০৭:৩৯ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

নতুন আসা রোহিঙ্গার সংখ্যা দেড় লাখ ছাড়ালো

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ০৬:২০:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬
  • / ১০১৭৭ বার দেখা হয়েছে

চলতি বছরের ৩১ মে পর্যন্ত নতুন করে আগত ও নিবন্ধিত রোহিঙ্গার সংখ্যা ১ লাখ ৫২ হাজার ২৯ জন। এর মধ্যে গত মে মাসে ২ হাজার ২৬০ জন রোহিঙ্গা নতুন আগত হিসেবে নিবন্ধিত হয়েছেন। অর্থাৎ এই সংখ্যক রোহিঙ্গা নতুন করে একমাসে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর। গত মার্চে নতুন নিবন্ধিত মোট সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৪৯ হাজার ৭৬৯ জন।

সোমবার (১৫ জুন) মাসিক এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ইউএনএইচসিআর। এছাড়া ক্যাম্পগুলোতে মোট ১১ লাখ ৯৭ হাজার ৪১১ জন রোহিঙ্গা চিহ্নিত করা গেছে।

ইউএনএইচসিআর জানায়, ২০২৪ সাল থেকে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে লক্ষ্যযুক্ত সহিংসতা এবং নির্যাতনের কারণে হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন, যার ফলে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে নিরাপত্তা খুঁজছে। গত ৩১ মে পর্যন্ত ইউএনএইচসিআর ১০ লাখ ৪৫ হাজার ৩৮২ জন রোহিঙ্গার নিবন্ধন করেছে- যারা ১৯৯০ এবং ২০১৭ সাল থেকে মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত হয়েছে। এর মধ্যে ৩৯ হাজার ৭৩৭ জন ১৯৯০ সালের পর এসেছেন এবং ১০ লাখ ৫ হাজার ৬৪৫ জন ২০১৭ সালের পর এসেছেন।

প্রতিবেদন বলছে, রাখাইন রাজ্যে ক্রমবর্ধমান সংঘাতের কারণে ২০২৪ সাল থেকে নতুন শরণার্থীরা বাংলাদেশে নিরাপত্তার সন্ধান অব্যাহত রেখেছে। ফলস্বরূপ, ২০২৪ সালের শেষের দিকে ক্যাম্পগুলোতে নতুন আগতদের একটি ঢেউ চিহ্নিত করা হয়েছিল এবং তাদের বায়োমেট্রিক সনাক্তকরণ চলছে।শরণার্থীদের মধ্যে ৭৮ শতাংশ নারী এবং শিশু, যেখানে ১২ শতাংশ প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, একক পিতা-মাতা, গুরুতর চিকিৎসা অবস্থার সঙ্গে যারা রয়েছে, সঙ্গীহীন অপ্রাপ্তবয়স্ক, ঝুঁকিতে থাকা বয়স্ক ব্যক্তি এবং অন্যদের আইনি এবং শারীরিক সুরক্ষার প্রয়োজন।

ঢাকা/আরএইচ

শেয়ার করুন

নতুন আসা রোহিঙ্গার সংখ্যা দেড় লাখ ছাড়ালো

আপডেট: ০৬:২০:৩৩ অপরাহ্ন, সোমবার, ১৫ জুন ২০২৬

চলতি বছরের ৩১ মে পর্যন্ত নতুন করে আগত ও নিবন্ধিত রোহিঙ্গার সংখ্যা ১ লাখ ৫২ হাজার ২৯ জন। এর মধ্যে গত মে মাসে ২ হাজার ২৬০ জন রোহিঙ্গা নতুন আগত হিসেবে নিবন্ধিত হয়েছেন। অর্থাৎ এই সংখ্যক রোহিঙ্গা নতুন করে একমাসে বাংলাদেশে প্রবেশ করেছে বলে জানিয়েছে জাতিসংঘের শরণার্থীবিষয়ক সংস্থা ইউএনএইচসিআর। গত মার্চে নতুন নিবন্ধিত মোট সংখ্যা ছিল ১ লাখ ৪৯ হাজার ৭৬৯ জন।

সোমবার (১৫ জুন) মাসিক এক প্রতিবেদনে এই তথ্য জানিয়েছে ইউএনএইচসিআর। এছাড়া ক্যাম্পগুলোতে মোট ১১ লাখ ৯৭ হাজার ৪১১ জন রোহিঙ্গা চিহ্নিত করা গেছে।

ইউএনএইচসিআর জানায়, ২০২৪ সাল থেকে মিয়ানমারের রাখাইন রাজ্যে লক্ষ্যযুক্ত সহিংসতা এবং নির্যাতনের কারণে হাজার হাজার মানুষ নিহত হয়েছেন, যার ফলে রোহিঙ্গারা বাংলাদেশে নিরাপত্তা খুঁজছে। গত ৩১ মে পর্যন্ত ইউএনএইচসিআর ১০ লাখ ৪৫ হাজার ৩৮২ জন রোহিঙ্গার নিবন্ধন করেছে- যারা ১৯৯০ এবং ২০১৭ সাল থেকে মিয়ানমার থেকে বাস্তুচ্যুত হয়েছে। এর মধ্যে ৩৯ হাজার ৭৩৭ জন ১৯৯০ সালের পর এসেছেন এবং ১০ লাখ ৫ হাজার ৬৪৫ জন ২০১৭ সালের পর এসেছেন।

প্রতিবেদন বলছে, রাখাইন রাজ্যে ক্রমবর্ধমান সংঘাতের কারণে ২০২৪ সাল থেকে নতুন শরণার্থীরা বাংলাদেশে নিরাপত্তার সন্ধান অব্যাহত রেখেছে। ফলস্বরূপ, ২০২৪ সালের শেষের দিকে ক্যাম্পগুলোতে নতুন আগতদের একটি ঢেউ চিহ্নিত করা হয়েছিল এবং তাদের বায়োমেট্রিক সনাক্তকরণ চলছে।শরণার্থীদের মধ্যে ৭৮ শতাংশ নারী এবং শিশু, যেখানে ১২ শতাংশ প্রতিবন্ধী ব্যক্তি, একক পিতা-মাতা, গুরুতর চিকিৎসা অবস্থার সঙ্গে যারা রয়েছে, সঙ্গীহীন অপ্রাপ্তবয়স্ক, ঝুঁকিতে থাকা বয়স্ক ব্যক্তি এবং অন্যদের আইনি এবং শারীরিক সুরক্ষার প্রয়োজন।

ঢাকা/আরএইচ