আমরা প্রায়ই ভালো মৌলভিত্তির শেয়ারে বিনিয়োগের কথা বলে থাকি। আসলে ভালো মৌল ভিত্তি প্রকৃত সংঙ্গা কি, আসলে কি কেউ জানে। একজন বিনিয়োগকারী কীভাবে বুঝবেন কোন কোম্পানিটি মৌলভিত্তি সম্পন্ন। এজন্য কিছু বিষয় লক্ষ্য করতে হবে।

যেমন জেড ক্যাটাগরি শেয়ারের মধ্যে অনেক ভালো শেয়ার আছে আবার এ ক্যাটাগরি মানি ভালো মৌল ভিত্তি শেয়ার নয়, এর মধ্যে এ ক্যাটাগরির যেসব শেয়ারের ভবিষ্যত ভালো সেগুলো দীর্ঘমেয়াদে বিনিয়োগ করলে ভালো মুনাফা পাওয়া যাবে। আবার জেড ক্যাটাগিরির যে সব কোম্পানির ভবিষ্যত সম্ভাবনাময় রয়েছে যে সব কোম্পানিতে বিনিয়োগ করলেও ভালো মুনাফা পাওয়া যাবে। যেমন চার মাস আগে ফার্মা এইডসের নজর কোন বিনিয়োগকারীর কাছে আসেনি।

যখন দাম বাড়তে শুরু করলেও তখন সবার নজরে আসলে আবার জেড ক্যাটাগরি বঙ্গজ যখন দাম বাড়তে শুরু করলে তখন সবার নজরে আসলে, আসলে অনেক সময় কোম্পানির উদাসীনতার কারনে শেয়ার জেড ক্যাটাগরিতে যায়। আবার যখন কোম্পানির ভালো অবস্থা আসে তখন ক্যাটাগরি পরিবর্তন হয়।

এরকম অনেক শেয়ার রয়েছে যে গুলোর মধ্যে এ বি জেড ক্যাটাগরি রয়েছে তবে তাদের ভবিষ্যত সম্ভাবনাময় রয়েছে ঐ সকল কোম্পানি দেখে বিনিয়োগ করলে বছর শেষে ভালো মুনাফা করা সম্ভব। তাছাড়া কোম্পানি দেখে বিনিয়োগ করার ক্ষেত্রে আরো যেসকল বিষয় নজরদারী রাখা দরকার তার মধ্যে কোম্পানিতে প্রাতিষ্ঠানিক সুশাসন রয়েছে কিনা। অর্থাৎ কোম্পানিটি বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের করপোরেট গভন্যান্স গাইডলাইনের সম্পূর্ণ মেনে চলছে কিনা।

কোম্পানির কী পরিমাণ সম্পদ রয়েছে এবং তার যথাযথ ব্যবহার হচ্ছে কিনা সে বিষয়ে জানতে হবে। কোম্পানি নিয়মিত ডিভিডেন্ড দিচ্ছে কিনা এবং সে ডিভিডেন্ডের হার কত। কোম্পানি নিয়মিত বার্ষিক সাধারণ সভা বা এজিএম করছে কিনা এবং এজিএমে শেয়ারহোল্ডারদের কথার গুরুত্ব দিচ্ছে কিনা ।

মুনাফা, শেয়ার প্রতি আয় (ইপিএস), শেয়ার প্রতি নীট সম্পদের পরিমাণ প্রতিবছর ধারাবাহিক বাড়ছে কিনা। সঠিক সময়ে সঠিক মূল্য সংবেদনশীল তথ্য প্রকাশ করছে কিনা। এছাড়া, সিকিউরিটিজ সংক্রান্ত সক আইন-কানুন, বিধি-বিধান পরিপালন করে কোম্পানি পরিচালিত হচ্ছে কিনা সে বিষয়ে লক্ষ্য রাখতে হবে। পুঁজিবাজারে বিনিয়োগ থেকে মুনাফা লাভে বিনিয়োগ কৌশলটি গুরুত্বপূর্ণ।

এদিকে কোম্পানির সার্বিক আর্থিক অবস্থা দেখে বিনিয়োগ করলে বড় অংকের মুনাফা না করা গেলেও একেবারে পুঁজি হারানোর ভয় কম থাকে বিনিয়োগকারীদের। এ কারণে যে সব শেয়ারের ভবিষ্যত নেই যেসব শেয়ারে বিনিয়োগ না করে ভালো শেয়ারে বিনিয়োগ করাই উত্তম বলে মনে করি।

ভালো শেয়ার বাছাই করার আগে বিনিয়োগকারীদের আরো কিছু কৌশল অবলম্বন করতে হবে তার মধ্যে কোম্পানির অতীত ইতিহাস, এর সঙ্গে কারা জড়িত, তাদের ব্যবসায়িক সততা, দক্ষতা, কোম্পানি কি ধরনের পণ্য উৎপাদন করে, সেগুলোর বাজার চাহিদা কেমন, কোম্পানির আর্থিক ভিত্তি কেমন, ঋণ থাকলে মূলধনের কত অংশ, কোম্পানির আয়-ব্যয়,

শেয়ারপ্রতি আয়, শেয়ার প্রতি প্রকৃত সম্পদ, সম্পদের মূল্য, বছর শেষে তারা কেমন লভ্যাংশ দেয়, লভ্যাংশ দেওয়ার অতীত রেকর্ড এসব তথ্য বিশ্লেষণ করে সহজেই ভালো কোম্পানির শেয়ার বাছাই করা সম্ভব। এসব বিষয়ে বিনিয়োগকারীদের জানাতে শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রণ সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) থেকে নিয়মিতভাবে প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়।

কোন কোম্পানির আর্থিক ভিত্তি কতো বেশি শক্তিশালী তা কোম্পানির আর্থিক বিবরণী দেখলেই বুঝা যাবে। যে কোম্পানির শেয়ার কেনা হবে, তার বর্তমান আয়, বার্ষিক আয়, কোম্পানি নতুন কোনো পরিবর্তন আসছে কি-না, কোম্পানির পণ্য সরবরাহ কেমন, নেতৃত্বে কারা আছেন, কোম্পনির শেয়ারে প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের অংশ গ্রহণ কেমন এবং সবশেষে ওই কোম্পানির পণ্যের বাজারে চাহিদা কেমন, বছর শেষে তারা কেমন লভ্যাংশ দিচ্ছে এসব বিষয় পর্যালোচনা করতে হবে।

যিনি পুঁজিবাজারে বিনিয়োগে আগ্রহী তার প্রথম কাজ হবে সংশ্লিষ্ট কোম্পানির আর্থিক বিবরণ সম্পর্কে বিস্তারিত ধারণা নেওয়া। প্রতিটি কোম্পানি প্রতিবছর বার্ষিক আয়-ব্যয় সংবলিত একটি প্রতিবেদন প্রকাশ করে। ওই প্রতিবেদন সংগ্রহ করে কোম্পানির আর্থিক অবস্থা সম্পর্কে জানা যাবে।

খাতভিত্তিক বিনিয়োগ: শেয়ারে বিনিয়োগের সময় মূলধনের টাকাকে খাত অনুযায়ী ভাগ করে নিতে হবে। বিভিন্ন খাতে বিনিয়োগের ফলে কোনো একটি বিশেষ খাতের বিনিয়োগ যদি ক্ষতির মধ্যেও পড়ে যায় তা অন্য খাতের মাধ্যমে পুষিয়ে নেওয়া সম্ভব হবে। পুরো মূলধন একটি খাতে বিনিয়োগ করে ফেললে সেই সুযোগটি আর থাকে না।

পুঁজিবাজারের ২২টি খাতে ভাগ করা হয়েছে। এগুলো হলো ব্যাংক, আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বীমা, মিউচ্যুয়াল ফান্ড, প্রকৌশল, খাদ্য ও আনুষঙ্গিক, বিদ্যুৎ ও জ্বালানি, করপোরেট বন্ড, ওষুধ ও রসায়ন, কাগজ ও মুদ্রণ, সেবা ও আবাসন, পাট, বস্ত্র, সিমেন্ট, চামড়াশিল্প, তথ্য-প্রযুক্তি, সিরামিক, পর্যটন, টেলিকমিউনিকেশন, ভ্রমণ ও অবকাশ, ট্রেজারি বন্ড এবং বিবিধ। শেয়ার ব্যবসায় বিনিয়োগ করতে চাইলে হিসাব-নিকাশ করে একাধিক খাতে করতে হবে।

শেয়ারবাজারে বিনিয়োগ করতে হলে অব্যশই তাকে বাজারের কিছু টার্মস জানতে হবে। যেমন- ইপিএস, ইংরেজিতে এর বিশ্লেষণ হলো আর্নিং পার শেয়ার বা প্রতি শেয়ারের বিপরীতে আয়। ডিভিডেন্ড বা লভ্যাংশ। ডিভিডেন্ড ইয়েল্ড, প্রাইস আর্নিং রেশিও, নেট এসেট ভ্যালু।

ভালো শেয়ারের অন্যতম একটি উপসর্গ হচ্ছে শেয়ার প্রতি আয় ভালো। সাধারণত একটি শেয়ারের ইপিএসের ১০ গুণ বেশি পর্যন্ত তার বাজারমূল্য হতে পারে। এর বেশি হলে তাকে অতিমূল্যায়িত ধরা হয়। যেমন কোনো শেয়ারের ইপিএস ১০ টাকা হলে ওই শেয়ারের বাজারমূল্য ১০০ টাকা হতে পারে। এর বেশি হলে তা অতিমূল্যায়িত। তবে সব ক্ষেত্রে এটি প্রযোজ্য নয়। কোম্পানি বড় ধরনের সম্প্রসারণে গেলে, মুনাফা ঘোষণার আগে, রাইট বা বোনাস শেয়ার দেওয়ার ক্ষেত্রে এই ব্যাকরণ মিলবে না।

নিট এসেট ভ্যালু : নিট এসেট ভ্যালু এটি শেয়ার প্রতি কোম্পানির নিট সম্পদের মূল্য প্রদর্শন করে। শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ ভালো হলে এটি ভালো শেয়ার হিসেবেই ধরা হয়। শেয়ারে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে অবশ্যই শেয়ারের মূল্য ও আয়ের অনুপাত দেখতে হবে।

এদিকে বিক্রি করে নয়; কেনার সময়ই আপনাকে লাভ করতে হবে। কম দামে ভাল শেয়ার কিনতে না পারলে বিক্রি করে লাভ করা সম্ভব নয়। ব্যাক্তিগতভাবে
ডাউন মার্কেট’-ই হলো বিনিয়োগের সময়। কারণ, এ সময় ভাল মানের শেয়ার তুলনামূলকভাবে অনেক কম দামে কেনার সুযোগ পাওয়া যায়।

প্রাথমিক পর্যায়ে কিছু ফান্ডামেন্টাল কোম্পানির দিক নিম্নে আলোচনা করছি। তবে এই চেক লিস্টই শেষ নয়। বিনিয়োগকারী হিসেবে সময়ের সাথে সাথে আপনি যেমন অভিজ্ঞ হবেন, তেমনি এই চেক লিস্টও আপনার অভিজ্ঞতার সাথে সাথে বড় হবে।

এনএভি: নিট এসেট ভ্যালু বা এনএভি হচ্ছে শেয়ার প্রতি কোম্পানির নিট সম্পদের মূল্য। শেয়ার প্রতি নিট সম্পদ ভালো হলে এটি ভালো শেয়ার হিসেবেই ধরা হয়। শেয়ারে বিনিয়োগের ক্ষেত্রে অবশ্যই শেয়ারের মূল্য ও আয়ের অনুপাত দেখতে হবে।

বুক ভ্যালু: বুক ভ্যালু হচ্ছে কোনো কোম্পানির সম্পদের অবচয় এবং সব দেনা পরিশোধের পর শেয়ারপ্রতি সম্পদের পরিমাণ। শেয়ার কেনার আগে কোম্পানির শেয়ারপ্রতি মূল্য কত হতে পারে তার জন্য বুক ভ্যালু কত তার দিকে খেয়াল রাখতে হবে।

গ্রোথ স্টক: আয় হচ্ছে এমন সিকিউরিটিজ বা শেয়ারকে বেছে নিয়ে বিনিয়োগ করতে হবে। অর্থাৎ বিশ্লেষণ করে দেখতে হবে ওই কোম্পানির শেয়ার থেকে কত টাকা আয় হতে পারে।

পুঁজিবাজারের ভাষায় এটাকে হাই রিটার্ন অব ইক্যুইটি (আরওই) বলে। একজন বিনিয়োগকারী যদি অন্তত ১৫ শতাংশ আরওই-র সম্ভাবনা দেখেন তাহলেই ওই কোম্পানির শেয়ার কিনতে পারেন। এক্ষেত্রে কোম্পানির পেছনের ইতিহাসটি ভালো করে জেনে নিতে হবে।

টাচ লাইন মূল্য: টাচ লাইন মূল্য হল কোন শেয়ার বিক্রির জন্য অর্ডার বুকের সবচেয়ে ভাল প্রস্তাব এবং কেনার ক্ষেত্রে সবচেয়ে ভাল মূল্য। টাচ লাইন ক্রয় মূল্য হচ্ছে ক্রয় আদেশের মধ্যে সর্ব্বোচ্চ ক্রয় মূল্য। আর টাচ লাইন বিক্রয় মূল্য বিক্রয় আদেশের মধ্যে সর্বনিম্ন।

এবার এনএভি দেখুন। এনএভি’র সাথে বাজার মূল্যের সামঞ্জস্য থাকা উচিত। সাধারনত এনএভি ও শেয়ারের মূল্য অনুপাত এক হলে তা বিনিয়োগের জন্য আদর্শ বলে বিবেচিত হয়। তবে আমাদের বাজারে এ অনুপাত ১.৫ থেকে ২ পর্যন্ত গ্রহণযোগ্য। মানে ৩০ টাকা এনএভি হলে ঐ শেয়ারের জন্য ৬০ টাকা পর্যন্ত ক্রয় মূল্য নিরাপদ। কোম্পানির ইপিএস ও এনএভি এর অনুপাত নির্ণয় করুন। এ অনুপাত ১০ বা তার চাইতে যত বেশি হবে শেয়ারটি তত ভালো বলে বিবেচিত হবে।

গত ৩/৪ বছরে কোম্পানির ইপিএস বা মোট লাভের পরিমাণ লক্ষ্য করুন। ধারাবাহিক ভাবে ইপিএস বা মোট লাভের পরিমাণ বৃদ্ধি পাওয়ায়া ভাল কোম্পানির লক্ষণ। মোট শেয়ারের সংখ্যা দেখুন।

আর দেখুন তার কতটুকু পাবলিকের হাতে আছে। নিয়মিত গ্রহণযোগ্য মাত্রায় লেনদেন হয় এমন শেয়ারই কেনা উচিত। ছোট পেইড আপ ক্যাপিটাল এর শেয়ার তুলনামূলক ভাবে অতিমূল্যায়িত থাকে এবং এদের দাম অনেকে বেশি ফ্ল্যাকচ্যুয়েট করে।

তাই একজন নতুন অনভিজ্ঞ বিনিয়োগকারী হিসেবে আপনি মধ্যম থেকে বড় মাপের পেইড আপ ক্যাপিটাল আছে এমন শেয়ারে বিনিয়োগ করুন। কারণ মাঝারী থেকে বড় মূলধনের (১৫০ কোটি বা তার ওপরের) স্টকগুলোর বাজার দর অনেক বেশি স্ট্যাবল থাকে।

অথোরাইজড ক্যাপিটাল আর পেইড আপ ক্যাপিটাল’র অনুপাত দেখুন। যদি দুটি খুব কাছাকাছি হয় তবে ঐ কোম্পানি কখনই ডিভিডেন্ড হিসেবে বোনাস শেয়ার দেবেনা। এ ধরনের শেয়ার থেকে আপনি শুধু ক্যাশ ডিভিডেন্ড পাবেন।

গত ৩-৪ বছরের ট্র্যাক রেকর্ড দেখুন। কী পরিমাণ বোনাস দেয় তা দেখুন। নিয়মিত ডিভিডেন্ড দেয়া কোম্পানিগুলো তুলনামূলক ভাবে নিরাপদ। গত ১/২ বছরের গড় মূল্য দেখুন। চেষ্টা করুন এ মূল্যের কাছাকাছি দামে শেয়াটি কিনতে। ডিএসই’র সাইটে প্রকাশিত গত ৫-৬ মাসের কোম্পানি সংশ্লিষ্ট খবরগুলি দেখুন।

ডিএসই প্রতি ৪ মাস পর পর কোম্পানির আর্নিং রিপোর্ট দেয়। একটু বুঝে-শুনে হিসেব করলেই কোম্পানি বছর শেষে কি পরিমাণ লাভ করবে সে সম্পর্কে ধারণা লাভ করা সম্ভব।

কোম্পানির সুনাম ও এর পরিচালকদের সামাজিক ও রাজনৈতিক অবস্থান বিবেচনা করুন। পরিচালকদের ব্যক্তিগত ইমেজ খারাপ হলে ঐ কোম্পানি ফান্ডামেন্টালি যত ভালই হোক তা এড়িয়ে চলুন।

কি ভাবে কিনবেন : ধরুন আপনি কোম্পানি
ক’ এর ১০০০ টি শেয়ার কিনতে চান। সাধারণত আমরা একবারেই সব শেয়ার কিনে ফেলি। আর এতে আমাদের লোকসানের ঝুঁকি অনেক অনেক বেড়ে যায়। বরং একবারে সব শেয়ার না কিনে ৩-৪ বারে কিনুন। এটা মাথায় রাখুন যে, আপনি কেনার পর পরই শেয়ারটির দাম পড়ে যেতে পারে।

তাই ৩/৪ বারে কিনলে আপনার গড় ক্রয় মূল্য অন্যদের তুলনায় স্বাভাবিকভাবেই কম হবে। অর্থাৎ শুরুতেই আপনি অন্যদের চাইতে কয়েক ধাপ এগিয়ে থাকবেন; যা আপনার মুনাফা অর্জনের জন্য সহায়ক। এ স্ট্র্যাটেজিকে বলা হয় এভারেজিং টেকনিক। বিক্রির ক্ষেত্রেও একই ফর্মূলা অনুসরণ করুন। সব শেয়ার একবারে বিক্রি না করে ২-৩ ধাপে বিক্রি করুন।

কতটুকু কিনবেন : এটা নির্ভর করে আপনার পোর্টফোলিওর ডিজাইন ও তার বর্তমান অবস্থার ওপর। সহজ কথায়, সব মূলধন একটি কোম্পানির স্টকে বিনিয়োগ নিরাপদ নয়। এ কারনে সব টাকা একটি সেক্টরের ৩/৪ টি শেয়ার বিনিয়োগ করাও অনুচিত। নিরাপদ বিনিয়োগের জন্য প্রথমেই ২-৩ টি সেক্টর বাছাই করুন। এবার প্রতিটি সেক্টর থেকে ২-৪ টি কোম্পানির শেয়ার আপনার পোর্টফলিওতে রাখুন।

কারন সব ডিম এক খাচায় রাখলে একটি দুর্ঘটনাই আপনার সব কিছু নষ্ট করে দিতে পারে। তাই কখনই সব মূলধন একটি শেয়ারে বা একটি সেক্টরের শেয়ার সমূহে বিনিয়োগ থেকে বিরত থাকুন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here