০২:৩০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০৯ মে ২০২৪

দ্বিতীয় ডোজের ৪ মাস পরই বুস্টার ডোজ

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ০৬:২৬:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ মার্চ ২০২২
  • / ৪১১৭ বার দেখা হয়েছে

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার চার মাস পর বুস্টার ডোজ দেওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

আজ বুধবার দুপুর ১২টায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সবাই জানেন দ্বিতীয় ডোজ টিকা নেয়ার ছয় মাস পর বুস্টার ডোজ নেয়ার কথা। কিন্তু বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এখন বলছে, ছয় মাস নয়, চার মাস হলেই বুস্টার ডোজ নেয়া যাবে। এ সময় যাদের দ্বিতীয় ডোজ টিকা নেয়ার চার মাস হয়ে গেছে; তাদের বুস্টার ডোজ টিকা নিতে আহ্বান জানান মন্ত্রী।

জাহিদ মালেক জানান, চলতি মাসের শেষের দিকে দ্বিতীয় ডোজ ও বুস্টার ডোজের বিশেষ ক্যাম্পেইন হওয়ার কথা থাকলেও সেটি এগিয়ে এনেছে সরকার। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জন্মদিনকে ঘিরে আগামীকাল বৃহস্পতিবারই শুরু হচ্ছে সেই ক্যাম্পেইন। এ ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে সোয়া ৩ কোটি মানুষকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার।
তিনি বলেন, কিছুদিন আগে আমরা একদিনে কোটি টিকার ক্যাম্পেইন করেছি। এবার প্রথম, দ্বিতীয় ও বুস্টার ডোজের ক্যাম্পেইন করতে যাচ্ছি। আগামীকাল বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনেই সেই ক্যাম্পেইন শুরু হবে। যা চলবে ৩১ মার্চ পর্যন্ত। এ সময় তিনি আরো জানান, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি অন্যান্য বিভাগও এতে সহযোগিতা করবে। এ কর্মসূচিতে ৩ কোটি ২৫ লাখ টিকা দেয়া হবে। এর মধ্যে দুই কোটি দ্বিতীয় ডোজ এবং বাকি টিকা প্রথম ও বুস্টার ডোজ হিসেবে দেয়া হবে।

১২ বছরের উর্ধ্বে যারা রয়েছে, তাদের সবাইকেই টিকা দেয়া হবে বলেও সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি আরো বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা পেলেই, ১২ বছরের নিচে বয়সীদের টিকা দেয়া হবে। ১২ বছর বয়সের নিচে টিকা দেয়ার সব প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি, এখন শুধু বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনার অপেক্ষায় আছি।    

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব লোকমান হোসেন মিয়া, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশিদ আলম, অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন ) অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা প্রমুখ।

ঢাকা/টিএ

শেয়ার করুন

x

দ্বিতীয় ডোজের ৪ মাস পরই বুস্টার ডোজ

আপডেট: ০৬:২৬:২৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৬ মার্চ ২০২২

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: করোনা টিকার দ্বিতীয় ডোজ নেওয়ার চার মাস পর বুস্টার ডোজ দেওয়া যাবে বলে জানিয়েছেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রী জাহিদ মালেক।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

আজ বুধবার দুপুর ১২টায় স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের সম্মেলনকক্ষে এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এ কথা জানান।

স্বাস্থ্যমন্ত্রী বলেন, সবাই জানেন দ্বিতীয় ডোজ টিকা নেয়ার ছয় মাস পর বুস্টার ডোজ নেয়ার কথা। কিন্তু বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থা এখন বলছে, ছয় মাস নয়, চার মাস হলেই বুস্টার ডোজ নেয়া যাবে। এ সময় যাদের দ্বিতীয় ডোজ টিকা নেয়ার চার মাস হয়ে গেছে; তাদের বুস্টার ডোজ টিকা নিতে আহ্বান জানান মন্ত্রী।

জাহিদ মালেক জানান, চলতি মাসের শেষের দিকে দ্বিতীয় ডোজ ও বুস্টার ডোজের বিশেষ ক্যাম্পেইন হওয়ার কথা থাকলেও সেটি এগিয়ে এনেছে সরকার। জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান জন্মদিনকে ঘিরে আগামীকাল বৃহস্পতিবারই শুরু হচ্ছে সেই ক্যাম্পেইন। এ ক্যাম্পেইনের মাধ্যমে সোয়া ৩ কোটি মানুষকে টিকার আওতায় আনার লক্ষ্যমাত্রা নির্ধারণ করেছে সরকার।
তিনি বলেন, কিছুদিন আগে আমরা একদিনে কোটি টিকার ক্যাম্পেইন করেছি। এবার প্রথম, দ্বিতীয় ও বুস্টার ডোজের ক্যাম্পেইন করতে যাচ্ছি। আগামীকাল বঙ্গবন্ধুর জন্মদিনেই সেই ক্যাম্পেইন শুরু হবে। যা চলবে ৩১ মার্চ পর্যন্ত। এ সময় তিনি আরো জানান, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের পাশাপাশি অন্যান্য বিভাগও এতে সহযোগিতা করবে। এ কর্মসূচিতে ৩ কোটি ২৫ লাখ টিকা দেয়া হবে। এর মধ্যে দুই কোটি দ্বিতীয় ডোজ এবং বাকি টিকা প্রথম ও বুস্টার ডোজ হিসেবে দেয়া হবে।

১২ বছরের উর্ধ্বে যারা রয়েছে, তাদের সবাইকেই টিকা দেয়া হবে বলেও সংবাদ সম্মেলনে উল্লেখ করেন স্বাস্থ্যমন্ত্রী। তিনি আরো বলেন, বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনা পেলেই, ১২ বছরের নিচে বয়সীদের টিকা দেয়া হবে। ১২ বছর বয়সের নিচে টিকা দেয়ার সব প্রস্তুতি নিয়ে রেখেছি, এখন শুধু বিশ্ব স্বাস্থ্য সংস্থার নির্দেশনার অপেক্ষায় আছি।    

সংবাদ সম্মেলনে উপস্থিত ছিলেন স্বাস্থ্য ও পরিবার কল্যাণ মন্ত্রণালয়ের সিনিয়র সচিব লোকমান হোসেন মিয়া, স্বাস্থ্য অধিদপ্তরের মহাপরিচালক অধ্যাপক ডা. এবিএম খুরশিদ আলম, অতিরিক্ত মহাপরিচালক (পরিকল্পনা ও উন্নয়ন ) অধ্যাপক ডা. মীরজাদী সেব্রিনা ফ্লোরা প্রমুখ।

ঢাকা/টিএ