০৫:২৮ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

চীনের রাষ্ট্রদূতের বিবৃতির পর যা বলল ঢাকা

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ০৬:৪০:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ অগাস্ট ২০২২
  • / ১০২৮৭ বার দেখা হয়েছে

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: তাইওয়ান ইস্যুতে ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিংয়ের বিবৃতির পর বাংলাদেশও বিবৃতি দিয়েছে। ঢাকা জানিয়েছে, তাইওয়ান পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বাংলাদেশ। এ ইস্যুতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সর্বোচ্চ সংযম অবলম্বনের আহ্বান জানাচ্ছে ঢাকা।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

আজ (বৃহস্পতিবার) বাংলাদেশের সমর্থন চেয়ে চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং বিবৃতি দেন।মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির তাইওয়ান সফর কেন্দ্র করে দেওয়া বিবৃতিতে চীনের রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘চীন বিশ্বাস করে এ অঞ্চলের শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধির জন্য বেইজিংয়ের সঙ্গে কাজ করবে ঢাকা।বাংলাদেশ ও চীন ভালো প্রতিবেশী, বিশ্বাসযোগ্য বন্ধু এবং নির্ভরযোগ্য অংশীদার। সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও ভূখণ্ডের অখণ্ডতার মতো মৌলিক স্বার্থের বিষয়ে উভয় দেশ সবসময় একে অপরকে বোঝে এবং সমর্থন করে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি যে বাংলাদেশের সরকার ও জনগণ এক-চীন নীতি মেনে চলবে, তাইওয়ান প্রশ্নে চীনের ন্যায্য এবং ন্যায্য অবস্থান বুঝতে ও সমর্থন করবে। আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি রক্ষায় চীনের সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করবে। এক-চীন নীতির প্রতি বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের প্রতিশ্রুতি এবং তাইওয়ানের স্বাধীনতা এর দৃঢ় বিরোধিতাকে অত্যন্ত প্রশংসা করে।’

এরপরই ঢাকা বিবৃতি দেয়। বিবৃতিতে ঢাকা বলেছে, বাংলাদেশ ‘এক চীন’ নীতির প্রতি তার দৃঢ় সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করছে। একইসঙ্গে জাতিসংঘের সনদ অনুযায়ী এবং আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে তাদের মতপার্থক্য নিরসনের জন্য সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে আহ্বান জানায়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দেওয়া বিবৃতিতে আরও বলা হয়, তাইওয়ান ইস্যুতে উত্তেজনা বাড়তে পারে এবং এই অঞ্চলে ও এর বাইরে শান্তি-স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে পারে এমন কোনো কাজ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানায় বাংলাদেশ।

উল্লেখ্য, মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির তাইওয়ান সফর ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা চলছে।

ঢাকা/এসএ

শেয়ার করুন

চীনের রাষ্ট্রদূতের বিবৃতির পর যা বলল ঢাকা

আপডেট: ০৬:৪০:৩৬ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ অগাস্ট ২০২২

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: তাইওয়ান ইস্যুতে ঢাকায় নিযুক্ত চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিংয়ের বিবৃতির পর বাংলাদেশও বিবৃতি দিয়েছে। ঢাকা জানিয়েছে, তাইওয়ান পরিস্থিতি গভীরভাবে পর্যবেক্ষণ করছে বাংলাদেশ। এ ইস্যুতে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষকে সর্বোচ্চ সংযম অবলম্বনের আহ্বান জানাচ্ছে ঢাকা।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

আজ (বৃহস্পতিবার) বাংলাদেশের সমর্থন চেয়ে চীনের রাষ্ট্রদূত লি জিমিং বিবৃতি দেন।মার্কিন যুক্তরাষ্ট্রের হাউস অব রিপ্রেজেন্টেটিভের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির তাইওয়ান সফর কেন্দ্র করে দেওয়া বিবৃতিতে চীনের রাষ্ট্রদূত বলেন, ‘চীন বিশ্বাস করে এ অঞ্চলের শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধির জন্য বেইজিংয়ের সঙ্গে কাজ করবে ঢাকা।বাংলাদেশ ও চীন ভালো প্রতিবেশী, বিশ্বাসযোগ্য বন্ধু এবং নির্ভরযোগ্য অংশীদার। সার্বভৌমত্ব, নিরাপত্তা ও ভূখণ্ডের অখণ্ডতার মতো মৌলিক স্বার্থের বিষয়ে উভয় দেশ সবসময় একে অপরকে বোঝে এবং সমর্থন করে।’

তিনি আরও বলেন, ‘আমরা বিশ্বাস করি যে বাংলাদেশের সরকার ও জনগণ এক-চীন নীতি মেনে চলবে, তাইওয়ান প্রশ্নে চীনের ন্যায্য এবং ন্যায্য অবস্থান বুঝতে ও সমর্থন করবে। আঞ্চলিক শান্তি, স্থিতিশীলতা ও সমৃদ্ধি রক্ষায় চীনের সঙ্গে একসঙ্গে কাজ করবে। এক-চীন নীতির প্রতি বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের প্রতিশ্রুতি এবং তাইওয়ানের স্বাধীনতা এর দৃঢ় বিরোধিতাকে অত্যন্ত প্রশংসা করে।’

এরপরই ঢাকা বিবৃতি দেয়। বিবৃতিতে ঢাকা বলেছে, বাংলাদেশ ‘এক চীন’ নীতির প্রতি তার দৃঢ় সমর্থন পুনর্ব্যক্ত করছে। একইসঙ্গে জাতিসংঘের সনদ অনুযায়ী এবং আলাপ-আলোচনার মাধ্যমে তাদের মতপার্থক্য নিরসনের জন্য সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোকে আহ্বান জানায়।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের দেওয়া বিবৃতিতে আরও বলা হয়, তাইওয়ান ইস্যুতে উত্তেজনা বাড়তে পারে এবং এই অঞ্চলে ও এর বাইরে শান্তি-স্থিতিশীলতা নষ্ট করতে পারে এমন কোনো কাজ থেকে বিরত থাকার আহ্বান জানায় বাংলাদেশ।

উল্লেখ্য, মার্কিন কংগ্রেসের নিম্নকক্ষ প্রতিনিধি পরিষদের স্পিকার ন্যান্সি পেলোসির তাইওয়ান সফর ঘিরে যুক্তরাষ্ট্র ও চীনের মধ্যে তীব্র উত্তেজনা চলছে।

ঢাকা/এসএ