০২:০৭ অপরাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

রাতে খাবারের কতক্ষণ পর ঘুমাতে যাওয়া উচিত

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ০৭:১৪:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৩
  • / ১০৪৭৯ বার দেখা হয়েছে

অনেকে রাতে খাবারের পর ঘুমাতে যান। আবার কেউ গভীর রাত করে খাবার খেয়ে থাকেন। দুটো অভ্যাসই স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। রাতে খাবারের কতক্ষণ পর ঘুমাতে যাওয়া উচিত তা অনেকেরই জানা নেই।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

তবে রাতে খাওয়ার অন্ততপক্ষে ২ থেকে ৩ ঘণ্টা পর ঘুমাতে যাওয়া উচিত। কারণ এতে শরীর সুস্থ থাকে। সবচেয়ে ভালো হয় রাতে খাবারের পর কিছুক্ষণ হাঁটাহাটি করা। এতে খাবার সহজেই হজম হয়।

১. ওজন বাড়ে

রাতে খাওয়ার পর বিছানায় গা এলিয়ে দিলে ওজন বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হবে। নৈশ ভোজের অত্যধিক তেল, মসলা যুক্ত খাবার খাওয়ার পর তা হজম না হলে দেহে মেদ বাড়বে। তাই যারা রাতে পেট ভরে খেয়েই শুতে চান, তাদের ওজন বাড়ার আশঙ্কা থাকে।

২. অ্যাসিডিটির সমস্যা

খাওয়ার পরপরই শুয়ে পড়ার কারণে অনেক সময় খাবার পাকস্থলী হয়ে উপরের দিকে খাদ্যনালীতে উঠে আসে। একে বলা হয় `রিফ্লাক্স ডিজিজ’। এই সমস্যায় আক্রান্ত রোগীর বুকে জ্বালা হয়, মুখ টক হয়ে যায়। এমনকি রাতের খাবার ঠিকমতো হজমও হয় না। তাই এই ধরনের সমস্যার ফাঁদ এড়াতে চাইলে নৈশভোজ সারা মাত্রই ঘুম এরিয়ে চলুন।

৩. অনিদ্রা বাড়ে

রাতে খাওয়ার পরপরই শুতে গেলে শরীরের সার্কাডিয়ান রিদমের গড়বড় হয়ে যায়। আর এই কারণেই অনিদ্রার মতো গুরুতর অসুখের ফাঁদে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।

আরও পড়ুন: খুশকি দূর করতে উপকারী নিম পাতা

৪. সন্তানসম্ভবা অবস্থায় বিপদ

গর্ভাবস্থায় রাতের খাবার খাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই বিছানায় গা এলিয়ে দেওয়ার অভ্যাস থাকলে কিন্তু সমস্যার শেষ থাকবে না। এই কৃতকর্মের জন্য গ্যাস, অ্যাসিডিটিসহ একাধিক পেটের সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাই বাড়বে। তাই গর্ভবতী নারীরা রাতে খাওয়ার পরপর না ঘুমিয়ে হঁাটাহাটি করুন।

ঢাকা/কেএ

ট্যাগঃ

শেয়ার করুন

error: Content is protected ! Please Don't Try!

রাতে খাবারের কতক্ষণ পর ঘুমাতে যাওয়া উচিত

আপডেট: ০৭:১৪:০৮ অপরাহ্ন, সোমবার, ১১ ডিসেম্বর ২০২৩

অনেকে রাতে খাবারের পর ঘুমাতে যান। আবার কেউ গভীর রাত করে খাবার খেয়ে থাকেন। দুটো অভ্যাসই স্বাস্থ্যের জন্য ক্ষতিকর। রাতে খাবারের কতক্ষণ পর ঘুমাতে যাওয়া উচিত তা অনেকেরই জানা নেই।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

তবে রাতে খাওয়ার অন্ততপক্ষে ২ থেকে ৩ ঘণ্টা পর ঘুমাতে যাওয়া উচিত। কারণ এতে শরীর সুস্থ থাকে। সবচেয়ে ভালো হয় রাতে খাবারের পর কিছুক্ষণ হাঁটাহাটি করা। এতে খাবার সহজেই হজম হয়।

১. ওজন বাড়ে

রাতে খাওয়ার পর বিছানায় গা এলিয়ে দিলে ওজন বাড়ার আশঙ্কা তৈরি হবে। নৈশ ভোজের অত্যধিক তেল, মসলা যুক্ত খাবার খাওয়ার পর তা হজম না হলে দেহে মেদ বাড়বে। তাই যারা রাতে পেট ভরে খেয়েই শুতে চান, তাদের ওজন বাড়ার আশঙ্কা থাকে।

২. অ্যাসিডিটির সমস্যা

খাওয়ার পরপরই শুয়ে পড়ার কারণে অনেক সময় খাবার পাকস্থলী হয়ে উপরের দিকে খাদ্যনালীতে উঠে আসে। একে বলা হয় `রিফ্লাক্স ডিজিজ’। এই সমস্যায় আক্রান্ত রোগীর বুকে জ্বালা হয়, মুখ টক হয়ে যায়। এমনকি রাতের খাবার ঠিকমতো হজমও হয় না। তাই এই ধরনের সমস্যার ফাঁদ এড়াতে চাইলে নৈশভোজ সারা মাত্রই ঘুম এরিয়ে চলুন।

৩. অনিদ্রা বাড়ে

রাতে খাওয়ার পরপরই শুতে গেলে শরীরের সার্কাডিয়ান রিদমের গড়বড় হয়ে যায়। আর এই কারণেই অনিদ্রার মতো গুরুতর অসুখের ফাঁদে জড়িয়ে পড়ার আশঙ্কা তৈরি হয়।

আরও পড়ুন: খুশকি দূর করতে উপকারী নিম পাতা

৪. সন্তানসম্ভবা অবস্থায় বিপদ

গর্ভাবস্থায় রাতের খাবার খাওয়ার কিছুক্ষণের মধ্যেই বিছানায় গা এলিয়ে দেওয়ার অভ্যাস থাকলে কিন্তু সমস্যার শেষ থাকবে না। এই কৃতকর্মের জন্য গ্যাস, অ্যাসিডিটিসহ একাধিক পেটের সমস্যায় আক্রান্ত হওয়ার আশঙ্কাই বাড়বে। তাই গর্ভবতী নারীরা রাতে খাওয়ার পরপর না ঘুমিয়ে হঁাটাহাটি করুন।

ঢাকা/কেএ