পুলিশ ও মামলার সংক্ষিপ্ত এজাহার সূত্রে জানা গেছে, ধর্ষণের শিকার ওই মেয়ে স্থানীয় একটি মাদ্রাসায় সপ্তম শ্রেণিতে পড়ে। মাদ্রাসায় যাওয়া-আসার পথে তাকে উত্ত্যক্ত ও প্রেমের প্রস্তাব দিতেন হাসান। কিন্তু প্রস্তাব প্রত্যাখ্যান করে ওই ছাত্রী। গত বৃহস্পতিবার রাতে ওই ছাত্রীর বাবা, মা ও ভাই কুমিল্লার দেবীদ্বার উপজেলায় যাওয়ায় বাড়িতে একা ছিল মেয়েটি। রাতে হাসান ওই ছাত্রীর বাড়িতে গেলে সে তাঁকে বাড়িতে কেউ নেই জানিয়ে অন্য সময়ে আসতে বলে। একপর্যায়ে হাসান জোর করে ঘরে ঢুকে ওই ছাত্রীকে ধর্ষণ করেন। এ সময় ওই ছাত্রীর চিৎকারে প্রতিবেশীসহ স্বজনেরা ছুটে এলে হাসান পালিয়ে যান। এ ঘটনায় গতকাল রাতে ওই ছাত্রীর বাবা বাদী হয়ে হাসানের বিরুদ্ধে ধর্ষণের মামলা করেন।
ব্রাহ্মণপাড়া থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা (ওসি) অপ্পেলা রাজু নাহা প্রথম আলোকে বলেন, সপ্তম শ্রেণির এক মাদ্রাসাশিক্ষার্থীকে ধর্ষণের অভিযোগে হাসান মিয়া নামের এক তরুণের বিরুদ্ধে মামলা হয়েছে। তাঁকে গ্রেপ্তার করে আদালতের মাধ্যমে কারাগারে পাঠানো হয়েছে। আর ডাক্তারি পরীক্ষার জন্য ভুক্তভোগী শিক্ষার্থীকে কুমিল্লা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে পাঠানো হয়েছে। ডাক্তারি পরীক্ষার পরে আদালতে ২২ ধারায় তাঁর জবানবন্দি গ্রহণ করা হবে।
ঢাকা/এসএ






































