০৭:১৭ অপরাহ্ন, সোমবার, ০৩ অগাস্ট ২০২৬

যাত্রাবাড়ীর রায়েরবাগে মাদ্রাসা ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার: জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুই শিক্ষক আটক

আয়েশা জেসিকা:
  • আপডেট: ০৭:০৯:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬
  • / ১০১৭১ বার দেখা হয়েছে

ঢাকার যাত্রাবাড়ী-কদমতলী থানার রায়েরবাগ এলাকার রওজাতুল উলুম হাফিজিয়া নুরানি মাদ্রাসার নাইম নামে এক ১২ বছর বয়সী ছাত্রের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

পুলিশ জানায়, খবর পেয়ে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং তদন্তের ফলাফলের অপেক্ষা করা হচ্ছে।

নিহত শিশুর বাবার অভিযোগ, এর আগেও মাদ্রাসায় তার ছেলেকে একাধিকবার মারধর করা হয়েছিল। এক পর্যায়ে তার একটি হাতও ভেঙে যায় বলে তিনি দাবি করেন। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

এদিকে, নিহত শিশুর চাচার অভিযোগ, কদমতলী থানা পুলিশ তাকে মাদ্রাসার ভেতরে নিয়ে একটি খাতায় স্বাক্ষর করতে বলে এবং এমন একটি বক্তব্যে সাক্ষী দিতে বলে, যা তিনি নিজে প্রত্যক্ষ করেননি। এ বিষয়ে তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী অভিযুক্তদের তাদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানান।
কদমতলী থানা পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মাদ্রাসার দুই শিক্ষককে থানায় নেওয়া হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ ঘটনায় এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখে ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনে কাজ করছে।

ঢাকা/এসআর

শেয়ার করুন

যাত্রাবাড়ীর রায়েরবাগে মাদ্রাসা ছাত্রের মরদেহ উদ্ধার: জিজ্ঞাসাবাদের জন্য দুই শিক্ষক আটক

আপডেট: ০৭:০৯:১২ অপরাহ্ন, সোমবার, ৩ অগাস্ট ২০২৬

ঢাকার যাত্রাবাড়ী-কদমতলী থানার রায়েরবাগ এলাকার রওজাতুল উলুম হাফিজিয়া নুরানি মাদ্রাসার নাইম নামে এক ১২ বছর বয়সী ছাত্রের মৃত্যুকে কেন্দ্র করে এলাকায় চাঞ্চল্যের সৃষ্টি হয়েছে।

পুলিশ জানায়, খবর পেয়ে শিশুটির মরদেহ উদ্ধার করে ময়নাতদন্তের জন্য ঢাকা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের মর্গে পাঠানো হয়েছে। মৃত্যুর প্রকৃত কারণ জানতে ময়নাতদন্তের প্রতিবেদন এবং তদন্তের ফলাফলের অপেক্ষা করা হচ্ছে।

নিহত শিশুর বাবার অভিযোগ, এর আগেও মাদ্রাসায় তার ছেলেকে একাধিকবার মারধর করা হয়েছিল। এক পর্যায়ে তার একটি হাতও ভেঙে যায় বলে তিনি দাবি করেন। তিনি এ ঘটনার সুষ্ঠু তদন্ত এবং দোষীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছেন।

এদিকে, নিহত শিশুর চাচার অভিযোগ, কদমতলী থানা পুলিশ তাকে মাদ্রাসার ভেতরে নিয়ে একটি খাতায় স্বাক্ষর করতে বলে এবং এমন একটি বক্তব্যে সাক্ষী দিতে বলে, যা তিনি নিজে প্রত্যক্ষ করেননি। এ বিষয়ে তিনি অসন্তোষ প্রকাশ করেছেন।

ঘটনার খবর ছড়িয়ে পড়লে স্থানীয়দের মধ্যে উত্তেজনা দেখা দেয়। বিক্ষুব্ধ এলাকাবাসী অভিযুক্তদের তাদের হাতে তুলে দেওয়ার দাবি জানান।
কদমতলী থানা পুলিশ জানিয়েছে, ঘটনার বিষয়ে তদন্ত চলছে। জিজ্ঞাসাবাদের জন্য মাদ্রাসার দুই শিক্ষককে থানায় নেওয়া হয়েছে। তদন্ত শেষে প্রয়োজনীয় আইনগত ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে।

এ ঘটনায় এলাকায় থমথমে পরিস্থিতি বিরাজ করছে। পুলিশ পরিস্থিতি নিয়ন্ত্রণে রেখে ঘটনার প্রকৃত রহস্য উদ্ঘাটনে কাজ করছে।

ঢাকা/এসআর