০৮:০১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৫ এপ্রিল ২০২৬

কাবুলে নারীদের বিক্ষোভে লাটিপেটা

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ০৭:০২:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২২
  • / ১০৪৭৮ বার দেখা হয়েছে

ফাইল ফটো

বিক্ষোভকারীদের বহন করা ব্যানারে লেখা ছিল ‘১৫ আগস্ট কালো দিন’। বিক্ষোভে অংশ নেওয়া নারীরা কাজ করার ও রাজনীতিতে অংশগ্রহণের অধিকারের দাবি জানান। তাঁরা ‘ন্যায়বিচার চাই/অবহেলায় আমরা ক্ষুব্ধ’ প্রভৃতি স্লোগান দেন। এ সময় অনেক বিক্ষোভকারীই নিকাব পরিহিত ছিলেন না।

কয়েক মাসের মধ্যে নারীদের প্রথম কোনো বিক্ষোভ ছিল এটি। এই কর্মসূচির খবর সংগ্রহ করতে যাওয়া সাংবাদিকদেরও মারধর করে তালেবান যোদ্ধারা। ক্ষমতা দখলের পর কঠোর ইসলামিক বিধিবিধানের শিথিল ধারা মেনে চলার অঙ্গীকার করেছিল তালেবান। তালেবান ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকার সময় কঠোর শরিয়াহ আইন অনুসরণ করেছিল।

কিন্তু প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও আগের আমলের অনেক বিধিনিষেধ আবার আরোপ করেছে তালেবান। হাজারো কিশোরীর মাধ্যমিক স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে তালেবান সরকার। অনেক সরকারি চাকরিতে নারীদের ফিরতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। দীর্ঘ সফরে নারীদের একা ভ্রমণও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তাঁরা কেবল পুরুষদের থেকে পৃথক দিনে রাজধানীর বাগান ও পার্কগুলোতে বেড়াতে যেতে পারেন।

মে মাসে আফগানিস্তানের সর্বোচ্চ নেতা ও তালেবানপ্রধান হাইবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা জনসমাগমস্থলে নারীদের বোরকা পরিধান করে চলাফেরা করার নির্দেশ দেন। শুরুতে কিছু আফগান নারী এসব বিধিনিষেধের বিরোধিতা করেন এবং ছোটখাটো বিক্ষোভের আয়োজন করেন। কিন্তু কিছুদিনের মধ্যেই তাঁদের নেত্রীদের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে ফেলে তালেবান। তবে তাঁদের আটকের বিষয়টি অস্বীকার করা হয়েছে।

ঢাকা/এসএ

শেয়ার করুন

কাবুলে নারীদের বিক্ষোভে লাটিপেটা

আপডেট: ০৭:০২:৩৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ অগাস্ট ২০২২

বিক্ষোভকারীদের বহন করা ব্যানারে লেখা ছিল ‘১৫ আগস্ট কালো দিন’। বিক্ষোভে অংশ নেওয়া নারীরা কাজ করার ও রাজনীতিতে অংশগ্রহণের অধিকারের দাবি জানান। তাঁরা ‘ন্যায়বিচার চাই/অবহেলায় আমরা ক্ষুব্ধ’ প্রভৃতি স্লোগান দেন। এ সময় অনেক বিক্ষোভকারীই নিকাব পরিহিত ছিলেন না।

কয়েক মাসের মধ্যে নারীদের প্রথম কোনো বিক্ষোভ ছিল এটি। এই কর্মসূচির খবর সংগ্রহ করতে যাওয়া সাংবাদিকদেরও মারধর করে তালেবান যোদ্ধারা। ক্ষমতা দখলের পর কঠোর ইসলামিক বিধিবিধানের শিথিল ধারা মেনে চলার অঙ্গীকার করেছিল তালেবান। তালেবান ১৯৯৬ থেকে ২০০১ সাল পর্যন্ত ক্ষমতায় থাকার সময় কঠোর শরিয়াহ আইন অনুসরণ করেছিল।

কিন্তু প্রতিশ্রুতি সত্ত্বেও আগের আমলের অনেক বিধিনিষেধ আবার আরোপ করেছে তালেবান। হাজারো কিশোরীর মাধ্যমিক স্কুলে যাওয়া বন্ধ করে দিয়েছে তালেবান সরকার। অনেক সরকারি চাকরিতে নারীদের ফিরতে বাধা দেওয়া হচ্ছে। দীর্ঘ সফরে নারীদের একা ভ্রমণও নিষিদ্ধ করা হয়েছে। তাঁরা কেবল পুরুষদের থেকে পৃথক দিনে রাজধানীর বাগান ও পার্কগুলোতে বেড়াতে যেতে পারেন।

মে মাসে আফগানিস্তানের সর্বোচ্চ নেতা ও তালেবানপ্রধান হাইবাতুল্লাহ আখুন্দজাদা জনসমাগমস্থলে নারীদের বোরকা পরিধান করে চলাফেরা করার নির্দেশ দেন। শুরুতে কিছু আফগান নারী এসব বিধিনিষেধের বিরোধিতা করেন এবং ছোটখাটো বিক্ষোভের আয়োজন করেন। কিন্তু কিছুদিনের মধ্যেই তাঁদের নেত্রীদের যোগাযোগ বিচ্ছিন্ন করে ফেলে তালেবান। তবে তাঁদের আটকের বিষয়টি অস্বীকার করা হয়েছে।

ঢাকা/এসএ