সিঙ্গারের ভ্যাট ফাকি ইস্যুতে বিএসইসি’র ব্যাখ্যা তলব
- আপডেট: ০১:১১:১৯ পূর্বাহ্ন, শুক্রবার, ১ এপ্রিল ২০২২
- / ১০৩৬৫ বার দেখা হয়েছে
বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত প্রকৌশল খাতের কোম্পানি সিঙ্গার বাংলাদেশের বিরুদ্ধে ৯৪ কোটি টাকা ভ্যাট ফাঁকির অভিযোগ উঠেছে। বহুজাতিক কোম্পানিটি শো-রুম, ওয়্যারহাউজের তথ্য গোপন ও অবৈধভাবে রেয়াত সুবিধা নিয়ে ভ্যাট ফাঁকি দিচ্ছে বলে প্রমাণ পেয়েছে জাতীয রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) বৃহৎ করদাতা ইউনিট (এলটিইউ)।
এরই ধরাবাহিকতায় সিঙ্গার বাংলাদেশের কাছে উল্লিখিত অভিযোগের বর্তমান অবস্থা ও প্রয়োজনীয় নথিপত্রসহ ব্যাখ্যা চেয়েছে শেয়ারবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি)।
অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুক–টুইটার–লিংকডইন–ইন্সটাগ্রাম–ইউটিউব
সম্প্রতি সিঙ্গার বাংলাদেশের ব্যবস্থাপনা পরিচালকের কাছে এই সংক্রান্ত একটি চিঠি দেওয়া হয়েছে বলে বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে।
বিষয়টি একইসঙ্গে ঢাকা ও চট্টগ্রাম স্টক এক্সচেঞ্জকে (ডিএসই-সিএসই) অবহিত করা হয়েছে।
বিএসইসি সূত্র বলছে, গত বছরের ৩ ও ৫ নভেম্বর কয়েকটি জাতীয় দৈনিকে সিঙ্গার বাংলাদেশের ৯৪ কোটি টাকার ভ্যাট ফাঁকি শিরোনাম সংবাদ প্রকাশ করা হয়। প্রকাশিত সংবাদ থেকে দেখা যায়, সারা দেশে সিঙ্গারের ৪২৪টি বিক্রয় কেন্দ্র এবং ১৯টি গুদাম রয়েছে। এর মধ্যে মাত্র ১১০টি বিক্রয় কেন্দ্রের ভ্যাট নিবন্ধন রয়েছে।
জাতীয় দৈনিকগুলোতে আরও জানানো হয়, ৩১৪টি সেলস আউটলেট ও ১৯টি গুদাম ভ্যাট কমিশনারেটের কাছে নিবন্ধন না করে সিঙ্গার কর ফাঁকির সুযোগ নিচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। ভ্যাট কমিশনারেটে নিবন্ধিত না হওয়া সত্ত্বেও কোম্পানির গুদামের নামে কর রেয়াত নেওয়ার অভিযোগ রয়েছে।
এসব অভিযোগের ভিত্তিতে গত বছরের ২৫ মে বৃহৎ করদাতা ইউনিটের একটি দল সিঙ্গারের সাভারের গেন্ডা এলাকার গেন্ডা ওয়্যারহাউস এবং অপর একটি দল ঢাকার ফুলবাড়িয়া ওয়্যারহাউসে অভিযান চালায়। দুটি প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন ও তল্লাশি করে বিভিন্ন বাণিজ্যিক ও ভ্যাটসংক্রান্ত দলিলাদি জব্দ করা হয়। এসব দলিলাদি যাচাই করে একই প্রতিষ্ঠানের একাধিক জায়গায় অবৈধ রেয়াত গ্রহণ, বিক্রির বিপরীতের ভ্যাট ফাঁকির চাঞ্চল্যকর তথ্য পাওয়া যায়।
পরবর্তীতে ১৪ জুন প্রতিষ্ঠানের বিরুদ্ধে তিনটি মামলা করে এলটিইউ; যাতে ভ্যাট ফাঁকি ও অবৈধ রেয়াত নেয়ার পরিমাণ প্রায় ৯৪ কোটি টাকা। ওই বছরের ফেব্রুয়ারি, মার্চ, এপ্রিল ও মে-এই চার মাসে বিক্রির বিপরীতে ভ্যাট ও অবৈধ রেয়াত নেওয়ার মাধ্যমে কোম্পানিটি এ ভ্যাট ফাঁকি দিয়েছে।
এরই ধারাবাহিকতায় বিভিন্ন গণমাধ্যমে প্রকাশিত সংবাদের পরিপ্রেক্ষিতে সিঙ্গারের ব্যাখ্যাসহ প্রয়োজনীয় নথিপত্র দাখিলের জন্য বলেছে বিএসইসি।
ঢাকা/এসআর



































