বিদেশী মুদ্রা সংরক্ষনে সময়সীমা নির্ধারণ
- আপডেট: ০৭:২৮:০৩ অপরাহ্ন, বুধবার, ৩১ অগাস্ট ২০২২
- / ১০৪০৪ বার দেখা হয়েছে
বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: ১০ হাজার মার্কিন ডলারের অতিরিক্ত পরিমাণ বৈদেশিক মুদ্রার নোট একমাসের বেশি সময় কেউ ব্যাক্তি পর্যায়ে রাখতে পারবে না। বুধবার (৩১ আগস্ট) বাংলাদেশ ব্যাংক এ সংক্রান্ত একটি সার্কুলার জারি করেছে।
অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুক–টুইটার–লিংকডইন–ইন্সটাগ্রাম–ইউটিউব
এতে বলা হয়েছে, নিবাসী বাংলাদেশি ব্যক্তি বিদেশ থেকে সঙ্গে আনা অনধিক ১০ হাজার মার্কিন ডলার, বা সমমূল্যমানের বৈদেশিক মুদ্রা নিজের কাছে, বা অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকে রেসিডেন্ট ফরেন কারেন্সি ডিপোজিট হিসাবে জমা রাখতে পারেন। পরবর্তী বিদেশ যাত্রায় এই বৈদেশিক মুদ্রা সঙ্গে নিয়েও যেতে পারেন।
সার্কুলারে আরও বলা হয়, ১০ হাজার মার্কিন ডলারের অতিরিক্ত পরিমাণ আনা বৈদেশিক মুদ্রা দেশে আসার একমাসের মধ্যে অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকে/লাইসেন্সধারী মানিচেঞ্জারের কাছে বিক্রি বা রেসিডেন্ট ফরেন কারেন্সি ডিপোজিট হিসাবে জমা রাখা নিবাসী বাংলাদেশি নাগরিকদের জন্য বাধ্যতামূলক। উপরিউক্ত প্রাধিকার বহির্ভূত বৈদেশিক মুদ্রা ধারণ করা ‘ফরেন এক্সচেঞ্জ রেগুলেশন অ্যাক্ট, ১৯৪৭’ এর আওতায় দণ্ডনীয় অপরাধ।
প্রাধিকারভুক্ত নয় এমন বৈদেশিক মুদ্রা নিবাসী বাংলাদেশির কাছে থাকলে তা আগামী সেপ্টেম্বর ৩০ এর মধ্যে অনুমোদিত ডিলার ব্যাংকে/লাইসেন্সধারী মানিচেঞ্জারের কাছে বিক্রি করার জন্য অনুরোধ করা যাচ্ছে।
নির্দিষ্ট সময়ের পর অননুমোদিত বৈদেশিক মুদ্রা নিবাসী ব্যক্তির কাছে পাওয়া গেলে তার বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলেও সার্কুলারে উল্লেখ করা হয়।
আরো পড়ুন: শর্তের বেড়াজালে কমেছে সঞ্চয়পত্রের বিক্রি
ঢাকা/এসএ








































