বিএনপি ক্ষমতায় আসলে বদলে যাবে পুঁজিবাজার: তারেক রহমান
- আপডেট: ০৩:৩৭:৩০ অপরাহ্ন, বুধবার, ২১ জানুয়ারী ২০২৬
- / ১০২২৪ বার দেখা হয়েছে
বিএনপির গুলশান কার্যালয়ে আয়োজিত এক বিশেষ বৈঠকে দলটির চেয়ারম্যান তারেক রহমান জানিয়েছেন, দেশের অর্থনীতিকে গতিশীল করতে পুঁজিবাজারের আমূল পরিবর্তন আনা হবে। মঙ্গলবার (২০ জানুয়ারি) সন্ধ্যায় ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জসহ সংশ্লিষ্ট খাতের প্রতিনিধিদের সঙ্গে এক মতবিনিময় সভায় তিনি এই প্রতিশ্রুতি প্রদান করেন। বৈঠকে বিএনপির শীর্ষ নেতার কাছে বাজারের বর্তমান নাজুক দশা ও আগামীর সম্ভাবনার কথা তুলে ধরা হলে তিনি বিএনপি ক্ষমতায় আসা সাপেক্ষে বাজার সংস্কারের ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়ার কথা বলেন।
সভায় বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর এবং স্থায়ী কমিটির সদস্য আমীর খসরু মাহমুদ চৌধুরীও উপস্থিত ছিলেন। পুঁজিবাজারের প্রতিনিধি দলের পক্ষ থেকে বৈঠকে অংশ নেন ডিএসইর চেয়ারম্যান মমিনুল ইসলাম, পরিচালক মিনহাজ মান্নান ইমন ও রিচার্ড ডি’ রোজারিও। এছাড়াও ডিএসই ব্রোকার্স অ্যাসোসিয়েশন (ডিবিএ) সভাপতি সাইফুল ইসলাম এবং মার্চেন্ট ব্যাংকের সেক্রেটারি সুমিত পোদ্দারসহ শীর্ষ পর্যায়ের নীতিনির্ধারকরা সভায় অংশগ্রহণ করে বাজারের বিভিন্ন সংকটসমূহ তারেক রহমানের সামনে তুলে ধরেন।
সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, এই সৌজন্য সাক্ষাতের আগে বনানীর একটি হোটেলে ব্র্যাক ইপিএল স্টক ব্রোকারেজ আয়োজিত ‘পোস্ট ইলেকশন ২০২৬ হরাইজন: ইকোনমি, পলিটিক্স অ্যান্ড ক্যাপিটাল মার্কেট’ শীর্ষক একটি আন্তর্জাতিক সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়। সেই সম্মেলন শেষ করেই পুঁজিবাজারের নীতিনির্ধারক ও প্রতিনিধিরা সরাসরি গুলশান কার্যালয়ে গিয়ে বিএনপির শীর্ষ নেতৃত্বের সঙ্গে সাক্ষাৎ করেন। বাজারের দীর্ঘমেয়াদী স্থিতিশীলতার স্বার্থে রাজনৈতিক সদিচ্ছার প্রয়োজনীয়তা বিবেচনা করে এই সরাসরি যোগাযোগকে অত্যন্ত ইতিবাচক হিসেবে দেখছেন বাজার সংশ্লিষ্টরা।
বৈঠকের সার্বিক বিষয়ে ডিএসইর পরিচালক মিনহাজ মান্নান ইমন গণমাধ্যমকে জানান, বিএনপির চেয়ারম্যান তাদের প্রতিটি সমস্যার কথা অত্যন্ত আন্তরিকতার সাথে শুনেছেন। তিনি তাদের আশ্বস্ত করেছেন যে, বিএনপি যদি রাষ্ট্র পরিচালনার দায়িত্ব পায়, তবে পুঁজিবাজারের কাঠামোগত সংস্কার এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা ফেরানোর কাজকে সর্বোচ্চ অগ্রাধিকার দেওয়া হবে। মূলত দেশের আর্থিক খাতের অন্যতম প্রধান স্তম্ভ হিসেবে পুঁজিবাজারকে আধুনিক ও শক্তিশালী ভিত্তির ওপর দাঁড় করানোই ছিল এই আলোচনার মূল কেন্দ্রবিন্দু।
ঢাকা/এসএইচ



































