০৬:৩৮ অপরাহ্ন, শনিবার, ০২ মে ২০২৬

জাপানে ৬.২ মাত্রার ভূমিকম্পের আঘাত

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ১২:৩৪:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬
  • / ১০৩০৬ বার দেখা হয়েছে

জাপানের পশ্চিমাঞ্চলে ৬.২ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্পসহ একাধিক ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকালের এই ভূমিকম্পে সুনামি সতর্কতা জারি করা না হলেও বেশ কয়েকজন আহত ও কিছু ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

জাপান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ১৮ মিনিটে প্রথমে ৬ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্প হয়। এর কিছুক্ষণ পরই ৫ দশমিক ১ মাত্রার আরেকটি বড় ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে আক্রান্ত অঞ্চল। এরপর বেশ কয়েকবার ছোট ছোট আফটারশক হয়।

ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল শিমানে প্রিফেকচার এবং পার্শ্ববর্তী টোটোরি প্রিফেকচার। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল ১০ কিলোমিটার গভীরে।

জাপানের আবহাওয়া সংস্থা জানিয়েছে, একাধিক ভূমিকম্প আঘাত হানলেও সুনামির কোনো শঙ্কা নেই। তবে আগামী কয়েকদিন ৫ মাত্রার ওপরের বেশ কয়েকবার ভূমিকম্প হতে পারে। বিশেষ সামনের দুই থেকে তিনদিন বেশি ভূমিকম্প হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

এছাড়া যেসব এলাকায় ভূমিকম্প সবচেয়ে বেশি জোরে আঘাত হানবে সেসব জায়গায় ভূমিধস ও পাহাড় থেকে পাথর খসে পড়ার শঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে তারা।

দুটি আঞ্চলিক বিদ্যুৎ কোম্পানি জানিয়েছে, তারাও অস্বাভাবিক কোনো কিছু এখনো খুঁজে পায়নি। কিন্তু ভূমিকম্পের কারণে বুলেট ট্রেন চলাচলে কিছুটা বিঘ্ন ঘটে। বিভিন্ন ভবনে থাকা সিসিটিভিতে ভূমিকম্পের কম্পন ধরা পড়েছে।

জাপান বিশ্বের সবচেয়ে ভূমিকম্পপ্রবণ দেশগুলোর মধ্যে একটি, যেখানে কমপক্ষে প্রতি পাঁচ মিনিটে একটি কম্পন অনুভূত হয়।

২০১১ সালে ৯ মাত্রার ভূমিকম্পে যে সুনামি আঘাত হানে, তাতে ১৮ হাজার ৫০০ মানুষ নিহত বা নিখোঁজ হন এবং ফুকুশিমা পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটে। জাপান প্রশান্ত মহাসাগরের রিং অব ফায়ারের পশ্চিম প্রান্তে চারটি বড় টেকটোনিক প্লেটের ওপর অবস্থিত। এটি বিশ্বের সবচেয়ে ভূমিকম্পপ্রবণ দেশগুলোর একটি।

সূত্র: এবিসি নিউজ

ঢাকা/এসএইচ

শেয়ার করুন

জাপানে ৬.২ মাত্রার ভূমিকম্পের আঘাত

আপডেট: ১২:৩৪:৩৪ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ৬ জানুয়ারী ২০২৬

জাপানের পশ্চিমাঞ্চলে ৬.২ মাত্রার একটি শক্তিশালী ভূমিকম্পসহ একাধিক ভূমিকম্প আঘাত হেনেছে। স্থানীয় সময় মঙ্গলবার (৬ জানুয়ারি) সকালের এই ভূমিকম্পে সুনামি সতর্কতা জারি করা না হলেও বেশ কয়েকজন আহত ও কিছু ভবন ক্ষতিগ্রস্ত হওয়ার খবর পাওয়া গেছে।

জাপান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়, স্থানীয় সময় সকাল ১০টা ১৮ মিনিটে প্রথমে ৬ দশমিক ২ মাত্রার ভূমিকম্প হয়। এর কিছুক্ষণ পরই ৫ দশমিক ১ মাত্রার আরেকটি বড় ভূমিকম্পে কেঁপে ওঠে আক্রান্ত অঞ্চল। এরপর বেশ কয়েকবার ছোট ছোট আফটারশক হয়।

ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল শিমানে প্রিফেকচার এবং পার্শ্ববর্তী টোটোরি প্রিফেকচার। ভূমিকম্পের কেন্দ্রস্থল ছিল ১০ কিলোমিটার গভীরে।

জাপানের আবহাওয়া সংস্থা জানিয়েছে, একাধিক ভূমিকম্প আঘাত হানলেও সুনামির কোনো শঙ্কা নেই। তবে আগামী কয়েকদিন ৫ মাত্রার ওপরের বেশ কয়েকবার ভূমিকম্প হতে পারে। বিশেষ সামনের দুই থেকে তিনদিন বেশি ভূমিকম্প হওয়ার ঝুঁকি রয়েছে।

এছাড়া যেসব এলাকায় ভূমিকম্প সবচেয়ে বেশি জোরে আঘাত হানবে সেসব জায়গায় ভূমিধস ও পাহাড় থেকে পাথর খসে পড়ার শঙ্কা রয়েছে বলে জানিয়েছে তারা।

দুটি আঞ্চলিক বিদ্যুৎ কোম্পানি জানিয়েছে, তারাও অস্বাভাবিক কোনো কিছু এখনো খুঁজে পায়নি। কিন্তু ভূমিকম্পের কারণে বুলেট ট্রেন চলাচলে কিছুটা বিঘ্ন ঘটে। বিভিন্ন ভবনে থাকা সিসিটিভিতে ভূমিকম্পের কম্পন ধরা পড়েছে।

জাপান বিশ্বের সবচেয়ে ভূমিকম্পপ্রবণ দেশগুলোর মধ্যে একটি, যেখানে কমপক্ষে প্রতি পাঁচ মিনিটে একটি কম্পন অনুভূত হয়।

২০১১ সালে ৯ মাত্রার ভূমিকম্পে যে সুনামি আঘাত হানে, তাতে ১৮ হাজার ৫০০ মানুষ নিহত বা নিখোঁজ হন এবং ফুকুশিমা পারমাণবিক বিদ্যুৎকেন্দ্রে ভয়াবহ বিপর্যয় ঘটে। জাপান প্রশান্ত মহাসাগরের রিং অব ফায়ারের পশ্চিম প্রান্তে চারটি বড় টেকটোনিক প্লেটের ওপর অবস্থিত। এটি বিশ্বের সবচেয়ে ভূমিকম্পপ্রবণ দেশগুলোর একটি।

সূত্র: এবিসি নিউজ

ঢাকা/এসএইচ