০৮:৪৩ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

এনআরবি ব্যাংকের লেনদেন শুরু ১১ টাকায়

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ১১:২৪:১৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪
  • / ১০৫৩৮ বার দেখা হয়েছে

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে ১০০ কোটি  টাকা উত্তোলন করা  এনআরবি ব্যাংক লিমিটেডের লেনদেন আজ মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) উভয় পুঁজিবাজারে শুরু হয়েছে। ডিএসইতে কোম্পানিটি ‘এন’ ক্যাটাগরি থেকে লেনদেন শুরু করেছে। ডিএসইতে কোম্পানিটির ট্রেডিং কোড হলো “NRBBANK”। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

জানা গেছে, ব্যাংকটির লেনদেন শুরুর আধা ঘণ্টার মধ্যে ৮ হাজার ১৭২টি শেয়ার ১৭ বার হাতবদল হয়ে বিক্রি হয়েছে।

পুঁজিবাজারে এনআরবি ব্যাংক ১০ কোটি সাধারণ শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে ১০০ কোটি টাকা উত্তোলন করেছে। শেয়ারপ্রতি অভিহিত মূল্য ছিল ১০ টাকা।

এর আগে, ব্যাংকটি প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) সম্পন্ন করে পুঁজিবাজারে ‘ব্যাংক’ খাতে তালিকাভুক্ত হয়েছে। ব্যাংকটি আইপিও আবেদন গত ২৮ জানুয়ারি থেকে ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত গ্রহণ করা হয়।

জানা গেছে, পুঁজিবাজারে এনআরবি ব্যাংক ১০ কোটি সাধারণ শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে ১০০ কোটি টাকা উত্তোলন করেছে। শেয়ারপ্রতি অভিহিত মূল্য ছিল ১০ টাকা।

পুঁজিবাজার থেকে অর্থ উত্তোলন করে ব্যাংকটি সরকারি সিকিউরিটিজ ক্রয়, শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ এবং আইপিও খরচ খাতে ব্যয় করবে। ২০২৩ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য ছিল ১২ টাকা ৭২ পয়সা।

আরও পড়ুন: ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্সের ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন

সমাপ্তবছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে বা নয় মাসে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর ২৩) ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ২৭ পয়সা। বিগত ৫ বছরের ভারিত গড় হারে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৭২ পয়সা।

আইপিও অনুমোদনের ক্ষেত্রে ব্যাংকটি তালিকাভুক্তির আগে কোনো ধরনের ডিভিডেন্ড ঘোষণা, অনুমোদন বা বিতরণ করতে পারবে না। আইপিওতে কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে নিয়োজিত ছিল ইউসিবি ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড ও শাহজালাল ইক্যুইটি ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।

এনআরবি ব্যাংক ক্রেডিট কার্ডের দিক থেকে চতুর্থ প্রজন্মের ব্যাংকগুলোর মধ্যে শীর্ষে রয়েছে। বর্তমানে ব্যাংকটির ৫০ হাজারের বেশি গ্রাহক সক্রিয়ভাবে ক্রেডিট কার্ড ধারণ করছে, যেগুলোর মোট অর্থের পরিমাণ ৩০০ কোটি টাকার বেশি।

ঢাকা/কেএ

শেয়ার করুন

error: Content is protected ! Please Don't Try!

এনআরবি ব্যাংকের লেনদেন শুরু ১১ টাকায়

আপডেট: ১১:২৪:১৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৭ ফেব্রুয়ারী ২০২৪

প্রাথমিক গণপ্রস্তাবের (আইপিও) মাধ্যমে ১০০ কোটি  টাকা উত্তোলন করা  এনআরবি ব্যাংক লিমিটেডের লেনদেন আজ মঙ্গলবার (২৭ ফেব্রুয়ারি) উভয় পুঁজিবাজারে শুরু হয়েছে। ডিএসইতে কোম্পানিটি ‘এন’ ক্যাটাগরি থেকে লেনদেন শুরু করেছে। ডিএসইতে কোম্পানিটির ট্রেডিং কোড হলো “NRBBANK”। ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

জানা গেছে, ব্যাংকটির লেনদেন শুরুর আধা ঘণ্টার মধ্যে ৮ হাজার ১৭২টি শেয়ার ১৭ বার হাতবদল হয়ে বিক্রি হয়েছে।

পুঁজিবাজারে এনআরবি ব্যাংক ১০ কোটি সাধারণ শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে ১০০ কোটি টাকা উত্তোলন করেছে। শেয়ারপ্রতি অভিহিত মূল্য ছিল ১০ টাকা।

এর আগে, ব্যাংকটি প্রাথমিক গণপ্রস্তাব (আইপিও) সম্পন্ন করে পুঁজিবাজারে ‘ব্যাংক’ খাতে তালিকাভুক্ত হয়েছে। ব্যাংকটি আইপিও আবেদন গত ২৮ জানুয়ারি থেকে ১ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত গ্রহণ করা হয়।

জানা গেছে, পুঁজিবাজারে এনআরবি ব্যাংক ১০ কোটি সাধারণ শেয়ার ইস্যুর মাধ্যমে ১০০ কোটি টাকা উত্তোলন করেছে। শেয়ারপ্রতি অভিহিত মূল্য ছিল ১০ টাকা।

পুঁজিবাজার থেকে অর্থ উত্তোলন করে ব্যাংকটি সরকারি সিকিউরিটিজ ক্রয়, শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ এবং আইপিও খরচ খাতে ব্যয় করবে। ২০২৩ সালের ৩০ সেপ্টেম্বর ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি নিট সম্পদ মূল্য ছিল ১২ টাকা ৭২ পয়সা।

আরও পড়ুন: ক্রিস্টাল ইন্স্যুরেন্সের ক্রেডিট রেটিং সম্পন্ন

সমাপ্তবছরের প্রথম তিন প্রান্তিকে বা নয় মাসে (জানুয়ারি-সেপ্টেম্বর ২৩) ব্যাংকটির শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) ছিল ২৭ পয়সা। বিগত ৫ বছরের ভারিত গড় হারে শেয়ারপ্রতি আয় (ইপিএস) হয়েছে ৭২ পয়সা।

আইপিও অনুমোদনের ক্ষেত্রে ব্যাংকটি তালিকাভুক্তির আগে কোনো ধরনের ডিভিডেন্ড ঘোষণা, অনুমোদন বা বিতরণ করতে পারবে না। আইপিওতে কোম্পানিটির ইস্যু ব্যবস্থাপনার দায়িত্বে নিয়োজিত ছিল ইউসিবি ইনভেস্টমেন্ট লিমিটেড ও শাহজালাল ইক্যুইটি ম্যানেজমেন্ট লিমিটেড।

এনআরবি ব্যাংক ক্রেডিট কার্ডের দিক থেকে চতুর্থ প্রজন্মের ব্যাংকগুলোর মধ্যে শীর্ষে রয়েছে। বর্তমানে ব্যাংকটির ৫০ হাজারের বেশি গ্রাহক সক্রিয়ভাবে ক্রেডিট কার্ড ধারণ করছে, যেগুলোর মোট অর্থের পরিমাণ ৩০০ কোটি টাকার বেশি।

ঢাকা/কেএ