০৪:২৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ২১ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

বৈষম্য ও দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়তে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ০৫:৪৬:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫
  • / ১০৩০৭ বার দেখা হয়েছে

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে বৈষম্য ও দুর্নীতিমুক্ত একটি সমৃদ্ধ দেশ গড়ার যে অগ্রযাত্রা আমরা শুরু করেছি, তার সফল বাস্তবায়নে ধর্ম-বর্ণ ভেদাভেদ ভুলে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, ‘সকল অশুভ, অন্যায় আর অন্ধকারকে পরাজিত করে শুভ চেতনার জয় হবে, বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে কল্যাণ ও সমৃদ্ধির পথে-দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে সৃষ্টিকর্তার কাছে এই প্রার্থনা করি।’

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দেওয়া এক বাণীতে এসব কথা বলেন প্রধান উপদেষ্টা।

ড. ইউনূস শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে দেশের সনাতন ধর্মাবলম্বী সব নাগরিককে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

সরকার প্রধান বলেন, বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। হিন্দু ধর্ম মতে, জগতের মঙ্গল কামনায় দেবী দুর্গা স্বর্গলোক থেকে মর্ত্যলোকে আসেন এবং ভক্তদের কল্যাণ সাধন করে শত্রুর বিনাশ ও সৃষ্টিকে লালন করেন। অশুভ শক্তির বিনাশ এবং সত্য ও সুন্দরের এই আরাধনা শারদীয় দুর্গোৎসবের তাৎপর্যকে অনন্য মাত্রা দিয়েছে।

তিনি বলেন, সব ধর্ম-সম্প্রদায়ের মানুষের অপূর্ব মেলবন্ধনের অনন্য নিদর্শন বাংলাদেশ। জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে আমাদের সবার পরিচয় আমরা বাংলাদেশি। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এই ধারাকে সমুন্নত রেখে এবারের দুর্গাপূজাও সারা দেশে নির্বিঘ্নে এবং যথাযথ উৎসাহ-উদ্দীপনা ও বিভিন্ন অনুষ্ঠানাদির মধ্য দিয়ে উদযাপিত হবে বলে প্রধান উপদেষ্টা আশা করেন।

ড. ইউনূস বলেন, শান্তি, মৈত্রী ও সাম্য সব ধর্মের মূল উপজীব্য। মানুষের কল্যাণ সাধনই সব ধর্মের মূল শিক্ষা। তাই নিজ নিজ ধর্মের যথাযথ অনুশীলনের পাশাপাশি মানুষে মানুষে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সম্মান ও সহমর্মিতা বজায় রেখে সমাজে শান্তির পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে।

ঢাকা/এসএইচ

শেয়ার করুন

error: Content is protected ! Please Don't Try!

বৈষম্য ও দুর্নীতিমুক্ত দেশ গড়তে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে

আপডেট: ০৫:৪৬:১৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৭ সেপ্টেম্বর ২০২৫

প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস বলেছেন, জুলাই গণঅভ্যুত্থানের মধ্য দিয়ে বৈষম্য ও দুর্নীতিমুক্ত একটি সমৃদ্ধ দেশ গড়ার যে অগ্রযাত্রা আমরা শুরু করেছি, তার সফল বাস্তবায়নে ধর্ম-বর্ণ ভেদাভেদ ভুলে সবাইকে একযোগে কাজ করতে হবে।

তিনি বলেন, ‘সকল অশুভ, অন্যায় আর অন্ধকারকে পরাজিত করে শুভ চেতনার জয় হবে, বাংলাদেশ এগিয়ে যাবে কল্যাণ ও সমৃদ্ধির পথে-দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে সৃষ্টিকর্তার কাছে এই প্রার্থনা করি।’

শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে শনিবার (২৭ সেপ্টেম্বর) দেওয়া এক বাণীতে এসব কথা বলেন প্রধান উপদেষ্টা।

ড. ইউনূস শারদীয় দুর্গাপূজা উপলক্ষ্যে দেশের সনাতন ধর্মাবলম্বী সব নাগরিককে আন্তরিক শুভেচ্ছা ও অভিনন্দন জানান।

সরকার প্রধান বলেন, বাংলাদেশের হিন্দু সম্প্রদায়ের প্রধান ধর্মীয় উৎসব শারদীয় দুর্গাপূজা। হিন্দু ধর্ম মতে, জগতের মঙ্গল কামনায় দেবী দুর্গা স্বর্গলোক থেকে মর্ত্যলোকে আসেন এবং ভক্তদের কল্যাণ সাধন করে শত্রুর বিনাশ ও সৃষ্টিকে লালন করেন। অশুভ শক্তির বিনাশ এবং সত্য ও সুন্দরের এই আরাধনা শারদীয় দুর্গোৎসবের তাৎপর্যকে অনন্য মাত্রা দিয়েছে।

তিনি বলেন, সব ধর্ম-সম্প্রদায়ের মানুষের অপূর্ব মেলবন্ধনের অনন্য নিদর্শন বাংলাদেশ। জাতি-ধর্ম-বর্ণ নির্বিশেষে আমাদের সবার পরিচয় আমরা বাংলাদেশি। সাম্প্রদায়িক সম্প্রীতির এই ধারাকে সমুন্নত রেখে এবারের দুর্গাপূজাও সারা দেশে নির্বিঘ্নে এবং যথাযথ উৎসাহ-উদ্দীপনা ও বিভিন্ন অনুষ্ঠানাদির মধ্য দিয়ে উদযাপিত হবে বলে প্রধান উপদেষ্টা আশা করেন।

ড. ইউনূস বলেন, শান্তি, মৈত্রী ও সাম্য সব ধর্মের মূল উপজীব্য। মানুষের কল্যাণ সাধনই সব ধর্মের মূল শিক্ষা। তাই নিজ নিজ ধর্মের যথাযথ অনুশীলনের পাশাপাশি মানুষে মানুষে পারস্পরিক শ্রদ্ধা, সম্মান ও সহমর্মিতা বজায় রেখে সমাজে শান্তির পরিবেশ সৃষ্টি করতে হবে।

ঢাকা/এসএইচ