১২:১৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ২০ এপ্রিল ২০২৬

দেশে দেশে ছড়িয়ে পড়ছে করোনার নতুন ধরন

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ১২:২৬:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২০
  • / ১০৪৬৮ বার দেখা হয়েছে

যুক্তরাজ্যে পাওয়া করোনাভাইরাসের নতুন ধরনটি বিশ্বের আরও কয়েকটি দেশে শনাক্ত হয়েছে। ইউরোপীয় দেশগুলোর বাইরে ভাইরাসের নতুন এই ধরন পাওয়া গেছে কানাডা ও জাপানেও।

বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্পেন, সুইজারল্যান্ড, সুইডেন ও ফ্রান্সে যাদের শরীরে করোনাভাইরাসের এই নতুন ধরন শনাক্ত হয়েছে, তাদের সঙ্গে যুক্তরাজ্য থেকে আসা মানুষজনের সংস্পর্শের আসার তথ্য পাওয়া গেছে।

তবে কানাডার অন্টারিওতে এক দম্পতির শরীরে এই ভাইরাস শনাক্ত হলেও, তারা কীভাবে আক্রান্ত হয়েছেন তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তাদের অন্য দেশে ভ্রমণ বা উচ্চ-ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের সংস্পর্শে আসার ইতিহাস পাওয়া যায়নি।

জাপানে যুক্তরাজ্য থেকে আসা পাঁচজন যাত্রীর শরীরে করোনাভাইরাসের নতুন ধরনটি শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া আরও দুইজনের শরীরে এটি পাওয়া গেছে, যারা স্থানীয়ভাবে সংক্রমিত হয়েছেন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে অনাবাসিক নাগরিকদের আগামী একমাসের জন্য দেশে আসা নিষিদ্ধ করে দিয়েছে জাপান। সোমবার থেকে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে।

এদিকে রোববার থেকে ইউরোপের দেশগুলো তাদের নাগরিকদের ফাইজারের কোভিড-১৯ টিকা দিতে শুরু করেছে। প্রথমে দেশগুলোর বয়স্ক নাগরিকরা টিকা পাবেন।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, যুক্তরাজ্যের কঠোর নজরদারী ব্যবস্থার কারণেই করোনাভাইরাসের নতুন ধরনটি প্রথম সেখানেই শনাক্ত হয়ে থাকতে পারে।

প্রথম লন্ডনসহ ইংল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলে করোনাভাইরাসের অত্যন্ত সংক্রামক এই নতুন ধরনটি ছড়িয়ে পড়ে। এটি আগেকার ভাইরাসের চেয়ে আরও বেশি সহজে এবং দ্রুতগতিতে মানুষের মধ্যে ছড়াতে পারে বলে দেখা গেছে।

করোনাভাইরাসের এই নতুন মিউটেশনটি বেশি সংক্রামক হলেও বিজ্ঞানীরা বলেছেন, এটি অধিকতর বিপজ্জনক এমন কোনো প্রমাণ এখনও পাওয়া যায়নি। এছাড়া করোনাভাইরাসের যে টিকা দেওয়া শুরু হয়েছে তা ভাইরাসের নতুন এই ধরনের বিরুদ্ধেও একই রকম কার্যকর হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তারা।

শেয়ার করুন

দেশে দেশে ছড়িয়ে পড়ছে করোনার নতুন ধরন

আপডেট: ১২:২৬:২০ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৭ ডিসেম্বর ২০২০

যুক্তরাজ্যে পাওয়া করোনাভাইরাসের নতুন ধরনটি বিশ্বের আরও কয়েকটি দেশে শনাক্ত হয়েছে। ইউরোপীয় দেশগুলোর বাইরে ভাইরাসের নতুন এই ধরন পাওয়া গেছে কানাডা ও জাপানেও।

বিবিসির এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, স্পেন, সুইজারল্যান্ড, সুইডেন ও ফ্রান্সে যাদের শরীরে করোনাভাইরাসের এই নতুন ধরন শনাক্ত হয়েছে, তাদের সঙ্গে যুক্তরাজ্য থেকে আসা মানুষজনের সংস্পর্শের আসার তথ্য পাওয়া গেছে।

তবে কানাডার অন্টারিওতে এক দম্পতির শরীরে এই ভাইরাস শনাক্ত হলেও, তারা কীভাবে আক্রান্ত হয়েছেন তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। তাদের অন্য দেশে ভ্রমণ বা উচ্চ-ঝুঁকিতে থাকা ব্যক্তিদের সংস্পর্শে আসার ইতিহাস পাওয়া যায়নি।

জাপানে যুক্তরাজ্য থেকে আসা পাঁচজন যাত্রীর শরীরে করোনাভাইরাসের নতুন ধরনটি শনাক্ত হয়েছে। এছাড়া আরও দুইজনের শরীরে এটি পাওয়া গেছে, যারা স্থানীয়ভাবে সংক্রমিত হয়েছেন। উদ্ভূত পরিস্থিতিতে অনাবাসিক নাগরিকদের আগামী একমাসের জন্য দেশে আসা নিষিদ্ধ করে দিয়েছে জাপান। সোমবার থেকে এই নিষেধাজ্ঞা কার্যকর হবে।

এদিকে রোববার থেকে ইউরোপের দেশগুলো তাদের নাগরিকদের ফাইজারের কোভিড-১৯ টিকা দিতে শুরু করেছে। প্রথমে দেশগুলোর বয়স্ক নাগরিকরা টিকা পাবেন।

বিজ্ঞানীরা বলছেন, যুক্তরাজ্যের কঠোর নজরদারী ব্যবস্থার কারণেই করোনাভাইরাসের নতুন ধরনটি প্রথম সেখানেই শনাক্ত হয়ে থাকতে পারে।

প্রথম লন্ডনসহ ইংল্যান্ডের দক্ষিণাঞ্চলে করোনাভাইরাসের অত্যন্ত সংক্রামক এই নতুন ধরনটি ছড়িয়ে পড়ে। এটি আগেকার ভাইরাসের চেয়ে আরও বেশি সহজে এবং দ্রুতগতিতে মানুষের মধ্যে ছড়াতে পারে বলে দেখা গেছে।

করোনাভাইরাসের এই নতুন মিউটেশনটি বেশি সংক্রামক হলেও বিজ্ঞানীরা বলেছেন, এটি অধিকতর বিপজ্জনক এমন কোনো প্রমাণ এখনও পাওয়া যায়নি। এছাড়া করোনাভাইরাসের যে টিকা দেওয়া শুরু হয়েছে তা ভাইরাসের নতুন এই ধরনের বিরুদ্ধেও একই রকম কার্যকর হবে বলে আশাবাদ ব্যক্ত করেছেন তারা।