০৬:৫৯ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬

শর্ত সাপেক্ষে কর ছাড় পাচ্ছে তালিকাভুক্ত কোম্পানি

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ০১:৫৫:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মে ২০২২
  • / ১০৩৪৭ বার দেখা হয়েছে

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: আগামী অর্থবছরের বাজেটে করপোরেট কর আড়াই শতাংশ কমানো হচ্ছে। এই ছাড় পেতে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ও অতালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোকে একাধিক শর্ত পূরণ করতে হবে। এতে ব্যর্থ হলে কর হার কমার পরিবর্তে ক্ষেত্রবিশেষে আড়াই শতাংশ বাড়বে। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

বর্তমানে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির কর হার ২২ দশমিক ৫০ শতাংশ। আগামী বাজেটে এটি কমিয়ে ২০ শতাংশ করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে প্রথম শর্ত হচ্ছে-যেসব কোম্পানি পরিশোধিত মূলধনের ১০ শতাংশের বেশি শেয়ার আইপিওর মাধ্যমে বাজারে ছেড়েছে তারাই শুধু এ সুবিধা পাবে। আর দ্বিতীয় শর্ত হচ্ছে-বার্ষিক সর্বমোট ১২ লাখ টাকা পর্যন্ত নগদ ব্যয় ও বিনিয়োগ ছাড়া সব ধরনের লেনদেন ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে করতে হবে। শর্ত পূরণে ব্যর্থ হলে পুঁজিবাজারে ১০ শতাংশ শেয়ার ছাড়া থাকলেও ওই কোম্পানিকে ২২ দশমিক ৫০ শতাংশ হারে করপোরেট কর দিতে হবে। অন্যদিকে যেসব কোম্পানির পরিশোধিত মূলধনের ১০ শতাংশের কম শেয়ার আইপিওর মাধ্যমে বাজারে ছাড়া হয়েছে তাদের কর হার ২২ দশমিক ৫০ শতাংশই অপরিবর্তিত থাকছে। উলটো বার্ষিক সর্বমোট ১২ লাখ টাকা পর্যন্ত নগদ ব্যয় ও বিনিয়োগ ছাড়া সব ধরনের লেনদেন ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে না করলে অথবা ব্যর্থ হলে ওই কোম্পানির করপোরেট কর হবে ২৫ শতাংশ। অর্থাৎ করপোরেট কর কমার পরিবর্তে বাড়বে।

এছাড়া বাজেটে পুঁজিবাজারে তালিকা কোম্পানির করপোরেট কর কমানো হচ্ছে। বর্তমানের ৩০ শতাংশ থেকে কমিয়ে কর হার ২৭ দশমিক ৫০ শতাংশ করা হচ্ছে। এক্ষেত্রেও শর্ত পূরণ করতে হবে। বার্ষিক সর্বমোট ১২ লাখ টাকা পর্যন্ত নগদ ব্যয় ও বিনিয়োগ ছাড়া সব ধরনের লেনদেন ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে না করলে অথবা ব্যর্থ হলে ওই কোম্পানির করপোরেট কর ৩০ শতাংশই থাকবে। একক ব্যক্তির মালিকানাধীন কোম্পানির (ওপিসি) ক্ষেত্রেও একই শর্ত দিয়ে করপোরেট আড়াই শতাংশ ছাড় দেওয়া হচ্ছে। এক্ষেত্রে একক ব্যক্তির মালিকানাধীন কোম্পানি কর ২৫ শতাংশ থেকে ২২ দশমিক ৫০ শতাংশ করা হচ্ছে।

বিদ্যমান কাঠামো অনুযায়ী, পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত ব্যাংকের কর হার ৩৭ দশমিক ৫০ শতাংশ ও অতালিকাভুক্ত ব্যাংকের কর হার ৪০ শতাংশ। মার্চেন্ট ব্যাংকের কর ৩৭ দশমিক ৫০ শতাংশ। সিগারেট, বিড়ি, জর্দা ও তামাক পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের কর ৪৫ শতাংশ। মোবাইল অপারেট কোম্পানির কর তালিকাভুক্ত হলে ৪০ শতাংশ এবং অতালিকাভুক্ত হলে ৪৫ শতাংশ কর দিতে হয়। সমবায় প্রতিষ্ঠান (কো-অপারেটিভ সোসাইটি) এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজের কর ১২ শতাংশ। এর বাইরে তৈরি পোশাক খাতের সবুজ প্রতিষ্ঠানকে ১০ শতাংশ ও সাধারণ প্রতিষ্ঠানের কর ১২ শতাংশ। টেক্সটাইল শিল্পের করপোরেট কর হার ২০২৫ সাল পর্যন্ত ১৫ শতাংশ বহাল রাখা হচ্ছে।

ঢাকা/এসএ

শেয়ার করুন

শর্ত সাপেক্ষে কর ছাড় পাচ্ছে তালিকাভুক্ত কোম্পানি

আপডেট: ০১:৫৫:৩৬ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩০ মে ২০২২

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: আগামী অর্থবছরের বাজেটে করপোরেট কর আড়াই শতাংশ কমানো হচ্ছে। এই ছাড় পেতে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত ও অতালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোকে একাধিক শর্ত পূরণ করতে হবে। এতে ব্যর্থ হলে কর হার কমার পরিবর্তে ক্ষেত্রবিশেষে আড়াই শতাংশ বাড়বে। অর্থ মন্ত্রণালয় সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

বর্তমানে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানির কর হার ২২ দশমিক ৫০ শতাংশ। আগামী বাজেটে এটি কমিয়ে ২০ শতাংশ করা হচ্ছে। এক্ষেত্রে প্রথম শর্ত হচ্ছে-যেসব কোম্পানি পরিশোধিত মূলধনের ১০ শতাংশের বেশি শেয়ার আইপিওর মাধ্যমে বাজারে ছেড়েছে তারাই শুধু এ সুবিধা পাবে। আর দ্বিতীয় শর্ত হচ্ছে-বার্ষিক সর্বমোট ১২ লাখ টাকা পর্যন্ত নগদ ব্যয় ও বিনিয়োগ ছাড়া সব ধরনের লেনদেন ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে করতে হবে। শর্ত পূরণে ব্যর্থ হলে পুঁজিবাজারে ১০ শতাংশ শেয়ার ছাড়া থাকলেও ওই কোম্পানিকে ২২ দশমিক ৫০ শতাংশ হারে করপোরেট কর দিতে হবে। অন্যদিকে যেসব কোম্পানির পরিশোধিত মূলধনের ১০ শতাংশের কম শেয়ার আইপিওর মাধ্যমে বাজারে ছাড়া হয়েছে তাদের কর হার ২২ দশমিক ৫০ শতাংশই অপরিবর্তিত থাকছে। উলটো বার্ষিক সর্বমোট ১২ লাখ টাকা পর্যন্ত নগদ ব্যয় ও বিনিয়োগ ছাড়া সব ধরনের লেনদেন ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে না করলে অথবা ব্যর্থ হলে ওই কোম্পানির করপোরেট কর হবে ২৫ শতাংশ। অর্থাৎ করপোরেট কর কমার পরিবর্তে বাড়বে।

এছাড়া বাজেটে পুঁজিবাজারে তালিকা কোম্পানির করপোরেট কর কমানো হচ্ছে। বর্তমানের ৩০ শতাংশ থেকে কমিয়ে কর হার ২৭ দশমিক ৫০ শতাংশ করা হচ্ছে। এক্ষেত্রেও শর্ত পূরণ করতে হবে। বার্ষিক সর্বমোট ১২ লাখ টাকা পর্যন্ত নগদ ব্যয় ও বিনিয়োগ ছাড়া সব ধরনের লেনদেন ব্যাংক হিসাবের মাধ্যমে না করলে অথবা ব্যর্থ হলে ওই কোম্পানির করপোরেট কর ৩০ শতাংশই থাকবে। একক ব্যক্তির মালিকানাধীন কোম্পানির (ওপিসি) ক্ষেত্রেও একই শর্ত দিয়ে করপোরেট আড়াই শতাংশ ছাড় দেওয়া হচ্ছে। এক্ষেত্রে একক ব্যক্তির মালিকানাধীন কোম্পানি কর ২৫ শতাংশ থেকে ২২ দশমিক ৫০ শতাংশ করা হচ্ছে।

বিদ্যমান কাঠামো অনুযায়ী, পুঁজিবাজারের তালিকাভুক্ত ব্যাংকের কর হার ৩৭ দশমিক ৫০ শতাংশ ও অতালিকাভুক্ত ব্যাংকের কর হার ৪০ শতাংশ। মার্চেন্ট ব্যাংকের কর ৩৭ দশমিক ৫০ শতাংশ। সিগারেট, বিড়ি, জর্দা ও তামাক পণ্য উৎপাদনকারী প্রতিষ্ঠানের কর ৪৫ শতাংশ। মোবাইল অপারেট কোম্পানির কর তালিকাভুক্ত হলে ৪০ শতাংশ এবং অতালিকাভুক্ত হলে ৪৫ শতাংশ কর দিতে হয়। সমবায় প্রতিষ্ঠান (কো-অপারেটিভ সোসাইটি) এবং বেসরকারি বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজের কর ১২ শতাংশ। এর বাইরে তৈরি পোশাক খাতের সবুজ প্রতিষ্ঠানকে ১০ শতাংশ ও সাধারণ প্রতিষ্ঠানের কর ১২ শতাংশ। টেক্সটাইল শিল্পের করপোরেট কর হার ২০২৫ সাল পর্যন্ত ১৫ শতাংশ বহাল রাখা হচ্ছে।

ঢাকা/এসএ