বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনের (বিএসইসি) কমিশনার ড. শেখ সামসুদ্দিন আহমেদ বলেন, দেশের পুঁজিবাজারকে আমরা দেশের গণ্ডি ছাড়িয়ে বিশ্বের বুকে ছড়িয়ে দিতে চাই। একই সাথে দেশের গ্রামগঞ্জে আমাদের পুঁজিবাজার নিয়ে যাবো।

শনিবার (১০ অক্টোবর) বিশ্ব বিনিয়োগকারী সপ্তাহ’ উপলক্ষে বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স এসোসিয়েশন (বিএমবিএ) আয়োজিত “টেকনোলজি টু প্রটেক্ট অ্যান্ড এসিস্ট ইনভেস্টর ইন দ্যা ক্যাপিটাল মার্কেট” শীর্ষক এক ওয়েবিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।

বাংলাদেশ মার্চেন্ট ব্যাংকার্স এসোসিয়েশনের (বিএমবিএ) সভাপতি মো. ছায়েদুর রহমান সেমিনারে সভাপতিত্বে ওয়েবিনারে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন, দ্যা ইনস্টিটিউট অব কস্ট অ্যান্ড ম্যানেজমেন্ট অ্যাকাউন্টেন্ট অব বাংলাদেশের (আইসিএমএবি) প্রেসিডেন্ট মো. জসিম উদ্দিন আকন্দ ও ডিএসই ব্রোকার্স এসোসিয়েশনের (ডিবিএ) প্রেসিডেন্ট শরীফ আনোয়ার হোসেন।

ওয়েবিনারে মূল প্রবন্ধ উপস্থাপন করছেন বিএমবিএর সদস্য মীর মাহফুজ উর রহমান। অনুষ্ঠানটি মডারেট করেন বিএমবিএর সাধারণ সম্পাদক মো. রিয়াদ মতিন।

ড. শেখ সামসুদ্দিন আহমেদ বলেন, সিকিউরিটিজ এক্সচেঞ্জের নিয়ম অনুযায়ী তালিকাভুক্ত কোম্পানির ওয়েবসাইট থাকা বাধ্যতামূলক। একই সাথে সেই ওয়েবসাইটে কোম্পানির বার্ষিক প্রতিবেদন থাকতে হবে। কিন্তু ১৫ শতাংশ কোম্পানির ওয়েবসাইটই নেই বা ফাংশনাল ওয়েবসাইট নাই। এটা প্রযুক্তির পরিপন্থী।

তিনি বলেন, কোম্পানির বার্ষিক প্রতিবেদন ওয়েবসাইটে তিন বছর পর্যন্ত থাকতে হবে। কিন্তু ৭ শতাংশ কোম্পানির বার্ষিক প্রতিবেদনই নাই। ৩২টি কোম্পানির ৬২ জন পরিচালক মারা গেলেও ওয়েবসাইটে তাদের রিপ্লেসমেন্ট নেই। এগুলো হালনাগাদ করতে হবে।

বিএসইসির এই কমিশনার বলেন, কোম্পানি সম্পর্কে সাধারণ বিনিয়োগকারীকে স্বচ্ছ একটি ধারণা দিতে ওয়েবসাটে সকল তথ্য রাখতে হবে। প্রযুক্তির এই বিষয়গুলো সমাধান করাও জরুরি বলে মত দেন তিনি।

বিজনেসজার্নাল/এইচআর

পুঁজিবাজার ও অর্থনীতির সর্বশেষ সবাদ পেতে আমাদের ফেসবুক পেইজ ‘বিজনেস জার্নাল

ও ফেসবুক গ্রুপ ‘ডিএসই-সিএসই আপডেট’ এর সাথে সংযুক্ত থাকুন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here