গাজায় অস্ত্রবিরতি ঘোষণা
- আপডেট: ১১:১৮:৩৮ পূর্বাহ্ন, সোমবার, ৮ অগাস্ট ২০২২
- / ১০৪০৩ বার দেখা হয়েছে
বিজনেস জার্নাল ডেস্ক: ইসরায়েল ও গাজার সশস্ত্র সংগঠন ইসলামিক জিহাদ অস্ত্রবিরতিতে সম্মত হয়েছে। এর মাধ্যমে তিন দিনের লড়াই শেষ হওয়ার আশা জেগেছে। লড়াইয়ে ইতোমধ্যে ফিলিস্তিনের ৪৪ জন নিহত হয়েছেন, যার মধ্যে ১৫ জন শিশু। খবর আলজাজিরার। শেষ মুহূর্ত পর্যন্ত ইসরায়েলের বিমান হামলা ও ইসলামিক জিহাদের রকেট ছোড়া সত্ত্বেও রোববার স্থানীয় সময় রাত ১১.৩০ মিনিটে অস্ত্রবিরতি কার্যকর হয়।
অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুক–টুইটার–লিংকডইন–ইন্সটাগ্রাম–ইউটিউব
উভয়পক্ষ লড়াই থামাতে রাজি হলেও একে অপরকে সতর্ক করে দিয়ে বলেছে, যে কোনো সহিংসতার কড়া জবাব দেওয়া হবে।এ যুদ্ধবিরতি কার্যকর হয় মিসরের মধ্যস্থতাকরীর মাধ্যমে। ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী ইয়ার লাপিদ অস্ত্রবিরতি কার্যকরের বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন।
ইসরায়েল বলছে, পিআইজের ‘তাৎক্ষণিক হুমকির’ পরিপ্রেক্ষিতে গাজায় হামলা চালানো হয়েছে। হামলায় ইসলামিক জিহাদের কমান্ডার তাইসির আল-জাবারি ও খালেদ মনসুর নিহত হন।
মিসরের মধ্যস্থতা এবং জাতিসংঘ ও কাতারের সহযোগিতায় হওয়া এ যুদ্ধবিরতির বিষয়ে ইসলামিক জিহাদের সেক্রেটারি জেনারেল জিয়াদ আল-নাখালা ইরানের রাজধানী তেহরানে বলেন, চুক্তির অন্যতম শর্ত ছিল ইসরায়েলের হাতে আটক নেতাদের মুক্তি। ইসলামিক জিহাদ যেসব শর্তে অস্ত্র বিরতিতে গেছে সেগুলো হলো- এক. ফিলিস্তিনিদের একত্রিত করা। দুই. আমাদের ভাই অনশনরত খালিল আওয়াদার মুক্তি। তিন. শেখ বাসেম আল-সাদির মুকি্ত।
ইসরায়েল পশ্চিম তীর থেকে ইসলামিক জিহাদের আরও ১৯ সদস্যকে গ্রেপ্তার করেছে। ২০২১ সালের মে মাসে ইসরায়েল ও গাজায় মধ্যে হওয়া ভয়াবহ সংঘাতের পর এটিই গুরুতর লড়াই। গত বছরের যুদ্ধে ২৫০ জনের মতো ফিলিস্তিনি ও ডজনখানেক ইসরায়েলি নিহত হয়েছিলেন। পরে দুই পক্ষ যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়। সে সময়ও মিসর মধ্যস্থতা করেছিল।
ঢাকা/এসএ







































