০৩:০৫ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬

শিল্প সংকটে থাকলে কর্মসংস্থানও টেকসই হবে না: বাণিজ্যমন্ত্রী

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ০৩:০২:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬
  • / ১০১৭৩ বার দেখা হয়েছে

শিল্প সংকটে থাকলে কর্মসংস্থানও টেকসই হবে না বলে মন্তব্য করে বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, টেক্সটাইল শিল্পকে টেকসই করতে হলে আগে পুরো শিল্পখাতকে আধুনিক, প্রতিযোগিতামূলক ও সক্ষম করে গড়ে তুলতে হবে।

শনিবার (২৩ মে) রাজধানীর ফার্মগেটে জুট ডাইভারসিফিকেশন প্রোমোশন সেন্টারে ‘কর্মসংস্থানে টেকসই উত্তরণ: টেক্সটাইল শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি ও পথচলা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, শিল্প খাত দুর্বল থাকলে শিক্ষার্থীদের জন্য তৈরি হওয়া কর্মসংস্থানও দীর্ঘমেয়াদে টেকসই হয় না। তাই শিল্পের ভিত্তি শক্তিশালী করাই এখন সময়ের দাবি।

তিনি আরও জানান, সরকার নতুন করে কোনো সরকারি মালিকানাধীন মিল স্থাপন বা পরিচালনার পরিকল্পনা করছে না। ভবিষ্যতে উৎপাদন ও ব্যবসা পরিচালনায় মূল ভূমিকা থাকবে বেসরকারি খাতের হাতে, আর সরকার নীতিগত সহায়তা ও উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করবে।

বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী বলেন, বিদ্যমান টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট ও ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজগুলোর পাঠ্যক্রম সময়োপযোগী করা জরুরি। প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিয়মিত কারিকুলাম হালনাগাদ করতে হবে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, টেক্সটাইল শিক্ষার মানোন্নয়নে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনসহ সক্ষম বেসরকারি মিলগুলোকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এতে শিক্ষক সংকট কমবে, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়বে এবং শিক্ষার্থীরা বাস্তব শিল্প অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পাবে।

মন্ত্রী বলেন, জ্বালানি সরবরাহের অনিশ্চয়তা, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, অর্থের উচ্চ ব্যয় এবং প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা টেক্সটাইল খাতের বড় চ্যালেঞ্জ। এসব সমস্যা মোকাবিলায় সরকার কাজ করছে। পাশাপাশি ম্যানমেইড ফাইবার, নতুন পণ্য উন্নয়ন এবং ভ্যালু চেইনে উন্নতির মাধ্যমে খাতকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করা হবে।

ঢাকা/এসএইচ

শেয়ার করুন

শিল্প সংকটে থাকলে কর্মসংস্থানও টেকসই হবে না: বাণিজ্যমন্ত্রী

আপডেট: ০৩:০২:৩১ অপরাহ্ন, শনিবার, ২৩ মে ২০২৬

শিল্প সংকটে থাকলে কর্মসংস্থানও টেকসই হবে না বলে মন্তব্য করে বাণিজ্য, শিল্প এবং বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির বলেছেন, টেক্সটাইল শিল্পকে টেকসই করতে হলে আগে পুরো শিল্পখাতকে আধুনিক, প্রতিযোগিতামূলক ও সক্ষম করে গড়ে তুলতে হবে।

শনিবার (২৩ মে) রাজধানীর ফার্মগেটে জুট ডাইভারসিফিকেশন প্রোমোশন সেন্টারে ‘কর্মসংস্থানে টেকসই উত্তরণ: টেক্সটাইল শিক্ষার্থীদের প্রস্তুতি ও পথচলা’ শীর্ষক সেমিনারে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।

মন্ত্রী বলেন, শিল্প খাত দুর্বল থাকলে শিক্ষার্থীদের জন্য তৈরি হওয়া কর্মসংস্থানও দীর্ঘমেয়াদে টেকসই হয় না। তাই শিল্পের ভিত্তি শক্তিশালী করাই এখন সময়ের দাবি।

তিনি আরও জানান, সরকার নতুন করে কোনো সরকারি মালিকানাধীন মিল স্থাপন বা পরিচালনার পরিকল্পনা করছে না। ভবিষ্যতে উৎপাদন ও ব্যবসা পরিচালনায় মূল ভূমিকা থাকবে বেসরকারি খাতের হাতে, আর সরকার নীতিগত সহায়তা ও উপযুক্ত পরিবেশ নিশ্চিত করবে।

বস্ত্র ও পাটমন্ত্রী বলেন, বিদ্যমান টেক্সটাইল ইনস্টিটিউট ও ইঞ্জিনিয়ারিং কলেজগুলোর পাঠ্যক্রম সময়োপযোগী করা জরুরি। প্রযুক্তিগত পরিবর্তনের সঙ্গে তাল মিলিয়ে নিয়মিত কারিকুলাম হালনাগাদ করতে হবে।

তিনি আরও উল্লেখ করেন, টেক্সটাইল শিক্ষার মানোন্নয়নে বাংলাদেশ টেক্সটাইল মিলস অ্যাসোসিয়েশনসহ সক্ষম বেসরকারি মিলগুলোকে শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের সঙ্গে যুক্ত করার উদ্যোগ নেওয়া হবে। এতে শিক্ষক সংকট কমবে, আধুনিক প্রযুক্তির ব্যবহার বাড়বে এবং শিক্ষার্থীরা বাস্তব শিল্প অভিজ্ঞতা অর্জনের সুযোগ পাবে।

মন্ত্রী বলেন, জ্বালানি সরবরাহের অনিশ্চয়তা, উৎপাদন ব্যয় বৃদ্ধি, অর্থের উচ্চ ব্যয় এবং প্রযুক্তিগত সীমাবদ্ধতা টেক্সটাইল খাতের বড় চ্যালেঞ্জ। এসব সমস্যা মোকাবিলায় সরকার কাজ করছে। পাশাপাশি ম্যানমেইড ফাইবার, নতুন পণ্য উন্নয়ন এবং ভ্যালু চেইনে উন্নতির মাধ্যমে খাতকে আরও প্রতিযোগিতামূলক করা হবে।

ঢাকা/এসএইচ