১০:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬

গত বছরের চেয়ে রেমিট্যান্স কমেছে প্রায় ৩ শতাংশ

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ১২:৫৫:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ এপ্রিল ২০২২
  • / ১০৩১৮ বার দেখা হয়েছে

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: গেল মার্চে গত বছরের একই মাসের চেয়ে রেমিট্যান্স কমেছে পাঁচ কোটি ১০ লাখ ডলার বা ২ দশমিক ৭৪ শতাংশ। অবশ্য আগের মাস ফেব্রুয়ারির তুলনায় বেড়েছে ২৪ দশমিক ৪৬ শতাংশ। আর চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে মার্চ পর্যন্ত ৯ মাসে রেমিট্যান্স এসেছে এক হাজার ৫৩০ কোটি ডলার, যা আগের একই সময়ের চেয়ে ২১ দশমিক ৫৭ শতাংশ কম।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, মার্চ মাসে প্রবাসীরা ব্যাংকিং চ্যানেলে ১৮৬ কোটি ডলার দেশে পাঠিয়েছেন। এর মধ্যে ১৪৯ কোটি ডলার এসেছে বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে। রাষ্ট্র মালিকানার বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৩৩ কোটি ৩৪ লাখ ডলার। বিশেষায়িত দুই ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে তিন কোটি ডলার। আর বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৮৪ লাখ ডলার।

সংশ্নিষ্টরা জানান, করোনা শুরুর পর ২০২০-২১ অর্থবছরে রেমিট্যান্সে ৩৬ দশমিক ১০ শতাংশ বেড়েছিল। করোনার শুরুর দিকে যেখানে প্রবাসীদের অনেকে কাজ হারান এবং নতুন করে বিদেশে যাওয়া কমে যায়। সেই সময়ে এমন উত্থান ছিল অস্বাভাবিক। এর মূল কারণ ছিল লকডাউন ও অন্যান্য নিষেধাজ্ঞার কারণে হুন্ডি কমে যাওয়া। করোনা নিয়ন্ত্রণে আসায় এ প্রবণতা বেড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

রেমিট্যান্স কমলেও আমদানি বাড়ছে ব্যাপক হারে। ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আট মাসে এলসি খোলা বেড়েছে ৪৯ দশমিক ১৩ শতাংশ। আর নিষ্পত্তি বেড়েছে ৫২ শতাংশ। অথচ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রপ্তানি আয় বেড়েছে ৩০ দশমিক ৪৬ শতাংশ। আমদানি ব্যাপক বাড়তে থাকায় বাংলাদেশ ব্যাংক নিয়মিত ব্যাংকগুলোর কাছে ডলার বিক্রি করছে। চলতি অর্থবছর এরই মধ্যে ৩০০ কোটি ডলারের বেশি বিক্রি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। যে কারণে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের ওপরে উঠে যাওয়া বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ গত ৩০ মার্চ শেষে ৪৪ দশমিক ২৫ বিলিয়ন ডলারে নেমেছে।

ঢাকা/টিএ

শেয়ার করুন

গত বছরের চেয়ে রেমিট্যান্স কমেছে প্রায় ৩ শতাংশ

আপডেট: ১২:৫৫:৫২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৪ এপ্রিল ২০২২

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: গেল মার্চে গত বছরের একই মাসের চেয়ে রেমিট্যান্স কমেছে পাঁচ কোটি ১০ লাখ ডলার বা ২ দশমিক ৭৪ শতাংশ। অবশ্য আগের মাস ফেব্রুয়ারির তুলনায় বেড়েছে ২৪ দশমিক ৪৬ শতাংশ। আর চলতি অর্থবছরের জুলাই থেকে মার্চ পর্যন্ত ৯ মাসে রেমিট্যান্স এসেছে এক হাজার ৫৩০ কোটি ডলার, যা আগের একই সময়ের চেয়ে ২১ দশমিক ৫৭ শতাংশ কম।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

বাংলাদেশ ব্যাংকের তথ্য অনুযায়ী, মার্চ মাসে প্রবাসীরা ব্যাংকিং চ্যানেলে ১৮৬ কোটি ডলার দেশে পাঠিয়েছেন। এর মধ্যে ১৪৯ কোটি ডলার এসেছে বেসরকারি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে। রাষ্ট্র মালিকানার বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৩৩ কোটি ৩৪ লাখ ডলার। বিশেষায়িত দুই ব্যাংকের মাধ্যমে এসেছে তিন কোটি ডলার। আর বিদেশি ব্যাংকগুলোর মাধ্যমে এসেছে ৮৪ লাখ ডলার।

সংশ্নিষ্টরা জানান, করোনা শুরুর পর ২০২০-২১ অর্থবছরে রেমিট্যান্সে ৩৬ দশমিক ১০ শতাংশ বেড়েছিল। করোনার শুরুর দিকে যেখানে প্রবাসীদের অনেকে কাজ হারান এবং নতুন করে বিদেশে যাওয়া কমে যায়। সেই সময়ে এমন উত্থান ছিল অস্বাভাবিক। এর মূল কারণ ছিল লকডাউন ও অন্যান্য নিষেধাজ্ঞার কারণে হুন্ডি কমে যাওয়া। করোনা নিয়ন্ত্রণে আসায় এ প্রবণতা বেড়েছে বলে ধারণা করা হচ্ছে।

রেমিট্যান্স কমলেও আমদানি বাড়ছে ব্যাপক হারে। ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত আট মাসে এলসি খোলা বেড়েছে ৪৯ দশমিক ১৩ শতাংশ। আর নিষ্পত্তি বেড়েছে ৫২ শতাংশ। অথচ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত রপ্তানি আয় বেড়েছে ৩০ দশমিক ৪৬ শতাংশ। আমদানি ব্যাপক বাড়তে থাকায় বাংলাদেশ ব্যাংক নিয়মিত ব্যাংকগুলোর কাছে ডলার বিক্রি করছে। চলতি অর্থবছর এরই মধ্যে ৩০০ কোটি ডলারের বেশি বিক্রি করেছে বাংলাদেশ ব্যাংক। যে কারণে ৪৮ বিলিয়ন ডলারের ওপরে উঠে যাওয়া বৈদেশিক মুদ্রার রিজার্ভ গত ৩০ মার্চ শেষে ৪৪ দশমিক ২৫ বিলিয়ন ডলারে নেমেছে।

ঢাকা/টিএ