০৭:৩৬ পূর্বাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৮ এপ্রিল ২০২৬

পুলিশের ইউনিফর্মে হিজাব যুক্ত করল নিউজিল্যান্ড

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ০৫:৪২:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ নভেম্বর ২০২০
  • / ১০৩৮৮ বার দেখা হয়েছে

মুসলমান নারীদের পুলিশ বাহিনীতে যোগ দিতে উদ্বুদ্ধ করতে পোশাকে হিজাব অন্তর্ভুক্ত করার অনুমতি দিয়েছে নিউজিল্যান্ড।

সদ্য নিয়োগ পাওয়া পুলিশ কনস্টেবল জিনা আলী হবেন প্রথম পুলিশ কর্মকর্তা, যিনি আনুষ্ঠানিকভাবে তার পোশাকের সাথে হিজাব পরবেন। খবর বিবিসির।

নিউজিল্যান্ডের পুলিশের একজন মুখপাত্র জানান, দেশের বহুজাতি গোষ্ঠীর সদস্যদের নিয়ে আরও বিস্তৃত পরিসরে সেবা নিশ্চিত করাই তাদের উদ্দেশ্য। এর ফলে আরও বেশি মুসলমান নারী পুলিশ বাহিনীতে যোগ দিতে আগ্রহী হবে বলে তারা আশা করছেন।

এর আগে ২০০৬ সালে যুক্তরাজ্যের লন্ডনের পুলিশ ইউনিফর্মের সাথে হিজাব পরার অনুমতি দেয়। ২০১৬ সালে স্কটল্যান্ডের পুলিশও এ উদ্যোগ নেয়। ২০০৪ সালে অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়ার মাহা শুক্কুর তার পোশাকের সাথে হিজাব পরেন।

নিউজিল্যান্ডের পুলিশ জানিয়েছে, সেকেন্ডারি পুলিশ স্কুল পরিদর্শনের পর পুলিশ কর্মকর্তাদের সুপারিশের পর ২০১৮ সাল থেকেই ইউনিফর্মের সাথে হিজাব সংযুক্ত করার ব্যাপারে কাজ শুরু হয়।

নিজের পোশাকের অংশ হিসেবে প্রথম হিজাব ব্যবহারের অনুমতি চেয়েছিলেন কনস্টেবল আলী। এরপর এই পোশাক চালু করার কর্মসূচিতে অংশ নেয়ার জন্য তাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়।

কনস্টেবল আলী ফিজিতে জন্মগ্রহণ করার পর শিশু অবস্থায় নিউজিল্যান্ডে চলে আসেন।

নিউজিল্যান্ড হেরাল্ডের তথ্য অনুযায়ী, ক্রাইস্টচার্চ সন্ত্রাসী হামলার পরে জিনা আলী পুলিশে যোগ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

তিনি বলেন, ‘আমি উপলব্ধি করতে শুরু করলাম, মানুষকে সহায়তা করার জন্য পুলিশ বাহিনীতে আরও বেশি মুসলমান নারীর অংশগ্রহণ করা উচিত।’

‘নিউজিল্যান্ড পুলিশ বাহিনীতে আমার পোশাকের অংশ হিসেবে হিজাব তুলে ধরতে পারায় আমার খুব ভালো লাগছে। আমার বিশ্বাস, এটা দেখে এখন আরও বেশি মুসলমান নারী পুলিশে যোগ দিতে চাইবেন,’ বলেন আলী।

শেয়ার করুন

পুলিশের ইউনিফর্মে হিজাব যুক্ত করল নিউজিল্যান্ড

আপডেট: ০৫:৪২:৪৭ অপরাহ্ন, বুধবার, ১৮ নভেম্বর ২০২০

মুসলমান নারীদের পুলিশ বাহিনীতে যোগ দিতে উদ্বুদ্ধ করতে পোশাকে হিজাব অন্তর্ভুক্ত করার অনুমতি দিয়েছে নিউজিল্যান্ড।

সদ্য নিয়োগ পাওয়া পুলিশ কনস্টেবল জিনা আলী হবেন প্রথম পুলিশ কর্মকর্তা, যিনি আনুষ্ঠানিকভাবে তার পোশাকের সাথে হিজাব পরবেন। খবর বিবিসির।

নিউজিল্যান্ডের পুলিশের একজন মুখপাত্র জানান, দেশের বহুজাতি গোষ্ঠীর সদস্যদের নিয়ে আরও বিস্তৃত পরিসরে সেবা নিশ্চিত করাই তাদের উদ্দেশ্য। এর ফলে আরও বেশি মুসলমান নারী পুলিশ বাহিনীতে যোগ দিতে আগ্রহী হবে বলে তারা আশা করছেন।

এর আগে ২০০৬ সালে যুক্তরাজ্যের লন্ডনের পুলিশ ইউনিফর্মের সাথে হিজাব পরার অনুমতি দেয়। ২০১৬ সালে স্কটল্যান্ডের পুলিশও এ উদ্যোগ নেয়। ২০০৪ সালে অস্ট্রেলিয়ার ভিক্টোরিয়ার মাহা শুক্কুর তার পোশাকের সাথে হিজাব পরেন।

নিউজিল্যান্ডের পুলিশ জানিয়েছে, সেকেন্ডারি পুলিশ স্কুল পরিদর্শনের পর পুলিশ কর্মকর্তাদের সুপারিশের পর ২০১৮ সাল থেকেই ইউনিফর্মের সাথে হিজাব সংযুক্ত করার ব্যাপারে কাজ শুরু হয়।

নিজের পোশাকের অংশ হিসেবে প্রথম হিজাব ব্যবহারের অনুমতি চেয়েছিলেন কনস্টেবল আলী। এরপর এই পোশাক চালু করার কর্মসূচিতে অংশ নেয়ার জন্য তাকে আমন্ত্রণ জানানো হয়।

কনস্টেবল আলী ফিজিতে জন্মগ্রহণ করার পর শিশু অবস্থায় নিউজিল্যান্ডে চলে আসেন।

নিউজিল্যান্ড হেরাল্ডের তথ্য অনুযায়ী, ক্রাইস্টচার্চ সন্ত্রাসী হামলার পরে জিনা আলী পুলিশে যোগ দেয়ার সিদ্ধান্ত নেন।

তিনি বলেন, ‘আমি উপলব্ধি করতে শুরু করলাম, মানুষকে সহায়তা করার জন্য পুলিশ বাহিনীতে আরও বেশি মুসলমান নারীর অংশগ্রহণ করা উচিত।’

‘নিউজিল্যান্ড পুলিশ বাহিনীতে আমার পোশাকের অংশ হিসেবে হিজাব তুলে ধরতে পারায় আমার খুব ভালো লাগছে। আমার বিশ্বাস, এটা দেখে এখন আরও বেশি মুসলমান নারী পুলিশে যোগ দিতে চাইবেন,’ বলেন আলী।