আফনান আহমেদ রাশেদ। জগন্নাথ বিশ্ববিদ্যালয়ের নাট্যকলা বিভাগের শিক্ষার্থী। বাংলাদেশের হয়ে অংশ নিচ্ছেন দুই বাংলার জনপ্রিয় রিয়েলিটি শো ‘মীরাক্কেল আক্কেল চ্যালেঞ্জার’ এর এবারের আসরে। নিজ দক্ষতায় হয়ে ওঠেছেন আসরের অন্যতম সেরা প্রতিযোগী। সম্প্রতি কলকাতা থেকে দেশে এসেছিলেন রাশেদ। মীরাক্কেল এবং বিভিন্ন বিষয়ে সময় নিউজের সঙ্গে কথা বলেছেন তিনি।

কেমন আছেন, কী ভাবছেন?
আলহামদুলিল্লাহ বেশ ভালো আছি। তেমন কিছু ভাবছি না।

জোকসে অনুপ্রেরণা কীভাবে এল?
ক্লাস সিক্স-সেভেনে থাকতে প্রচুর জোকসের বই পড়তাম। মজা পেতাম। তারপর থেকে নিজে সেগুলো বলার চেষ্টা করতাম, বন্ধুদের শোনাতাম। এরপর নিজেই রম্য লেখার চর্চা শুরু করি। এরপর থেকে জোকস লেখার প্রতি আগ্রহ তৈরি হয়।

জোকস নিয়ে পরিবারের দৃষ্টিভঙ্গি কেমন ছিল?
খুবই বাজে। অনিশ্চিত সম্ভাবনা।

মীরাক্কেলে যাওয়ার গল্প শুনতে চাই-
শুরু থেকেই মীরাক্কেল দেখি। অদ্ভুত এক ধরনের জাদু আছে ওই স্টেজটাতে। মীর দার মুখে নিজের নামটা শোনার ইচ্ছা ছিল। সেই ইচ্ছা থেকেই মীরাক্কেলে অডিশন দিয়েছি। এখানে আসার পর গল্পটা পুরো বদলে গেছে। ফ্যান-ফলোয়ার হুরহুর করে বেড়ে যাচ্ছে। প্রতিদিনই সবার ভালোবাসা পাচ্ছি। মেয়েরাও ইনবক্সে নক দেওয়া শুরু করেছে। হা হা হা।

আপনার ব্যক্তিগত জীবন নিয়ে বলুন-
আমি একদম খাটি সিংগেল। দুই-একবার প্রেমে পড়েছি কিন্তু করা হয়নি। ইচ্ছা আছে আরো পাঁচ বছর পর বিয়ে করব।

মীরাক্কেলের একটি স্মরণীয় ঘটনা বলুন-
গ্রুমিং থেকে একবার ৪-৫ বন্ধু মিলে দাওয়াত খেতে চলে গিয়েছিলাম। তাও আবার বিনা দাওয়াতে। বিনা দাওয়াতে খাওয়া এটাই আমার জীবনে প্রথম। অন্যরকম এক অভিজ্ঞতার মুখে পড়েছিলাম।

ভবিষ্যৎ পরিকল্পনা কী?
ভবিষ্যতে লেখালেখি আর স্ট্যান্ড আপ কমেডি নিয়ে কাজ করতে চাই।

সুত্র: সময় নিউজ

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here