০৯:৩৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬

হাইকোর্টের বিচারপতি রেজাউল হাসানের পদত্যাগ

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ১১:৪৯:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬
  • / ১০২১৬ বার দেখা হয়েছে

দুর্নীতির অভিযোগ থাকায় হাইকোর্টের বিচারপতি রেজাউল হাসান (এমআর হাসান) পদত্যাগ করেছেন। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) প্রধান বিচারপতির কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন তিনি। পরে প্রধান বিচারপতি তার পদত্যাগপত্রটি রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠিয়েছেন।

তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে তদন্ত চলছিল। ২০২৩ সালের ২ ডিসেম্বর বনানী ইউলুপে ট্রাফিক সার্জেন্ট মহুয়ার বাবা মনোরঞ্জন হাজমকে গাড়ি চাপা দিয়েছিলেন বিচারপতি রেজাউল হাসানের ছেলে। সে সময় এ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার পরও মামলা নেয়নি পুলিশ। অভিযোগ ছিল বিচারপতির প্রভাব খাটিয়ে সে সময় থানা পুলিশকে ফোন করে ছেলেকে আসামি না করতে চাপ দিয়ে মামলা থেকে অব্যাহতি নিয়ে নেন।

বিচারপতি এমআর হাসান হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি থাকাকালীন কোম্পানি বেঞ্চের দায়িত্বে ছিলেন। সে সময় তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ জমা পড়ে প্রধান বিচারপতির কাছে। অভিযোগ আছে একাধিক ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীর কাছ থেকে অর্থ নিয়ে রায় পাল্টে দিতেন।

৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে সুপ্রিম কোর্টের যে সমস্ত বিচারপতির বিরুদ্ধে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে তদন্ত শুরু হয় তারমধ্যে এমআর হাসান অন্যতম। সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল প্রাথমিকভাবে তার দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়ায় তাকে সিদ্ধান্ত নিতে বলা হয়। তার প্রেক্ষিতেই তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগ করেন।

ঢাকা/এসএইচ

শেয়ার করুন

হাইকোর্টের বিচারপতি রেজাউল হাসানের পদত্যাগ

আপডেট: ১১:৪৯:১৪ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ৩১ মার্চ ২০২৬

দুর্নীতির অভিযোগ থাকায় হাইকোর্টের বিচারপতি রেজাউল হাসান (এমআর হাসান) পদত্যাগ করেছেন। মঙ্গলবার (৩১ মার্চ) প্রধান বিচারপতির কাছে পদত্যাগপত্র পাঠিয়েছেন তিনি। পরে প্রধান বিচারপতি তার পদত্যাগপত্রটি রাষ্ট্রপতির কাছে পাঠিয়েছেন।

তার বিরুদ্ধে দুর্নীতির অভিযোগে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে তদন্ত চলছিল। ২০২৩ সালের ২ ডিসেম্বর বনানী ইউলুপে ট্রাফিক সার্জেন্ট মহুয়ার বাবা মনোরঞ্জন হাজমকে গাড়ি চাপা দিয়েছিলেন বিচারপতি রেজাউল হাসানের ছেলে। সে সময় এ বিষয়ে সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ও গণমাধ্যমে ব্যাপক আলোচনার পরও মামলা নেয়নি পুলিশ। অভিযোগ ছিল বিচারপতির প্রভাব খাটিয়ে সে সময় থানা পুলিশকে ফোন করে ছেলেকে আসামি না করতে চাপ দিয়ে মামলা থেকে অব্যাহতি নিয়ে নেন।

বিচারপতি এমআর হাসান হাইকোর্ট বিভাগের বিচারপতি থাকাকালীন কোম্পানি বেঞ্চের দায়িত্বে ছিলেন। সে সময় তার বিরুদ্ধে একাধিক অভিযোগ জমা পড়ে প্রধান বিচারপতির কাছে। অভিযোগ আছে একাধিক ভুক্তভোগী ব্যবসায়ীর কাছ থেকে অর্থ নিয়ে রায় পাল্টে দিতেন।

৫ আগস্ট পরবর্তী সময়ে সুপ্রিম কোর্টের যে সমস্ত বিচারপতির বিরুদ্ধে সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিলে তদন্ত শুরু হয় তারমধ্যে এমআর হাসান অন্যতম। সুপ্রিম জুডিশিয়াল কাউন্সিল প্রাথমিকভাবে তার দুর্নীতির প্রমাণ পাওয়ায় তাকে সিদ্ধান্ত নিতে বলা হয়। তার প্রেক্ষিতেই তিনি রাষ্ট্রপতির কাছে পদত্যাগ করেন।

ঢাকা/এসএইচ