০৭:১০ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ২২ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মূল্যস্ফীতি ৭ শতাংশের নিচে নামলে সুদহার কমানো হবে: গভর্নর

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ০৭:০৪:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫
  • / ১০৪০১ বার দেখা হয়েছে

মূল্যস্ফীতি কমলে সুদহার কমানো সম্ভব বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর। তিনি জানান, সময় দিলে মূল্যস্ফীতি ৫ শতাংশের নিচে নেমে আসবে। তবে এটি ৭ শতাংশের নিচে নামলে তখন থেকে সুদহার কমানো হবে। আজ বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলে গভর্নর।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

আহসান এইচ মনসুর বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক কমপ্লায়েন্স, রেগুলেটর, এনফোর্সমেন্টের দিকে নজর দিবে। দক্ষতা ও ট্রেনিংয়ের উপর জোর দিতে হবে। বাংলাদেশে দক্ষ লোকের অভাব রয়েছে। আমাদের দুর্বলতা প্রকট। আমরা যে কাজগুলোতে দিয়েছি, আশা থাকবে পরবর্তী সরকার যেনো কাজগুলো এগিয়ে নিয়ে যায়।

আরও পড়ুন: স্ত্রী-দুই কন্যাসহ বেনজীরের বিরুদ্ধে আরও এক মামলা

তিনি আরও বলেন, রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ছে। এর ফলে দেশের রিজার্ভও নিজস্ব সক্ষমতায় কিছুটা বেড়েছে। ডলারের বাজারও স্থিতিশীল রয়েছে। তবে দুবাইয়ে একটি চক্র রেমিট্যান্সের বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে। দুবাইয়ে অল্প কিছু বাঙালি রয়েছে, আর সেই দেশ থেকে রেমিট্যান্স বেশি আসছে। এতেই বোঝা যায়, চক্রটি সক্রিয় রয়েছে।

ঢাকা/এসএইচ

শেয়ার করুন

error: Content is protected ! Please Don't Try!

মূল্যস্ফীতি ৭ শতাংশের নিচে নামলে সুদহার কমানো হবে: গভর্নর

আপডেট: ০৭:০৪:৫৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৫

মূল্যস্ফীতি কমলে সুদহার কমানো সম্ভব বলে জানিয়েছেন বাংলাদেশ ব্যাংকের গভর্নর আহসান এইচ মনসুর। তিনি জানান, সময় দিলে মূল্যস্ফীতি ৫ শতাংশের নিচে নেমে আসবে। তবে এটি ৭ শতাংশের নিচে নামলে তখন থেকে সুদহার কমানো হবে। আজ বৃহস্পতিবার (২০ ফেব্রুয়ারি) ইকোনমিক রিপোর্টার্স ফোরাম (ইআরএফ) আয়োজিত এক অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলে গভর্নর।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

আহসান এইচ মনসুর বলেন, কেন্দ্রীয় ব্যাংক কমপ্লায়েন্স, রেগুলেটর, এনফোর্সমেন্টের দিকে নজর দিবে। দক্ষতা ও ট্রেনিংয়ের উপর জোর দিতে হবে। বাংলাদেশে দক্ষ লোকের অভাব রয়েছে। আমাদের দুর্বলতা প্রকট। আমরা যে কাজগুলোতে দিয়েছি, আশা থাকবে পরবর্তী সরকার যেনো কাজগুলো এগিয়ে নিয়ে যায়।

আরও পড়ুন: স্ত্রী-দুই কন্যাসহ বেনজীরের বিরুদ্ধে আরও এক মামলা

তিনি আরও বলেন, রেমিট্যান্স প্রবাহ বাড়ছে। এর ফলে দেশের রিজার্ভও নিজস্ব সক্ষমতায় কিছুটা বেড়েছে। ডলারের বাজারও স্থিতিশীল রয়েছে। তবে দুবাইয়ে একটি চক্র রেমিট্যান্সের বাজার নিয়ন্ত্রণ করছে। দুবাইয়ে অল্প কিছু বাঙালি রয়েছে, আর সেই দেশ থেকে রেমিট্যান্স বেশি আসছে। এতেই বোঝা যায়, চক্রটি সক্রিয় রয়েছে।

ঢাকা/এসএইচ