পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত সোনারগাঁও টেক্সটাইলসের ভবিষ্যতে ব্যবসা পরিচালনা করা বা টিকিয়ে রাখা নিয়েই শঙ্কা প্রকাশ করেছেন নিরীক্ষক।

কোম্পানিটির ২০১৯-২০ অর্থবছরের আর্থিক হিসাব নিরীক্ষা করে নিরীক্ষক এই শঙ্কা প্রকাশ করেছেন বলে জানিয়েছে ঢাকা স্টক এক্সচেঞ্জ (ডিএসই) কর্তৃপক্ষ।

নিরীক্ষকের অভিমত তুলে ধরে ডিএসই জানিয়েছে, ২০১৯-২০ অর্থবছরে সোনারগাঁও টেক্সটাইলসের ৯ কোটি ৮৬ লাখ টাকা লোকসান হয়েছে। এতে ২০২০ সালের ৩০ জুন রিটেইন আর্নিংস (সংরক্ষিত আয়) ঋণাত্মক হয়ে পড়েছে। এ সময়ে কোম্পানিটির রিটেইন আর্নিংস দাঁড়িয়েছে ঋণাত্মক ৫ কোটি ৫৫ লাখ টাকা।

নিরীক্ষক জানিয়েছে, বড় লোকসান ও ঋণাত্মক রিটেইন আর্নিংসের পাশাপাশি কোম্পানিটির উৎপাদনও বন্ধ হয়ে গেছে। সার্বিক পরিস্থিতি কোম্পানিটির ভবিষ্যতে ব্যবসা পরিচালনা বা টিকিয়ে রাখা নিয়ে খুবই শঙ্কা তৈরি হয়েছে।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: বিজনেসজার্নালবিজনেসজার্নাল.বিডি

এরপরও সোনারগাঁও টেক্সটাইলসের ব্যবসা চালিয়ে যাওয়া যাবে, এমন ধারণার ভিত্তিতে আর্থিক হিসাব তৈরি করেছে কোম্পানি কর্তৃপক্ষ। অথচ কোম্পানিটি ২ অর্থবছর লোকসান করেছে। এছাড়া মূল ম্যানেজেমেন্টে পরিবর্তন এসেছে। এমনকি বর্তমানে উৎপাদন বন্ধ রয়েছে- অভিমত দিয়েছে নিরীক্ষক।

১৯৯৫ সালে পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত হওয়া সোনারগাঁও টেক্সটাইলসের লভ্যাংশের তথ্য পর্যালোচনায় দেখা যায়, ২০০৯, ২০১০ ও ২০১১ সালে কোম্পানিটি শেয়ারহোল্ডারদের ১০ শতাংশ করে বোনাস শেয়ার লভ্যাংশ দেয়। এরপর ২০১২ সালে ৫ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয় কোম্পানিটি।

এরপর ২০১৩, ২০১৪, ২০১৫, ২০১৬, ২০১৭ ও ২০১৮ সালে কোম্পানিটি শেয়ারহোল্ডারদের কোনো ধরনের লভ্যাংশ দেয়নি। দীর্ঘ বিরতির পর ২০১৯ সালে কোম্পানিটি শেয়ারহোল্ডারদের ৩ শতাংশ নগদ লভ্যাংশ দেয়।

২৬ কোটি ৪৭ লাখ টাকা পরিশোধিত মূলধনের এই কোম্পানিটির মোট শেয়ার সংখ্যা ২ কোটি ৬৪ লাখ ৬৭ হাজার ৫৬টি। এর মধ্যে উদ্যোক্তা ও পরিচালকদের কাছে আছে ৪৪ দশমিক ৫৫ শতাংশ শেয়ার। বাকি শেয়ারের মধ্যে সাধারণ বিনিয়োগকারীদের কাছে আছে ৫৩ দশমিক ৬৫ শতাংশ। আর প্রাতিষ্ঠানিক বিনিয়োগকারীদের কাছে আছে ১ দশমিক ৮০ শতাংশ শেয়ার।

বিজনেসজার্নাল/ঢাকা/এনইউ

 

আরও পড়ুন:

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here