০৬:২৮ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ১৭ জুলাই ২০২৬

চাল-গম আত্মসাতের দায়ে খাদ্য কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ০৬:০২:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ মে ২০২৩
  • / ১০৪৭৮ বার দেখা হয়েছে

সরকারি গুদামের চাল ও গম আত্মসাৎ মামলার আসামি বরখাস্তকৃত ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার উপ-খাদ্য পরিদর্শক মো. ছানোয়ার হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

রোববার (১৪মে) ফরিদপুর জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় থেকে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপসহকারী পরিচালক মো. ইমরান আকনের নেতৃত্বে অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করে দুদকের একটি দল।দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) মুহাম্মদ আরিফ সাদেক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

দুদক সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত ছানোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে খাদ্য গুদাম থেকে ১২৮৯ বস্তায় ৭৩ টন ৭৬৩ কেজি চাল, ৬৭ বস্তায় ৩ টন ৩৭৪ কেজি গম ও ৪০০ বস্তায় ১৯ টন ৯৫০ কেজি ধান আত্মসাতের অভিযোগ এনে ২০২৩ সালের ১১ এপ্রিল মামলা দায়ের করা হয়। মামলা ৮৮৪১ টি খালি বস্তা উদ্ধারের বিষয়টিও বলা হয়েছে। বস্তার ওই খাদ্যশস্য আত্মসাতের প্রমাণ পেয়েছে দুদক।

পরবর্তীতে ওই খাদ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯/৪২০/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১ ও ১৯৪৭ সনের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় মামলাটি দায়ের করা হয়। দুদকের সহকারী পরিচালক সর্দার আবুল বাসার বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

ঢাকা/এসএম

শেয়ার করুন

error: Content is protected ! Please Don't Try!

চাল-গম আত্মসাতের দায়ে খাদ্য কর্মকর্তা গ্রেপ্তার

আপডেট: ০৬:০২:৩৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১৪ মে ২০২৩

সরকারি গুদামের চাল ও গম আত্মসাৎ মামলার আসামি বরখাস্তকৃত ফরিদপুরের বোয়ালমারী উপজেলার উপ-খাদ্য পরিদর্শক মো. ছানোয়ার হোসেনকে গ্রেপ্তার করেছে দুর্নীতি দমন কমিশন (দুদক)।

রোববার (১৪মে) ফরিদপুর জেলা খাদ্য নিয়ন্ত্রকের কার্যালয় থেকে মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপসহকারী পরিচালক মো. ইমরান আকনের নেতৃত্বে অভিযুক্ত কর্মকর্তাকে গ্রেপ্তার করে দুদকের একটি দল।দুদকের উপপরিচালক (জনসংযোগ) মুহাম্মদ আরিফ সাদেক বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

দুদক সূত্রে জানা যায়, অভিযুক্ত ছানোয়ার হোসেনের বিরুদ্ধে খাদ্য গুদাম থেকে ১২৮৯ বস্তায় ৭৩ টন ৭৬৩ কেজি চাল, ৬৭ বস্তায় ৩ টন ৩৭৪ কেজি গম ও ৪০০ বস্তায় ১৯ টন ৯৫০ কেজি ধান আত্মসাতের অভিযোগ এনে ২০২৩ সালের ১১ এপ্রিল মামলা দায়ের করা হয়। মামলা ৮৮৪১ টি খালি বস্তা উদ্ধারের বিষয়টিও বলা হয়েছে। বস্তার ওই খাদ্যশস্য আত্মসাতের প্রমাণ পেয়েছে দুদক।

পরবর্তীতে ওই খাদ্য কর্মকর্তার বিরুদ্ধে দণ্ডবিধির ৪০৯/৪২০/৪৬৭/৪৬৮/৪৭১ ও ১৯৪৭ সনের দুর্নীতি প্রতিরোধ আইনের ৫(২) ধারায় মামলাটি দায়ের করা হয়। দুদকের সহকারী পরিচালক সর্দার আবুল বাসার বাদী হয়ে মামলাটি দায়ের করেন।

ঢাকা/এসএম