০৬:২০ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬

টেকসই নদী শাসন ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা নিতে হবে: পরিবেশ উপদেষ্টা

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ০৫:১২:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ১০২৯৪ বার দেখা হয়েছে

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন, পানিসম্পদ এবং তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, যমুনা বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান নদী। এটি একটি গতিশীল এবং জীবনদায়ী নদী, যা বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। যমুনা নদী ব্যবস্থাপনায় টেকসই নদী শাসন ও বন্যা নিয়ন্ত্রণে বিস্তৃত পরিকল্পনা নিতে হবে।

বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) রাজধানীর পান্থপথে পানি ভবনে এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

উপদেষ্টা বলেন, যমুনা নদী শাসন ও ব্যবস্থাপনায় নদীর আকার-আকৃতি ও বৈশিষ্ট্যগুলোর পাশাপাশি সেখানে গড়ে ওঠা জীববৈচিত্র্য ও জীবনযাপনের অপরিহার্য উপকরণগুলো অপরিবর্তিত রাখতে হবে। বোরো চাষাবাদের জন্য পর্যাপ্ত পানির সংস্থান ও লবণাক্ততা হ্রাসের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে জাপান বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু। জাপান ও জাপানের জনগণকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য ধন্যবাদ জানান এবং সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক মো. এনায়েত উল্ল্যাহর সভাপতিত্বে সেমিনারে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনছি, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব খোন্দকার আজিম আহমেদ এবং পরিকল্পনা কমিশনের অতিরিক্ত সচিব মো. এনামুল হক।

ঢাকা/এসএইচ

শেয়ার করুন

টেকসই নদী শাসন ও দীর্ঘমেয়াদী পরিকল্পনা নিতে হবে: পরিবেশ উপদেষ্টা

আপডেট: ০৫:১২:০৮ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৭ ডিসেম্বর ২০২৫

পরিবেশ, বন ও জলবায়ু পরিবর্তন, পানিসম্পদ এবং তথ্য ও সম্প্রচার উপদেষ্টা সৈয়দা রিজওয়ানা হাসান বলেছেন, যমুনা বাংলাদেশের অন্যতম প্রধান নদী। এটি একটি গতিশীল এবং জীবনদায়ী নদী, যা বাংলাদেশের ভূ-প্রকৃতিতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে। যমুনা নদী ব্যবস্থাপনায় টেকসই নদী শাসন ও বন্যা নিয়ন্ত্রণে বিস্তৃত পরিকল্পনা নিতে হবে।

বুধবার (১৭ ডিসেম্বর) রাজধানীর পান্থপথে পানি ভবনে এক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তৃতায় তিনি এসব কথা বলেন।

উপদেষ্টা বলেন, যমুনা নদী শাসন ও ব্যবস্থাপনায় নদীর আকার-আকৃতি ও বৈশিষ্ট্যগুলোর পাশাপাশি সেখানে গড়ে ওঠা জীববৈচিত্র্য ও জীবনযাপনের অপরিহার্য উপকরণগুলো অপরিবর্তিত রাখতে হবে। বোরো চাষাবাদের জন্য পর্যাপ্ত পানির সংস্থান ও লবণাক্ততা হ্রাসের প্রয়োজনীয় উদ্যোগ গ্রহণের ওপর তিনি গুরুত্বারোপ করেন।

তিনি আরও বলেন, স্বাধীনতার পর থেকে জাপান বাংলাদেশের পরীক্ষিত বন্ধু। জাপান ও জাপানের জনগণকে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক ও অবকাঠামোগত উন্নয়নের জন্য ধন্যবাদ জানান এবং সহযোগিতা অব্যাহত রাখার আশাবাদ ব্যক্ত করেন তিনি।

পানি উন্নয়ন বোর্ডের মহাপরিচালক মো. এনায়েত উল্ল্যাহর সভাপতিত্বে সেমিনারে বক্তব্য রাখেন বাংলাদেশে নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনছি, পানিসম্পদ মন্ত্রণালয়ের অতিরিক্ত সচিব খোন্দকার আজিম আহমেদ এবং পরিকল্পনা কমিশনের অতিরিক্ত সচিব মো. এনামুল হক।

ঢাকা/এসএইচ