১১:০২ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬

আলেশা মার্টের চেয়ারম্যানের বিচার শুরু

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ০২:২৮:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জুন ২০২৩
  • / ১০৩৮৬ বার দেখা হয়েছে

চেক জালিয়াতির মামলায় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান আলেশা মার্টের চেয়ারম্যান মো. মঞ্জুর আলম শিকদারের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত। এর মধ্য দিয়ে এ মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হলো।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

রোববার (২৫ জুন) ঢাকার ২য় যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ খসরুজ্জামানের আদালত এ অভিযোগ গঠন করেন। আসামি পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। বাদীপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ বিষয়টি জানিয়েছেন।

মামলার অভিযোগে বাদী মো. সেলিম উল্লেখ করেন, ২০২১ সালের ৫ জুন আলেশা মার্টের অনলাইন শপ থেকে দুইটি মোটরসাইকেলের কেনার জন্য ১ লাখ ৯৪ হাজার ৮০ টাকা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে আসামিকে প্রদান করেন। যা সাত থেকে ৪৫ কর্মদিবসের মধ্যে সরবরাহ করার কথা ছিল। কিন্তু আসামি তথা আলেশা মার্ট বাদির চাহিদা অনুযায়ী তা সরবরাহ না করে কালক্ষেপণ করেন।

আরও পড়ুন: চামড়ার দাম নির্ধারণ

তিনি বলেন, পরবর্তী সময়ে মোটর সাইকেল সরবরাহ করতে না পেরে আসামি ২০২১ সালের ২৩ ডিসেম্বর দুইটি চেকের মাধ্যমে ২ লাখ ৬৮ হাজার ৫৬০ টাকার একাউন্ট পে চেক প্রদান করেন। চেক দুটি নগদায়ন করতে গেলে সবশেষ ২০২২ সালের ৫ জুন মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের মিরপুর শাখায় জমা দিলে তা ডিজঅনার হয়। পরবর্তী সময়ে ২৭ জুন আসামিকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হলেও বাদির সঙ্গে কোনও যোগাযোগ করেননি।

ঢাকা/এসএ

শেয়ার করুন

আলেশা মার্টের চেয়ারম্যানের বিচার শুরু

আপডেট: ০২:২৮:২৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ২৫ জুন ২০২৩

চেক জালিয়াতির মামলায় ই-কমার্স প্রতিষ্ঠান আলেশা মার্টের চেয়ারম্যান মো. মঞ্জুর আলম শিকদারের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেছেন আদালত। এর মধ্য দিয়ে এ মামলার আনুষ্ঠানিক বিচার শুরু হলো।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

রোববার (২৫ জুন) ঢাকার ২য় যুগ্ম মহানগর দায়রা জজ খসরুজ্জামানের আদালত এ অভিযোগ গঠন করেন। আসামি পলাতক থাকায় তার বিরুদ্ধে গ্রেফতারি পরোয়ানা জারি করেছেন আদালত। বাদীপক্ষের আইনজীবী মোহাম্মদ হারুন অর রশিদ বিষয়টি জানিয়েছেন।

মামলার অভিযোগে বাদী মো. সেলিম উল্লেখ করেন, ২০২১ সালের ৫ জুন আলেশা মার্টের অনলাইন শপ থেকে দুইটি মোটরসাইকেলের কেনার জন্য ১ লাখ ৯৪ হাজার ৮০ টাকা মোবাইল ব্যাংকিংয়ের মাধ্যমে আসামিকে প্রদান করেন। যা সাত থেকে ৪৫ কর্মদিবসের মধ্যে সরবরাহ করার কথা ছিল। কিন্তু আসামি তথা আলেশা মার্ট বাদির চাহিদা অনুযায়ী তা সরবরাহ না করে কালক্ষেপণ করেন।

আরও পড়ুন: চামড়ার দাম নির্ধারণ

তিনি বলেন, পরবর্তী সময়ে মোটর সাইকেল সরবরাহ করতে না পেরে আসামি ২০২১ সালের ২৩ ডিসেম্বর দুইটি চেকের মাধ্যমে ২ লাখ ৬৮ হাজার ৫৬০ টাকার একাউন্ট পে চেক প্রদান করেন। চেক দুটি নগদায়ন করতে গেলে সবশেষ ২০২২ সালের ৫ জুন মিউচুয়াল ট্রাস্ট ব্যাংকের মিরপুর শাখায় জমা দিলে তা ডিজঅনার হয়। পরবর্তী সময়ে ২৭ জুন আসামিকে লিগ্যাল নোটিশ পাঠানো হলেও বাদির সঙ্গে কোনও যোগাযোগ করেননি।

ঢাকা/এসএ