০৪:০৯ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ০৩ এপ্রিল ২০২৬

তিউনিসিয়ায় ১৭ হাজার শিক্ষকের বেতন বন্ধ

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ০২:৩৭:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ জুলাই ২০২৩
  • / ১০৫৬০ বার দেখা হয়েছে

উত্তর আফ্রিকার দেশ তিউনিসিয়ায় আন্দোলন করায় ১৭ হাজার শিক্ষকের বেতন বন্ধ করে দিয়েছে সরকার। শুধু তাই নয়, ৩৫০টি স্কুলের অধ্যক্ষকে বরখাস্ত করা হয়েছে। বেতন বাড়ানোর দাবিতে বড় ধরনের বিক্ষোভের জেরেই তাদের বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা নেওয়ার কথা সোমবার জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

বেতন-ভাতা স্থগিতে তিউনিসিয়ার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ৩০ শতাংশ শিক্ষক মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়ার শঙ্কা রয়েছে। দেশটির অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি চরম সংকটে থাকা অবস্থাতেই এমন বিতর্কিত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

এই পদক্ষেপের ফলে পুরো দেশের শিক্ষকদের আরও ক্ষেপিয়ে তুলবে। অন্যান্য ইস্যুতে আন্দোলন করে আসা মানুষও যোগ দিতে পারে। তাতে পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে যাবে। প্রতিবাদের অংশ হিসেবে স্কুলে শিক্ষার্থীদের গ্রেড দেবে না বলে জানিয়েছে শিক্ষকরা।

এ ঘটনায় শিক্ষামন্ত্রী মোহাম্মদ আলী বাগদির বলেছেন, ‘স্কুল শিক্ষার্থীদের গ্রেড না দেওয়া কার্যত বিপর্যয়ের ঘটনা। যা শিশু শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে একধরনের অপরাধ।’

আরও পড়ুন: নির্বাচন নিয়ে কথা বলা অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ নয়: যুক্তরাষ্ট্র

উদ্বেগ জানিয়ে ইউনিয়নের কর্মকর্তা ইকবাল আজাবি রয়টার্সকে বলেছেন, সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে শিক্ষকদের অনাহারে রাখা। আন্দোলনের কারণে আগামী স্কুল মৌসুমটা কঠিন হবে। অনেক স্কুলের অধ্যাপক তাদের পতদ্যাগপত্র জমা দিতে শুরু করেছে। সূত্র: রয়টার্স

ঢাকা/এসএ

শেয়ার করুন

তিউনিসিয়ায় ১৭ হাজার শিক্ষকের বেতন বন্ধ

আপডেট: ০২:৩৭:৫২ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১১ জুলাই ২০২৩

উত্তর আফ্রিকার দেশ তিউনিসিয়ায় আন্দোলন করায় ১৭ হাজার শিক্ষকের বেতন বন্ধ করে দিয়েছে সরকার। শুধু তাই নয়, ৩৫০টি স্কুলের অধ্যক্ষকে বরখাস্ত করা হয়েছে। বেতন বাড়ানোর দাবিতে বড় ধরনের বিক্ষোভের জেরেই তাদের বিরুদ্ধে এই ব্যবস্থা নেওয়ার কথা সোমবার জানিয়েছে কর্তৃপক্ষ।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

বেতন-ভাতা স্থগিতে তিউনিসিয়ার প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রায় ৩০ শতাংশ শিক্ষক মারাত্মক ক্ষতির মুখে পড়ার শঙ্কা রয়েছে। দেশটির অর্থনৈতিক ও রাজনৈতিক পরিস্থিতি চরম সংকটে থাকা অবস্থাতেই এমন বিতর্কিত পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।

এই পদক্ষেপের ফলে পুরো দেশের শিক্ষকদের আরও ক্ষেপিয়ে তুলবে। অন্যান্য ইস্যুতে আন্দোলন করে আসা মানুষও যোগ দিতে পারে। তাতে পরিস্থিতি আরও খারাপের দিকে যাবে। প্রতিবাদের অংশ হিসেবে স্কুলে শিক্ষার্থীদের গ্রেড দেবে না বলে জানিয়েছে শিক্ষকরা।

এ ঘটনায় শিক্ষামন্ত্রী মোহাম্মদ আলী বাগদির বলেছেন, ‘স্কুল শিক্ষার্থীদের গ্রেড না দেওয়া কার্যত বিপর্যয়ের ঘটনা। যা শিশু শিক্ষার্থীদের বিরুদ্ধে একধরনের অপরাধ।’

আরও পড়ুন: নির্বাচন নিয়ে কথা বলা অভ্যন্তরীণ বিষয়ে হস্তক্ষেপ নয়: যুক্তরাষ্ট্র

উদ্বেগ জানিয়ে ইউনিয়নের কর্মকর্তা ইকবাল আজাবি রয়টার্সকে বলেছেন, সরকারের লক্ষ্য হচ্ছে শিক্ষকদের অনাহারে রাখা। আন্দোলনের কারণে আগামী স্কুল মৌসুমটা কঠিন হবে। অনেক স্কুলের অধ্যাপক তাদের পতদ্যাগপত্র জমা দিতে শুরু করেছে। সূত্র: রয়টার্স

ঢাকা/এসএ