০১:১৫ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ২০ ফেব্রুয়ারী ২০২৬

ইসরায়েলি গুপ্তচরের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করল ইরান

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ০৪:১৭:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৫
  • / ১০২৩৮ বার দেখা হয়েছে

দখলদার ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের এক গুপ্তচরের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে ইরান। শনিবার (২০ ডিসেম্বর) দেশটির জুডিশিয়াল কাউন্সিল এ ঘোষণা দিয়েছে। চলতি বছরের জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের ১২ দিনের যুদ্ধ হয়। যুদ্ধ শেষ হওয়ার পরই মোসাদের গুপ্তচরদের বিরুদ্ধে ধরপাকড় শুরু করে তেহরান।

ইরানের বিচার বিভাগ বিষয়ক বার্তাসংস্থা মিজান জানিয়েছে, আঘিল কেশাভার্জ নামে এ ব্যক্তিকে শরিবার ফাঁসিতে ঝোলানো হয়।

২৭ বছর বয়সী এ গুপ্তচার পেশায় আর্কিটেকচার ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন। তাকে এ বছরের শুরুতে উত্তরপূর্বাঞ্চলের উরমিয়া শহর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। সেনাবাহিনীর একটি টহল দল তাকে সেনাবাহিনীর হেডকোয়ার্টারের ছবি তোলার সময় হাতেনাতে ধরে ফেলে।

জুনের পর থেকে ইসরায়েলি গুপ্তচরদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সংখ্যা বেড়ে গেছে। শুধুমাত্র গত সেপ্টেম্বর মাসেই ১০ জনকে ফাঁসিতে ঝোলানো হয়েছে।

ইরান তখন জানিয়েছিল, তারা এমন এক গুপ্তচরের দণ্ড কার্যকর করেছে। যে ইরানের ইতিহাসে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইসরায়েলি গুপ্তচর।

গত অক্টোবরে ইরান গুপ্তচরগিরির বিরুদ্ধে কঠোর আইন করে। ওই আইনে বলা হয়, যদি কেউ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হয়ে কাজ করে এবং অপরাধ প্রমাণিত হয় তাহলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় হয়ে যাবে। এ কাজে জড়িতদের মৃত্যুদণ্ড ব্যতিত অন্য কোনো দণ্ড দেওয়া যাবে না। এছাড়া দণ্ডপ্রাপ্তের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের ধারাও রাখা হয় আইনে।

সর্বশেষ মৃত্যুদণ্ড পাওয়া এ গুপ্তচর এনক্রিপটেড ম্যাসেজিং প্লাটফর্মের মাধ্যমে মোসাদ ও ইসরায়েলি সেনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। কাজ শেষ করার পর তাকে ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে অর্থ প্রদান করা হয়।

সূত্র: আলজাজিরা

ঢাকা/এসএইচ

শেয়ার করুন

error: Content is protected ! Please Don't Try!

ইসরায়েলি গুপ্তচরের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করল ইরান

আপডেট: ০৪:১৭:২২ অপরাহ্ন, শনিবার, ২০ ডিসেম্বর ২০২৫

দখলদার ইসরায়েলের গোয়েন্দা সংস্থা মোসাদের এক গুপ্তচরের মৃত্যুদণ্ড কার্যকর করেছে ইরান। শনিবার (২০ ডিসেম্বর) দেশটির জুডিশিয়াল কাউন্সিল এ ঘোষণা দিয়েছে। চলতি বছরের জুনে ইসরায়েলের সঙ্গে ইরানের ১২ দিনের যুদ্ধ হয়। যুদ্ধ শেষ হওয়ার পরই মোসাদের গুপ্তচরদের বিরুদ্ধে ধরপাকড় শুরু করে তেহরান।

ইরানের বিচার বিভাগ বিষয়ক বার্তাসংস্থা মিজান জানিয়েছে, আঘিল কেশাভার্জ নামে এ ব্যক্তিকে শরিবার ফাঁসিতে ঝোলানো হয়।

২৭ বছর বয়সী এ গুপ্তচার পেশায় আর্কিটেকচার ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন। তাকে এ বছরের শুরুতে উত্তরপূর্বাঞ্চলের উরমিয়া শহর থেকে গ্রেপ্তার করা হয়। সেনাবাহিনীর একটি টহল দল তাকে সেনাবাহিনীর হেডকোয়ার্টারের ছবি তোলার সময় হাতেনাতে ধরে ফেলে।

জুনের পর থেকে ইসরায়েলি গুপ্তচরদের মৃত্যুদণ্ড কার্যকরের সংখ্যা বেড়ে গেছে। শুধুমাত্র গত সেপ্টেম্বর মাসেই ১০ জনকে ফাঁসিতে ঝোলানো হয়েছে।

ইরান তখন জানিয়েছিল, তারা এমন এক গুপ্তচরের দণ্ড কার্যকর করেছে। যে ইরানের ইতিহাসে অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ ইসরায়েলি গুপ্তচর।

গত অক্টোবরে ইরান গুপ্তচরগিরির বিরুদ্ধে কঠোর আইন করে। ওই আইনে বলা হয়, যদি কেউ যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হয়ে কাজ করে এবং অপরাধ প্রমাণিত হয় তাহলে স্বয়ংক্রিয়ভাবে ওই ব্যক্তির বিরুদ্ধে মৃত্যুদণ্ডের রায় হয়ে যাবে। এ কাজে জড়িতদের মৃত্যুদণ্ড ব্যতিত অন্য কোনো দণ্ড দেওয়া যাবে না। এছাড়া দণ্ডপ্রাপ্তের সম্পত্তি বাজেয়াপ্তের ধারাও রাখা হয় আইনে।

সর্বশেষ মৃত্যুদণ্ড পাওয়া এ গুপ্তচর এনক্রিপটেড ম্যাসেজিং প্লাটফর্মের মাধ্যমে মোসাদ ও ইসরায়েলি সেনা কর্মকর্তাদের সঙ্গে যোগাযোগ করেন। কাজ শেষ করার পর তাকে ক্রিপ্টোকারেন্সির মাধ্যমে অর্থ প্রদান করা হয়।

সূত্র: আলজাজিরা

ঢাকা/এসএইচ