অশ্রুসিক্ত নয়নে আয়াতুল্লাহ খামেনিকে লাখো মানুষের শেষ শ্রদ্ধা
- আপডেট: ০২:১৬:৩৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ৫ জুলাই ২০২৬
- / ১০১৭৪ বার দেখা হয়েছে
ইরানের সর্বোচ্চ নেতা আয়াতুল্লাহ আলি খামেনি গত ২৮ ফেব্রুয়ারি ইসরায়েল-মার্কিন হামলায় নিহত হন। তার জানাজার নামাজ রোববার (৫ জুলাই) স্থানীয় সময় সকাল ৮ টায় অনুষ্ঠিত হয়েছে। জানাজায় ৫টি কফিন দেখা গেছে। এসব কফিনে তার পরিবারের আরও ৪ সদস্যের মৃতদেহ রাখা হয়েছে। নিহত আরও তিনজনের কারণে জানাজার নামাজ তিন ধাপে অনুষ্ঠিত হয়।
প্রথম ধাপে আয়াতুল্লাহ খামেনির জন্য নামাজ আদায় করা হয়। দ্বিতীয় ধাপে তার পরিবারের সদস্য সাইয়্যেদে বুশরা হোসেইনি খামেনি, মেসবাহ আল-হোদা বাকেরি এবং জাহরা হাদ্দাদ আদেল-এর জন্য জানাজা অনুষ্ঠিত হয়। তৃতীয় ধাপে তার নাতনি জাহরা মোহাম্মাদি গোলপায়েগানির জন্য জানাজার নামাজ আদায় করা হয়।
তেহরানে চলমান এক সপ্তাহব্যাপী শেষকৃত্য কর্মসূচির তৃতীয় দিনে এই নামাজ অনুষ্ঠিত হয়। এতে বিপুলসংখ্যক শোকাহত মানুষ অংশ নেন। বিশিষ্ট ধর্মীয় আলেম আয়াতুল্লাহ জাফর সোবহানি জানাজার নামাজে ইমামতি করেন। শনিবার (৪ জুলাই) ভোর থেকেই ইমাম খোমেনি মোসাল্লায় বিদায়ী অনুষ্ঠান শুরু হয়। শেষ শ্রদ্ধা জানাতে সেখানে বিপুলসংখ্যক মানুষ সমবেত হন।
১৯৮৯ সাল থেকে ইরানের সর্বোচ্চ নেতা হিসেবে দায়িত্ব পালন করা খামেনি গত ২৮ ফেব্রুয়ারি যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলায় নিহত হন। মৃত্যুকালে তার বয়স ছিল ৮৬ বছর।
এদিকে, ইরানের পররাষ্ট্রমন্ত্রী আব্বাস আরাঘচি বলেছেন, শহিদ ইমাম আয়াতুল্লাহ আলি খামেনির শেষকৃত্য অনুষ্ঠানে ৭০টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধিদের অংশগ্রহণে সন্তুষ্ট ইরান।
শনিবার (৪ জুলাই) আরবি ভাষায় সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্স-এ দেওয়া এক পোস্টে আরাঘচি বলেন, ৭০টিরও বেশি দেশের প্রতিনিধি, বিশেষ করে আমাদের আরব ভাইদের উপস্থিতিতে আমরা আনন্দিত। এই ঐতিহাসিক স্মরণানুষ্ঠান আমাদের পারস্পরিক সম্পর্কের ইতিহাসে চিরস্মরণীয় হয়ে থাকবে। ৯ জুলাই পর্যন্ত চলা এই কর্মসূচিতে এশিয়া, আফ্রিকা ও ইউরোপসহ বিশ্বের বিভিন্ন দেশ থেকে রাষ্ট্রপ্রধান, প্রধানমন্ত্রী, পার্লামেন্টের স্পিকার, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং বিশেষ দূতরা অংশ নিচ্ছেন।
রোববার (৪ জুলাই) সন্ধ্যায় তেহরানের গ্র্যান্ড প্রেয়ার গ্রাউন্ড থেকে তার মরদেহ রাজধানীতে সোমবারের শোকযাত্রার প্রস্তুতির জন্য সরিয়ে নেওয়া হবে।
ঢাকা/এআর



























