০১:৩৭ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

পুত্রবধূকে দেখতে এসে হাসপাতালে শ্বশুর!

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ০২:০৫:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ জুলাই ২০২২
  • / ১০৩৩৫ বার দেখা হয়েছে

বিজনেস জার্নাল ডেস্ক: শ্বশুরবাড়ি থেকে বাবার বাড়ি গিয়ে আত্মহত্যা করেন তরুণী। পরে তাকে দেখতে গিয়েছিলেন শ্বশুর। সেখানে বৌমার বাবার বাড়ির লোকজনের হাতে মারধরের শিকার হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন তিনি। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর বলছে, আত্মহত্যার কারণ হিসেবে বাবার বাড়ির লোকজন বলছে শ্বশুরবাড়ির অত্যাচারের কথা। কিন্তু শ্বশুরবাড়ির লোকজন তা প্রত্যাখান করে বলছে মানসিক অবসাদে আত্মঘাতী হয়েছে ওই তরুণী।

সোমবার (১১ জুলাই) রাতে ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার শান্তিপুর রামনগর পাড়া এলাকার।

স্থানীয়রা জানিয়েছে, মৃত গৃহবধূর নাম সাধনা ব্রাহ্মণ (২০) গৃহবধূর বাপের বাড়ির লোকজনদের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই বাড়ির লোকজন তাঁকে অত্যাচার করতেন। অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে বেশ কয়েক বার বাপের বাড়িতে চলে আসতেন তিনি। বার বার এমন ঘটনা ঘটেছে।

এরপর সোমবার রাত সাড়ে ন’টা নাগাদ বাপের বাড়িতেই গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী হন সাধনা। সেই সময় পরিবারের লোকজন কেউ বাড়িতে ছিলেন না। বাড়ি ফিরে তারা মেয়েকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করে শান্তিপুর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

খবর পেয়ে ওই হাসপাতালে গিয়েছিলেন সাধনার শ্বশুর। সেখানে তার উপর চড়াও হন সাধনার বাপের বাড়ির লোকজন। গণপিটুনিতে গুরুতর আহত হন তিনি। হাসপাতাল চত্বরে চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ঘটনাস্থলে শান্তিপুর থানার পুলিশ পৌঁছালে পরিস্থিতি শান্ত হয়। তবে এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি।

ঢাকা/টিএ

শেয়ার করুন

পুত্রবধূকে দেখতে এসে হাসপাতালে শ্বশুর!

আপডেট: ০২:০৫:৪৬ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ জুলাই ২০২২

বিজনেস জার্নাল ডেস্ক: শ্বশুরবাড়ি থেকে বাবার বাড়ি গিয়ে আত্মহত্যা করেন তরুণী। পরে তাকে দেখতে গিয়েছিলেন শ্বশুর। সেখানে বৌমার বাবার বাড়ির লোকজনের হাতে মারধরের শিকার হয়ে হাসপাতালে ভর্তি হয়েছেন তিনি। ঘটনাটি ঘটেছে ভারতের পশ্চিমবঙ্গে।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

ভারতীয় গণমাধ্যমের খবর বলছে, আত্মহত্যার কারণ হিসেবে বাবার বাড়ির লোকজন বলছে শ্বশুরবাড়ির অত্যাচারের কথা। কিন্তু শ্বশুরবাড়ির লোকজন তা প্রত্যাখান করে বলছে মানসিক অবসাদে আত্মঘাতী হয়েছে ওই তরুণী।

সোমবার (১১ জুলাই) রাতে ঘটনাটি ঘটেছে নদিয়ার শান্তিপুর রামনগর পাড়া এলাকার।

স্থানীয়রা জানিয়েছে, মৃত গৃহবধূর নাম সাধনা ব্রাহ্মণ (২০) গৃহবধূর বাপের বাড়ির লোকজনদের অভিযোগ, বিয়ের পর থেকেই বাড়ির লোকজন তাঁকে অত্যাচার করতেন। অত্যাচার সহ্য করতে না পেরে বেশ কয়েক বার বাপের বাড়িতে চলে আসতেন তিনি। বার বার এমন ঘটনা ঘটেছে।

এরপর সোমবার রাত সাড়ে ন’টা নাগাদ বাপের বাড়িতেই গলায় ফাঁস দিয়ে আত্মঘাতী হন সাধনা। সেই সময় পরিবারের লোকজন কেউ বাড়িতে ছিলেন না। বাড়ি ফিরে তারা মেয়েকে ঝুলন্ত অবস্থায় উদ্ধার করে শান্তিপুর হাসপাতালে নিয়ে যান। সেখানে দায়িত্বরত চিকিৎসক তাকে মৃত বলে ঘোষণা করেন।

খবর পেয়ে ওই হাসপাতালে গিয়েছিলেন সাধনার শ্বশুর। সেখানে তার উপর চড়াও হন সাধনার বাপের বাড়ির লোকজন। গণপিটুনিতে গুরুতর আহত হন তিনি। হাসপাতাল চত্বরে চাঞ্চল্যকর পরিস্থিতির সৃষ্টি হয়। ঘটনাস্থলে শান্তিপুর থানার পুলিশ পৌঁছালে পরিস্থিতি শান্ত হয়। তবে এ ঘটনায় এখনো কোনো মামলা হয়নি।

ঢাকা/টিএ