১০:০২ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬

সিএনএ টেক্সটাইলের জালিয়াতি ইস্যুতে হার্ডলাইনে বিএসইসি

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ০৫:২১:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ নভেম্বর ২০২১
  • / ১০৩৭৬ বার দেখা হয়েছে

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বস্ত্রখাতের সিএনএ টেক্সটাইল নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে কোম্পানির স্পন্সর পরিচালকদের জালিয়াতি তদন্তে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিএসইসি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউট

জানা যায়, নিয়ন্ত্রক সংস্থার গঠিত তদন্ত কমিটি সিএনএ টেক্সটাইলের পুরো বিষয় তদন্ত করবে। এর মধ্যে বিশেষ করে কোম্পানির স্পন্সর ও পরিচালকদের জালিয়াতির বিষয়টি বিশেষভাবে দেখা হবে।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে পুঁজিবাজারে ৪ কোটি ৫০ লাখ শেয়ার ছেড়ে ৪৫ কোটি টাকা উত্তোলন করে সিএনএ টেক্সটাইল লিমিটেড। বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে অর্থ উত্তোলনের জন্য ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে সহায়তা করে এএফসি ক্যাপিটাল এবং ইম্পেরিয়াল ক্যাপিটাল লিমিটেড। পুঁজিবাজার থেকে টাকা উত্তোলনের পর ২০১৬ সালে বিনিয়োগকারীদের মাত্র ১০ শতাংশ স্টকের নামে কাগজ ধরিয়ে দেয় সিএনএ টেক্সটাইল। এরপর থেকেই কোম্পানিটি লাপাত্তা হয়ে যায়। ২০১৬ সালের পর এ কোম্পানির কাছ থেকে বিনিয়োগকারীরা কোন আর্থিক প্রতিবেদন পায়নি। অনেক সময় অতিবাহিত হওয়ার পর চলতি বছরের ১ মার্চ সিএনএ টেক্সটাইলে ৫ জন স্বাধীন পরিচালক নিয়োগ দেয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

সেই ধারাবাহিকতায় এ কোম্পানির জালিয়াতি তদন্তে কোম্পানির স্পন্সর পরিচালকদের বিরুদ্ধে কমিটি গঠন করেছে বিএসইসি। এছাড়া সিএনএ টেক্সটাইলকে ঘিরে ইস্যু ম্যানেজার এএফসি ক্যাপিটাল এবং ইম্পেরিয়াল ক্যাপিটাল লিমিটেডও জড়িত কিনা সে বিষয়েও তদন্ত করা হবে বলে বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে।

প্রসঙ্গত, বস্ত্রখাতের সিএনএ টেক্সটাইল কোম্পানিটির গত তিন বছর কোন আর্থিক প্রতিবেদনও প্রকাশ করেনি। কোম্পানিটি মার্কেটে আসার সময়ও আর্থিক প্রতিবেদন ভালো দেখিয়ে পাবলিকের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এরপর থেকে কোম্পানিটির প্রতি আস্থা হারিয়েছে বিনিয়োগকারীরা।

ফরিদ উদ্দিন নামে এক বিনিয়োগকারী জানান, সিএনএ টেক্সটাইল আর্থিক প্রতিবেদন ভালো দেখিয়ে মার্কেটে আসে। পরবর্তিতে আর্থিক প্রতিবেদনের মান ধরে রাখতে না পারায় কোম্পানিটির শেয়ার দর ফেস ভ্যালুর নিচে পড়ে আছে দীর্ঘ দিন। এতে করে অনেক বিনিয়োগকারী ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।

ঢাকা/এমটি 

শেয়ার করুন

সিএনএ টেক্সটাইলের জালিয়াতি ইস্যুতে হার্ডলাইনে বিএসইসি

আপডেট: ০৫:২১:০২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ নভেম্বর ২০২১

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বস্ত্রখাতের সিএনএ টেক্সটাইল নিয়ে তদন্ত কমিটি গঠন করেছে বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)। সাধারণ বিনিয়োগকারীদের সঙ্গে কোম্পানির স্পন্সর পরিচালকদের জালিয়াতি তদন্তে এই কমিটি গঠন করা হয়েছে। বিএসইসি সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউট

জানা যায়, নিয়ন্ত্রক সংস্থার গঠিত তদন্ত কমিটি সিএনএ টেক্সটাইলের পুরো বিষয় তদন্ত করবে। এর মধ্যে বিশেষ করে কোম্পানির স্পন্সর ও পরিচালকদের জালিয়াতির বিষয়টি বিশেষভাবে দেখা হবে।

উল্লেখ্য, ২০১৫ সালে পুঁজিবাজারে ৪ কোটি ৫০ লাখ শেয়ার ছেড়ে ৪৫ কোটি টাকা উত্তোলন করে সিএনএ টেক্সটাইল লিমিটেড। বিনিয়োগকারীদের কাছ থেকে অর্থ উত্তোলনের জন্য ইস্যু ম্যানেজার হিসেবে সহায়তা করে এএফসি ক্যাপিটাল এবং ইম্পেরিয়াল ক্যাপিটাল লিমিটেড। পুঁজিবাজার থেকে টাকা উত্তোলনের পর ২০১৬ সালে বিনিয়োগকারীদের মাত্র ১০ শতাংশ স্টকের নামে কাগজ ধরিয়ে দেয় সিএনএ টেক্সটাইল। এরপর থেকেই কোম্পানিটি লাপাত্তা হয়ে যায়। ২০১৬ সালের পর এ কোম্পানির কাছ থেকে বিনিয়োগকারীরা কোন আর্থিক প্রতিবেদন পায়নি। অনেক সময় অতিবাহিত হওয়ার পর চলতি বছরের ১ মার্চ সিএনএ টেক্সটাইলে ৫ জন স্বাধীন পরিচালক নিয়োগ দেয় নিয়ন্ত্রক সংস্থা।

সেই ধারাবাহিকতায় এ কোম্পানির জালিয়াতি তদন্তে কোম্পানির স্পন্সর পরিচালকদের বিরুদ্ধে কমিটি গঠন করেছে বিএসইসি। এছাড়া সিএনএ টেক্সটাইলকে ঘিরে ইস্যু ম্যানেজার এএফসি ক্যাপিটাল এবং ইম্পেরিয়াল ক্যাপিটাল লিমিটেডও জড়িত কিনা সে বিষয়েও তদন্ত করা হবে বলে বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে।

প্রসঙ্গত, বস্ত্রখাতের সিএনএ টেক্সটাইল কোম্পানিটির গত তিন বছর কোন আর্থিক প্রতিবেদনও প্রকাশ করেনি। কোম্পানিটি মার্কেটে আসার সময়ও আর্থিক প্রতিবেদন ভালো দেখিয়ে পাবলিকের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে। এরপর থেকে কোম্পানিটির প্রতি আস্থা হারিয়েছে বিনিয়োগকারীরা।

ফরিদ উদ্দিন নামে এক বিনিয়োগকারী জানান, সিএনএ টেক্সটাইল আর্থিক প্রতিবেদন ভালো দেখিয়ে মার্কেটে আসে। পরবর্তিতে আর্থিক প্রতিবেদনের মান ধরে রাখতে না পারায় কোম্পানিটির শেয়ার দর ফেস ভ্যালুর নিচে পড়ে আছে দীর্ঘ দিন। এতে করে অনেক বিনিয়োগকারী ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছে।

ঢাকা/এমটি