০১:০৬ অপরাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

ইরানের সমৃদ্ধকৃত ইউরেনিয়াম রাশিয়ায় নেওয়ার প্রস্তাব পুতিনের

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ১০:২১:১৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬
  • / ১০২১৯ বার দেখা হয়েছে

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জানিয়েছেন, ইরানের সমৃদ্ধকৃত ইউরেনিয়াম রাশিয়ায় নিয়ে যাওয়া এবং সেগুলো সেখানে সংরক্ষণের জন্য তারা প্রস্তুত আছেন।

গতকাল শনিবার (৯ মে) মস্কোতে এক সংবাদ সম্মেলনে পুতিন বলেন, রাশিয়া এরআগে ২০১৫ সালে ইরানের সমৃদ্ধকৃত ইউরেনিয়াম নিয়ে এসেছিল এবং যদি প্রয়োজন হয় তাহলে এবারও তারা ইউরেনিয়াম নিয়ে আসতে প্রস্তুত।

২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য শক্তিধর দেশের সঙ্গে ইরানের পারমাণবিক চুক্তি হয়। ওই চুক্তি অনুযায়ী ইরান তাদের পারমাণবিক কার্যক্রম সীমিত ও এতে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক আণবিক সংস্থাকে নজরদারি চালানোর সুযোগ দেয়। অপরদিকে ইরানের ওপর থেকে পশ্চিমারা অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়। কিন্তু ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ওই চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নেন। এরফলে এটি ভেস্তে যায়।

পুতিন আরও জানিয়েছেন, বর্তমান যুদ্ধের সব পক্ষ সম্মত হয়েছে ইরান থেকে সমৃদ্ধকৃত ইউরেনিয়াম সরিয়ে নেওয়া হবে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র তখন তাদের অবস্থান কঠোর করে। তারা শর্ত দেয় ইরান থেকে সরানো ইউরেনিয়াম শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্রেই নিয়ে যেতে হবে। তখন ইরানও তার অবস্থান শক্ত করে ফেলে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সঙ্গে রাশিয়া সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখবে উল্লেখ করে পুতিন বলেছেন, তার আশা এ যুদ্ধ খু্ব শিগগিরই শেষ হবে।

এদিকে পুতিনের এমন মন্তব্য নিয়ে ইরান তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া দেখায়নি।

সূত্র: আলজাজিরা

ঢাকা/এসএইচ

শেয়ার করুন

ইরানের সমৃদ্ধকৃত ইউরেনিয়াম রাশিয়ায় নেওয়ার প্রস্তাব পুতিনের

আপডেট: ১০:২১:১৪ পূর্বাহ্ন, রবিবার, ১০ মে ২০২৬

রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন জানিয়েছেন, ইরানের সমৃদ্ধকৃত ইউরেনিয়াম রাশিয়ায় নিয়ে যাওয়া এবং সেগুলো সেখানে সংরক্ষণের জন্য তারা প্রস্তুত আছেন।

গতকাল শনিবার (৯ মে) মস্কোতে এক সংবাদ সম্মেলনে পুতিন বলেন, রাশিয়া এরআগে ২০১৫ সালে ইরানের সমৃদ্ধকৃত ইউরেনিয়াম নিয়ে এসেছিল এবং যদি প্রয়োজন হয় তাহলে এবারও তারা ইউরেনিয়াম নিয়ে আসতে প্রস্তুত।

২০১৫ সালে যুক্তরাষ্ট্র ও অন্যান্য শক্তিধর দেশের সঙ্গে ইরানের পারমাণবিক চুক্তি হয়। ওই চুক্তি অনুযায়ী ইরান তাদের পারমাণবিক কার্যক্রম সীমিত ও এতে জাতিসংঘের আন্তর্জাতিক আণবিক সংস্থাকে নজরদারি চালানোর সুযোগ দেয়। অপরদিকে ইরানের ওপর থেকে পশ্চিমারা অর্থনৈতিক নিষেধাজ্ঞা তুলে নেয়। কিন্তু ২০১৮ সালে যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প ওই চুক্তি থেকে যুক্তরাষ্ট্রকে প্রত্যাহার করে নেন। এরফলে এটি ভেস্তে যায়।

পুতিন আরও জানিয়েছেন, বর্তমান যুদ্ধের সব পক্ষ সম্মত হয়েছে ইরান থেকে সমৃদ্ধকৃত ইউরেনিয়াম সরিয়ে নেওয়া হবে। কিন্তু যুক্তরাষ্ট্র তখন তাদের অবস্থান কঠোর করে। তারা শর্ত দেয় ইরান থেকে সরানো ইউরেনিয়াম শুধুমাত্র যুক্তরাষ্ট্রেই নিয়ে যেতে হবে। তখন ইরানও তার অবস্থান শক্ত করে ফেলে।

যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের সঙ্গে রাশিয়া সার্বক্ষণিক যোগাযোগ রাখবে উল্লেখ করে পুতিন বলেছেন, তার আশা এ যুদ্ধ খু্ব শিগগিরই শেষ হবে।

এদিকে পুতিনের এমন মন্তব্য নিয়ে ইরান তাৎক্ষণিকভাবে কোনো প্রতিক্রিয়া দেখায়নি।

সূত্র: আলজাজিরা

ঢাকা/এসএইচ