১২:০০ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

মে মাসে পুঁজিবাজারে সূচক কমেছে ৩৩৩ পয়েন্ট

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ১২:৪৯:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ জুন ২০২৪
  • / ১০৪১৭ বার দেখা হয়েছে

ফাইল ফটো

চলতি বছরের প্রথম দুই মাসে দেশের পুঁজিবাজারে সূচক ও লেনদেনের ঊর্ধ্বমুখিতা দেখা গিয়েছিল। এর পর থেকে পুঁজিবাজারে বড় দরপতন পরিলক্ষিত হয়েছে। সর্বশেষ মে মাসে ডিএসইর সার্বিক সূচক ডিএসইএক্স ৩৩৩ পয়েন্ট হারিয়েছে। তবে আলোচ্য মাসে এক্সচেঞ্জটির দৈনিক গড় লেনদেন বেড়েছে প্রায় ২৯ শতাংশ। মূলত লোকসান এড়াতে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে শেয়ার বিক্রির প্রবণতার কারণে মে মাসে পুঁজিবাজারে নিম্নমুখিতা দেখা গেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

ইবিএল সিকিউরিটিজের মাসিক পুঁজিবাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত এপ্রিল শেষে ডিএসইএক্স সূচক ছিল ৫ হাজার ৫৮৫ পয়েন্টে। মে মাসে সূচকটি ৩৩৩ পয়েন্ট বা ৬ শতাংশ কমে ৫ হাজার ২৫২ পয়েন্টে এসে দাঁড়িয়েছে, যা প্রায় ৩৮ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। গত এপ্রিলে ডিএসইতে দৈনিক গড়ে ৪ কোটি ৭০ লাখ ডলারের লেনদেন হয়েছে। মে মাসে তা বেড়ে ৫ কোটি ৭০ লাখ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

আরও পড়ুন: পুঁজিবাজারে আসতে চায় ইউআরও এগ্রোভেট

এক বছর ধরেই পুঁজিবাজারে লেনদেনের পরিমাণ নিম্নমুখী। এর মধ্যে গত বছরের মে মাসে দৈনিক  গড়ে ৮ কোটি ২০ লাখ ডলার, জুনে ৭ কোটি ৬০ লাখ, জুলাইয়ে ৭ কোটি ২০ লাখ, আগস্টে ৪ কোটি, সেপ্টেম্বরে ৫ কোটি ৭০ লাখ, অক্টোবরে ৪ কোটি ২০ লাখ, নভেম্বরে ৩ কোটি ৯০ লাখ, ডিসেম্বরে ৪ কোটি ৯০ লাখ এবং এ বছরের জানুয়ারিতে ৬ কোটি ৫০ লাখ, ফেব্রুয়ারিতে ১১ কোটি ৫০ লাখ ও মার্চে ৫ কোটি ৪০ লাখ ডলারের লেনদেন হয়েছে পুঁজিবাজারে।

বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশের পুঁজিবাজারের অনিশ্চিত ভবিষ্যতের কারণে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা কমেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আর্থিক কড়াকড়ির কারণে মুদ্রাবাজারে ক্রমবর্ধমান সুদহার বাজারের দীর্ঘস্থায়ী দরপতন পুনরুদ্ধারে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া আগামী অর্থবছরে মূলধনি আয়ের ওপর জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের করারোপের খবর বিনিয়োগকারীদের হতাশা বাড়িয়েছে। ফলে মাসজুড়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে শেয়ার বিক্রি করার প্রবণতা দেখা গেছে।

মে মাসে পুঁজিবাজারের বাজার মূলধন কমেছে ৯০৫ কোটি ডলার। গত এপ্রিলে বাজার মূলধন ছিল ৬ হাজার ৪১০ কোটি ডলার, যা মে মাসে ৫ হাজার ৫০৫ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। এ মাসে জিডিপি ও বাজার মূলধনের অনুপাত দাঁড়িয়েছে ১২ শতাংশে, যা এক বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। বর্তমানে দেশের পুঁজিবাজারের মূল্য-আয় অনুপাত (পিই রেশিও) ১৩ দশমিক ৪৯।

ঢাকা/এসএইচ

শেয়ার করুন

error: Content is protected ! Please Don't Try!

মে মাসে পুঁজিবাজারে সূচক কমেছে ৩৩৩ পয়েন্ট

আপডেট: ১২:৪৯:৫২ অপরাহ্ন, শনিবার, ১ জুন ২০২৪

চলতি বছরের প্রথম দুই মাসে দেশের পুঁজিবাজারে সূচক ও লেনদেনের ঊর্ধ্বমুখিতা দেখা গিয়েছিল। এর পর থেকে পুঁজিবাজারে বড় দরপতন পরিলক্ষিত হয়েছে। সর্বশেষ মে মাসে ডিএসইর সার্বিক সূচক ডিএসইএক্স ৩৩৩ পয়েন্ট হারিয়েছে। তবে আলোচ্য মাসে এক্সচেঞ্জটির দৈনিক গড় লেনদেন বেড়েছে প্রায় ২৯ শতাংশ। মূলত লোকসান এড়াতে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে শেয়ার বিক্রির প্রবণতার কারণে মে মাসে পুঁজিবাজারে নিম্নমুখিতা দেখা গেছে বলে মনে করছেন বিশ্লেষকরা।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

ইবিএল সিকিউরিটিজের মাসিক পুঁজিবাজার পর্যালোচনায় দেখা যায়, গত এপ্রিল শেষে ডিএসইএক্স সূচক ছিল ৫ হাজার ৫৮৫ পয়েন্টে। মে মাসে সূচকটি ৩৩৩ পয়েন্ট বা ৬ শতাংশ কমে ৫ হাজার ২৫২ পয়েন্টে এসে দাঁড়িয়েছে, যা প্রায় ৩৮ মাসের মধ্যে সর্বনিম্ন। গত এপ্রিলে ডিএসইতে দৈনিক গড়ে ৪ কোটি ৭০ লাখ ডলারের লেনদেন হয়েছে। মে মাসে তা বেড়ে ৫ কোটি ৭০ লাখ ডলারে দাঁড়িয়েছে।

আরও পড়ুন: পুঁজিবাজারে আসতে চায় ইউআরও এগ্রোভেট

এক বছর ধরেই পুঁজিবাজারে লেনদেনের পরিমাণ নিম্নমুখী। এর মধ্যে গত বছরের মে মাসে দৈনিক  গড়ে ৮ কোটি ২০ লাখ ডলার, জুনে ৭ কোটি ৬০ লাখ, জুলাইয়ে ৭ কোটি ২০ লাখ, আগস্টে ৪ কোটি, সেপ্টেম্বরে ৫ কোটি ৭০ লাখ, অক্টোবরে ৪ কোটি ২০ লাখ, নভেম্বরে ৩ কোটি ৯০ লাখ, ডিসেম্বরে ৪ কোটি ৯০ লাখ এবং এ বছরের জানুয়ারিতে ৬ কোটি ৫০ লাখ, ফেব্রুয়ারিতে ১১ কোটি ৫০ লাখ ও মার্চে ৫ কোটি ৪০ লাখ ডলারের লেনদেন হয়েছে পুঁজিবাজারে।

বাজারসংশ্লিষ্টরা বলছেন, দেশের পুঁজিবাজারের অনিশ্চিত ভবিষ্যতের কারণে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে আস্থা কমেছে। কেন্দ্রীয় ব্যাংকের আর্থিক কড়াকড়ির কারণে মুদ্রাবাজারে ক্রমবর্ধমান সুদহার বাজারের দীর্ঘস্থায়ী দরপতন পুনরুদ্ধারে বাধা হয়ে দাঁড়িয়েছে। এছাড়া আগামী অর্থবছরে মূলধনি আয়ের ওপর জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের করারোপের খবর বিনিয়োগকারীদের হতাশা বাড়িয়েছে। ফলে মাসজুড়ে বিনিয়োগকারীদের মধ্যে শেয়ার বিক্রি করার প্রবণতা দেখা গেছে।

মে মাসে পুঁজিবাজারের বাজার মূলধন কমেছে ৯০৫ কোটি ডলার। গত এপ্রিলে বাজার মূলধন ছিল ৬ হাজার ৪১০ কোটি ডলার, যা মে মাসে ৫ হাজার ৫০৫ কোটি ডলারে দাঁড়িয়েছে। এ মাসে জিডিপি ও বাজার মূলধনের অনুপাত দাঁড়িয়েছে ১২ শতাংশে, যা এক বছরের মধ্যে সর্বনিম্ন। বর্তমানে দেশের পুঁজিবাজারের মূল্য-আয় অনুপাত (পিই রেশিও) ১৩ দশমিক ৪৯।

ঢাকা/এসএইচ