পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত বিবিধ খাতের কোম্পানি বাংলাদেশ এক্সপোর্ট ইমপোর্ট কোম্পানির (বেক্সিমকো) পরিচালনা পর্ষদ সুকুক ইস্যুর অনুমোদন দিয়েছে। বুধবার (৩১ মার্চ) কোম্পানির বিশেষ সাধারণ সভায় (ইজিএম) শেয়ারহোল্ডাররা সুকুক ইস্যুর অনুমোদন দিয়েছে।

ডিএসই সূত্রে এ তথ্য জানা গেছে।

জানা গেছে, গত ২ মার্চ কোম্পানিটি জানিয়েছে সুকুক ইস্যুর মাধ্যমে কোম্পানিটি ৩ হাজার কোটি টাকা সংগ্রহ করবে। সংগ্রহ করা অর্থ দিয়ে দু’টি সহযোগী প্রতিষ্ঠানে বিনিয়োগ করবে বেক্সিমকো। কোম্পানি দু’টি হচ্ছে— তিস্তা সোলার ও করতোয়া সোলার। এই দু’টি কোম্পানি সৌর বিদ্যুৎ উৎপাদন করবে। এছাড়া বেক্সিমকোর টেক্সটাইল ডিভিশনের ব্যবসা সম্প্রসারণেও এই অর্থ ব্যবহার করা হবে।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: বিজনেসজার্নালবিজনেসজার্নাল.বিডি

এ সুকুকের ফেস ভ্যালু হবে ১০০ টাকা। একজন বিনিয়োগকারীকে ন‌্যূনতম ৫০টি সুকুক কিনতে হবে। এই সুকুকের মেয়াদ হবে ৫ বছর। সুকুক থেকে কমপক্ষে ৯ শতাংশ মুনাফা পাওয়া যাবে।

বেক্সিমকো লিমিটেডের লভ্যাংশ ৯ শতাংশের বেশি হলে তার ১০ শতাংশ সুকুকের মুনাফার সঙ্গে যুক্ত হবে। এ সুকুক শেয়ারে রূপান্তর যোগ্য, বিনিয়োগকারী চাইলে সুকুককে শেয়ারে রূপান্তর করতে পারবেন। প্রতি বছর ২০ শতাংশ হারে সুকুক শেয়ারে রূপান্তর হবে।

সুকুক শেয়ারে রুপান্তরের মূল্য হবে রেকর্ড তারিখের ২০ দিন আগে ডিএসইতে বেক্সিমকোর শেয়ারের গড় মূল্যের ৭৫ শতাংশ। যদি কোনো বিনিয়োগকারী সুকুককে শেয়ারে রূপান্তর করতে না চান তাহলে ৫ বছরে ওই সুকুকের অবসান ঘটবে।

বিজনেসজার্নাল/ঢাকা/এনইউ

 

আরও পড়ুন:

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here