১২:৩২ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

লকার থেকে ১৪৯ ভরি স্বর্ণালংকার গায়েব: যা বলল ইসলামী ব্যাংক

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ০৫:২২:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ জুন ২০২৪
  • / ১০৪৪৯ বার দেখা হয়েছে

চট্টগ্রামের ইসলামী ব্যাংকের চকবাজার শাখার লকার থেকে গ্রাহকের ১৪৯ ভরি স্বর্ণালংকার উধাও হয়ে যাওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছে ইসলামী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।

রোববার (২ জুন) ব্যাংকের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট নজরুল ইসলামের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রতিটি লকার খোলার জন্য দুটি চাবির প্রয়োজন হয়। যার একটি গ্রাহক ও অপরটি ব্যাংকের কাছে থাকে। গ্রাহকের চাবি ছাড়া শুধু ব্যাংকে রক্ষিত চাবি দিয়ে কোনোভাবেই লকার খোলা সম্ভব নয়। ব্যাংকিং নিয়মানুযায়ী গ্রাহককে তার লকারের মূল চাবি বুঝিয়ে দেয়া হয়। লকারে রক্ষিত মালামাল ও তার পরিমাণ সম্পর্কে গ্রাহক ছাড়া ব্যাংকার বা অন্য কোনো ব্যক্তির জানার সুযোগ নেই।

আরও পড়ুন: কোরবানির গরুর চামড়ার নতুন দাম নির্ধারণ

এতে আরও বলা হয়, গত ৮ এপ্রিল লকারের গ্রাহক রোকেয়া বারী লকার ব্যবহারের জন্য ব্যাংকে আসেন। এ সময় ব্যাংক কর্মকর্তা গ্রাহকের উপস্থিতিতে মাস্টার কি (চাবি) দিয়ে লকার আনলক করেন। পরবর্তী সময়ে গ্রাহক যথারীতি তার কাছে রক্ষিত চাবি ব্যবহার করে পরিপূর্ণভাবে লকার খুলে তার কাজ শেষে লকার বন্ধ করে ব্যাংকারকে অবহিত করে চলে যান।

নিয়মানুযায়ী লকার বন্ধ করার সময় ব্যাংকের কারো উপস্থিত থাকার সুযোগ নেই। একমাত্র গ্রাহকই তার লকার বন্ধ করতে পারেন। গ্রাহক যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্যাংক কর্মকর্তা লকার রুমের মূল ফটক নিয়মমাফিক তাৎক্ষণিক বন্ধ করে দেন।

ঢাকা/এসএইচ

শেয়ার করুন

error: Content is protected ! Please Don't Try!

লকার থেকে ১৪৯ ভরি স্বর্ণালংকার গায়েব: যা বলল ইসলামী ব্যাংক

আপডেট: ০৫:২২:৩৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ জুন ২০২৪

চট্টগ্রামের ইসলামী ব্যাংকের চকবাজার শাখার লকার থেকে গ্রাহকের ১৪৯ ভরি স্বর্ণালংকার উধাও হয়ে যাওয়ার অভিযোগ অস্বীকার করেছে ইসলামী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ।

রোববার (২ জুন) ব্যাংকের সিনিয়র ভাইস প্রেসিডেন্ট নজরুল ইসলামের সই করা বিজ্ঞপ্তিতে এ তথ্য জানানো হয়।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

বিজ্ঞপ্তিতে বলা হয়, প্রতিটি লকার খোলার জন্য দুটি চাবির প্রয়োজন হয়। যার একটি গ্রাহক ও অপরটি ব্যাংকের কাছে থাকে। গ্রাহকের চাবি ছাড়া শুধু ব্যাংকে রক্ষিত চাবি দিয়ে কোনোভাবেই লকার খোলা সম্ভব নয়। ব্যাংকিং নিয়মানুযায়ী গ্রাহককে তার লকারের মূল চাবি বুঝিয়ে দেয়া হয়। লকারে রক্ষিত মালামাল ও তার পরিমাণ সম্পর্কে গ্রাহক ছাড়া ব্যাংকার বা অন্য কোনো ব্যক্তির জানার সুযোগ নেই।

আরও পড়ুন: কোরবানির গরুর চামড়ার নতুন দাম নির্ধারণ

এতে আরও বলা হয়, গত ৮ এপ্রিল লকারের গ্রাহক রোকেয়া বারী লকার ব্যবহারের জন্য ব্যাংকে আসেন। এ সময় ব্যাংক কর্মকর্তা গ্রাহকের উপস্থিতিতে মাস্টার কি (চাবি) দিয়ে লকার আনলক করেন। পরবর্তী সময়ে গ্রাহক যথারীতি তার কাছে রক্ষিত চাবি ব্যবহার করে পরিপূর্ণভাবে লকার খুলে তার কাজ শেষে লকার বন্ধ করে ব্যাংকারকে অবহিত করে চলে যান।

নিয়মানুযায়ী লকার বন্ধ করার সময় ব্যাংকের কারো উপস্থিত থাকার সুযোগ নেই। একমাত্র গ্রাহকই তার লকার বন্ধ করতে পারেন। গ্রাহক যাওয়ার সঙ্গে সঙ্গে ব্যাংক কর্মকর্তা লকার রুমের মূল ফটক নিয়মমাফিক তাৎক্ষণিক বন্ধ করে দেন।

ঢাকা/এসএইচ