০১:৩৩ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ০১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

এলপিজি অটোগ্যাস সংকটে প্রায় সব ফিলিং স্টেশন বন্ধ

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ০১:২৯:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ১০২২৪ বার দেখা হয়েছে

এলপিজি অটোগ্যাসের তীব্র সংকটে দেশের প্রায় সব ফিলিং স্টেশন কার্যত বন্ধ হয়ে পড়েছে। ফলে অটোগ্যাস ব্যবহারকারী পরিবহন চালক ও মালিকরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। শনিবার (১০ জানুয়ারি) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে আয়োজিত ‘এলপিজি সংকটের নেতিবাচক প্রভাব পরিবহন খাতে’ শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বাংলাদেশ এলপিজি অটোগ্যাস স্টেশন অ্যান্ড কনভার্শন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি প্রকৌশলী মো. সিরাজুল মাওলা।

তিনি বলেন, দেশে বর্তমানে প্রতি মাসে প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার টন এলপিজির চাহিদা রয়েছে। এর মধ্যে ১০ শতাংশ অর্থাৎ প্রায় ১৫ হাজার টন অটোগ্যাস হিসেবে ব্যবহৃত হয়। কিন্তু সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় অটোগ্যাস শিল্প ধ্বংসের মুখে পড়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সারা দেশে প্রায় ১ হাজার এলপিজি অটোগ্যাস ফিলিং স্টেশন রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এসব স্টেশন বন্ধ থাকায় উদ্যোক্তারা কর্মচারীদের বেতন, ব্যাংক ঋণের কিস্তি ও পরিচালন ব্যয় বহন করতে পারছেন না। অনেকেই দেউলিয়ার পথে হাঁটছেন।

অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে অবিলম্বে এলপিজির আমদানি স্বাভাবিক করা, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ, চাহিদা অনুযায়ী অটোগ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের সংকট এড়াতে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার দাবি জানানো হয়।

ঢাকা/এসএইচ

শেয়ার করুন

এলপিজি অটোগ্যাস সংকটে প্রায় সব ফিলিং স্টেশন বন্ধ

আপডেট: ০১:২৯:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১০ জানুয়ারী ২০২৬

এলপিজি অটোগ্যাসের তীব্র সংকটে দেশের প্রায় সব ফিলিং স্টেশন কার্যত বন্ধ হয়ে পড়েছে। ফলে অটোগ্যাস ব্যবহারকারী পরিবহন চালক ও মালিকরা চরম ভোগান্তির শিকার হচ্ছেন। শনিবার (১০ জানুয়ারি) ঢাকা রিপোর্টার্স ইউনিটি মিলনায়তনে আয়োজিত ‘এলপিজি সংকটের নেতিবাচক প্রভাব পরিবহন খাতে’ শীর্ষক এক সংবাদ সম্মেলনে এ তথ্য জানান বাংলাদেশ এলপিজি অটোগ্যাস স্টেশন অ্যান্ড কনভার্শন ওয়ার্কশপ ওনার্স অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি প্রকৌশলী মো. সিরাজুল মাওলা।

তিনি বলেন, দেশে বর্তমানে প্রতি মাসে প্রায় ১ লাখ ৪০ হাজার টন এলপিজির চাহিদা রয়েছে। এর মধ্যে ১০ শতাংশ অর্থাৎ প্রায় ১৫ হাজার টন অটোগ্যাস হিসেবে ব্যবহৃত হয়। কিন্তু সরবরাহ ব্যাহত হওয়ায় অটোগ্যাস শিল্প ধ্বংসের মুখে পড়েছে।

সংবাদ সম্মেলনে জানানো হয়, সারা দেশে প্রায় ১ হাজার এলপিজি অটোগ্যাস ফিলিং স্টেশন রয়েছে। দীর্ঘদিন ধরে এসব স্টেশন বন্ধ থাকায় উদ্যোক্তারা কর্মচারীদের বেতন, ব্যাংক ঋণের কিস্তি ও পরিচালন ব্যয় বহন করতে পারছেন না। অনেকেই দেউলিয়ার পথে হাঁটছেন।

অ্যাসোসিয়েশনের পক্ষ থেকে অবিলম্বে এলপিজির আমদানি স্বাভাবিক করা, কৃত্রিম সংকট সৃষ্টিকারীদের বিরুদ্ধে প্রশাসনিক ব্যবস্থা গ্রহণ, চাহিদা অনুযায়ী অটোগ্যাস সরবরাহ নিশ্চিত করা এবং ভবিষ্যতে এ ধরনের সংকট এড়াতে কার্যকর পদক্ষেপ নেয়ার দাবি জানানো হয়।

ঢাকা/এসএইচ