০৯:০৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ০৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বিএসইসির সাবেক কমিশনার ও অতিরিক্ত সচিবের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ০৪:৩৯:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬
  • / ১০২২৫ বার দেখা হয়েছে

ফাইল ফটো

পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির সাবেক কমিশনার মো. আব্দুল হালিম এবং বিদ্যুৎ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. সবুর হোসেনের বিদেশ যাওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের প্রেক্ষিতে আজ মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত এই আদেশ জারি করেন।

দুদকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগের অনুসন্ধান চলমান থাকায় তারা যেন দেশ ত্যাগ করতে না পারেন, সেজন্যই এই আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

অভিযোগের মূলে রয়েছে পল্লী বিদ্যুতায়ন কার্যক্রমের অধীনে ৫ লাখ স্মার্ট প্রি-পেমেন্ট মিটার স্থাপন প্রকল্পের কেনাকাটায় বড় ধরনের অনিয়ম। দুদকের একটি বিশেষ দল বর্তমানে এই প্রকল্পের ক্রয় প্রক্রিয়ায় হওয়া দুর্নীতি নিয়ে কাজ করছে।

তদন্ত চলাকালীন বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে যে, অভিযুক্তরা যে কোনো সময় বিদেশে পালিয়ে যেতে পারেন। মূলত তদন্তের স্বার্থে এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতেই তাদের দেশের বাইরে যাওয়ার ওপর এই কড়া বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।

ঢাকা/এসএইচ

শেয়ার করুন

বিএসইসির সাবেক কমিশনার ও অতিরিক্ত সচিবের দেশত্যাগে নিষেধাজ্ঞা

আপডেট: ০৪:৩৯:১৩ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বিএসইসির সাবেক কমিশনার মো. আব্দুল হালিম এবং বিদ্যুৎ বিভাগের অতিরিক্ত সচিব মো. সবুর হোসেনের বিদেশ যাওয়ার ওপর নিষেধাজ্ঞা দিয়েছেন আদালত।

দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) আবেদনের প্রেক্ষিতে আজ মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) ঢাকা মহানগর সিনিয়র স্পেশাল জজ আদালত এই আদেশ জারি করেন।

দুদকের পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে, এই দুই কর্মকর্তার বিরুদ্ধে ওঠা দুর্নীতির অভিযোগের অনুসন্ধান চলমান থাকায় তারা যেন দেশ ত্যাগ করতে না পারেন, সেজন্যই এই আইনি পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

অভিযোগের মূলে রয়েছে পল্লী বিদ্যুতায়ন কার্যক্রমের অধীনে ৫ লাখ স্মার্ট প্রি-পেমেন্ট মিটার স্থাপন প্রকল্পের কেনাকাটায় বড় ধরনের অনিয়ম। দুদকের একটি বিশেষ দল বর্তমানে এই প্রকল্পের ক্রয় প্রক্রিয়ায় হওয়া দুর্নীতি নিয়ে কাজ করছে।

তদন্ত চলাকালীন বিশ্বস্ত সূত্রে জানা গেছে যে, অভিযুক্তরা যে কোনো সময় বিদেশে পালিয়ে যেতে পারেন। মূলত তদন্তের স্বার্থে এবং ন্যায়বিচার নিশ্চিত করতেই তাদের দেশের বাইরে যাওয়ার ওপর এই কড়া বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।

ঢাকা/এসএইচ