয় দফায় লাঠিচার্জ করে।

কোতয়ালি মডেল থানা পুলিশের ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) আরিচুল হক বলেন, আটক-টাটক কোনো ব্যাপার না। কিছু লোক জড়ো হয়েছিল। আমরা কয়েকজনকে সেখান থেকে নিয়ে এসেছি। পরবর্তীতে বিস্তারিত জানানো হবে।

আহত সাংবাদিকরা জানিয়েছেন, বরিশাল মেট্রোপলিটন পুলিশের ট্রাফিক বিভাগের উপ-কমিশনার তানভীর আরাফাত নিজে লাঠিচার্জে ছিলেন। শুধু সাংবাদিক না যাকে যেখানে পেয়েছে পুলিশ পিটিয়েছে।

এ বিষয়ে উপ-কমিশনার তানভীর আরাফাত বলেন, সাংবাদিকদের চিনে পুলিশ লাঠিচার্জ করেনি। ভুলবশত লাঠিচার্জ পড়েছে। এ ঘটনায় দুঃখ প্রকাশ করা ছাড়া করার কিছু নেই।

ঢাকা/এসএইচ