১২:৫৬ অপরাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬

ভোমরা স্থলবন্দরে রফতানি বেড়েছে ৩০ শতাংশ

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ০৬:৪২:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মে ২০২২
  • / ১০৩৪৮ বার দেখা হয়েছে

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দরে বাংলাদেশী পণ্য রফতানি বেড়েছে। গত অর্থবছরের তুলনায় চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে রফতানি বেড়েছে ৩০ শতাংশের বেশি। এতে করে রফতানি আয়ও বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। ব্যবসায়ী ও বন্দরসংশ্লিষ্টরা জানান, ভারতীয় বাজারে চাহিদা বাড়ায় বাংলাদেশী পণ্য রফতানি বেড়েছে। রফতানীকৃত পণ্যের মধ্যে তাঁতের শাড়ি, গার্মেন্টস বর্জ্য, রাইস ব্র্যান অয়েল, মধু, ক্লিনিক ক্লথ, পাটের সুতা, পাটের চট, নারকেল পাতার শলা, জুস, লিচু ড্রিংকস, চানাচুর ও চিপস অন্যতম।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

ভোমরা শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব শাখা থেকে জানা যায়, গত অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে বন্দরটি ব্যবহার করে ১ লাখ ৮১ হাজার ৪৯৩ টন বিভিন্ন ধরনের পণ্য রফতানি হয়েছিল। যার মূল্য ১ হাজার ৪৮২ কোটি ২৩ লাখ টাকা। চলতি অর্থবছরের একই সময়ে পণ্য রফতানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৩৭ হাজার ৯২৫ দশমিক ২৬ টন, যা গত অর্থবছরের তুলনায় অন্তত ৩১ শতাংশ বেশি। রফতানীকৃত এসব পণ্যের মূল্য ২ হাজার ৪৫৯ কোটি ৫৯ লাখ টাকা।

ভোমরা স্থলবন্দরের রফতানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স রাজ ট্রেডিংয়ের স্বত্বাধিকারী জাকির হোসেন মন্টু জানান, করোনা সংকট কাটিয়ে পণ্য রফতানিতে ঘুরে দাঁড়াচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। তিনি জানান, তার প্রতিষ্ঠানে ২০২০ সালের পর থেকে চলতি অর্থবছরের শুরুতে রফতানির পরিমাণ বেড়েছে। গত অর্থবছরের তুলনায় রফতানি বেড়েছে কমপক্ষে ৩৫-৪০ শতাংশ। রফতানীকৃত এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে জুস, লিচু ড্রিংকস, চানাচুর ও চিপসসহ বিভিন্ন পণ্য। এছাড়া শিগগিরই আকিজ ও ইফাদ গ্রুপের পণ্যসামগ্রী রফতানি করা হবে বলেও জানান তিনি। এরই মধ্যে প্রতিষ্ঠান দুটোর সঙ্গে রফতানি চুক্তির বিষয় আলোচনা চলছে।

ভোমরা স্থলবন্দরের অন্যতম পণ্য আমদানি-রফতানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স গনি অ্যান্ড সন্সের ব্যবস্থাপক অশোক কুমার জানান, গত অর্থবছরের তুলনায় চলতি অর্থবছর পণ্য রফতানির পরিমাণ বেড়েছে। রফতানীকৃত পণ্যের মধ্যে রয়েছে গার্মেন্টস বর্জ্য, সুতার বর্জ্য ও রাইচ ব্র্যান অয়েল। তিনি জানান, তার প্রতিষ্ঠানে মাসে ৪৫-৫০ হাজার টন বিভিন্ন ধরনের বাংলাদেশী পণ্য রফতানি করছে, যা অন্য যেকোনো সময়ের তুলনায় ৩৫-৪০ শতাংশ বেশি।

ভোমরা শুল্ক স্টেশনের দায়িত্বরত কাস্টমসের বিভাগীয় সহকারী কমিশনার আমীর মামুন জানান, সম্প্রতি রফতানি আয় বেড়েছে। তাছাড়া অন্য যেকোনো সময়ের তুলনায় বাংলাদেশী পণ্য রফতানি বেড়েছে এ বন্দরে। এর ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে ভোমরা শুল্ক স্টেশনের পক্ষ থেকে ব্যবসায়ীদের সার্বিক সহযোগিতা থাকবে বলে জানান তিনি।

ঢাকা/এসএ

শেয়ার করুন

ভোমরা স্থলবন্দরে রফতানি বেড়েছে ৩০ শতাংশ

আপডেট: ০৬:৪২:৪৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২৪ মে ২০২২

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: সাতক্ষীরার ভোমরা স্থলবন্দরে বাংলাদেশী পণ্য রফতানি বেড়েছে। গত অর্থবছরের তুলনায় চলতি ২০২১-২২ অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে রফতানি বেড়েছে ৩০ শতাংশের বেশি। এতে করে রফতানি আয়ও বেড়েছে উল্লেখযোগ্য হারে। ব্যবসায়ী ও বন্দরসংশ্লিষ্টরা জানান, ভারতীয় বাজারে চাহিদা বাড়ায় বাংলাদেশী পণ্য রফতানি বেড়েছে। রফতানীকৃত পণ্যের মধ্যে তাঁতের শাড়ি, গার্মেন্টস বর্জ্য, রাইস ব্র্যান অয়েল, মধু, ক্লিনিক ক্লথ, পাটের সুতা, পাটের চট, নারকেল পাতার শলা, জুস, লিচু ড্রিংকস, চানাচুর ও চিপস অন্যতম।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

ভোমরা শুল্ক স্টেশনের রাজস্ব শাখা থেকে জানা যায়, গত অর্থবছরের প্রথম ১০ মাসে বন্দরটি ব্যবহার করে ১ লাখ ৮১ হাজার ৪৯৩ টন বিভিন্ন ধরনের পণ্য রফতানি হয়েছিল। যার মূল্য ১ হাজার ৪৮২ কোটি ২৩ লাখ টাকা। চলতি অর্থবছরের একই সময়ে পণ্য রফতানির পরিমাণ দাঁড়িয়েছে ২ লাখ ৩৭ হাজার ৯২৫ দশমিক ২৬ টন, যা গত অর্থবছরের তুলনায় অন্তত ৩১ শতাংশ বেশি। রফতানীকৃত এসব পণ্যের মূল্য ২ হাজার ৪৫৯ কোটি ৫৯ লাখ টাকা।

ভোমরা স্থলবন্দরের রফতানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স রাজ ট্রেডিংয়ের স্বত্বাধিকারী জাকির হোসেন মন্টু জানান, করোনা সংকট কাটিয়ে পণ্য রফতানিতে ঘুরে দাঁড়াচ্ছেন ব্যবসায়ীরা। তিনি জানান, তার প্রতিষ্ঠানে ২০২০ সালের পর থেকে চলতি অর্থবছরের শুরুতে রফতানির পরিমাণ বেড়েছে। গত অর্থবছরের তুলনায় রফতানি বেড়েছে কমপক্ষে ৩৫-৪০ শতাংশ। রফতানীকৃত এসব পণ্যের মধ্যে রয়েছে জুস, লিচু ড্রিংকস, চানাচুর ও চিপসসহ বিভিন্ন পণ্য। এছাড়া শিগগিরই আকিজ ও ইফাদ গ্রুপের পণ্যসামগ্রী রফতানি করা হবে বলেও জানান তিনি। এরই মধ্যে প্রতিষ্ঠান দুটোর সঙ্গে রফতানি চুক্তির বিষয় আলোচনা চলছে।

ভোমরা স্থলবন্দরের অন্যতম পণ্য আমদানি-রফতানিকারক প্রতিষ্ঠান মেসার্স গনি অ্যান্ড সন্সের ব্যবস্থাপক অশোক কুমার জানান, গত অর্থবছরের তুলনায় চলতি অর্থবছর পণ্য রফতানির পরিমাণ বেড়েছে। রফতানীকৃত পণ্যের মধ্যে রয়েছে গার্মেন্টস বর্জ্য, সুতার বর্জ্য ও রাইচ ব্র্যান অয়েল। তিনি জানান, তার প্রতিষ্ঠানে মাসে ৪৫-৫০ হাজার টন বিভিন্ন ধরনের বাংলাদেশী পণ্য রফতানি করছে, যা অন্য যেকোনো সময়ের তুলনায় ৩৫-৪০ শতাংশ বেশি।

ভোমরা শুল্ক স্টেশনের দায়িত্বরত কাস্টমসের বিভাগীয় সহকারী কমিশনার আমীর মামুন জানান, সম্প্রতি রফতানি আয় বেড়েছে। তাছাড়া অন্য যেকোনো সময়ের তুলনায় বাংলাদেশী পণ্য রফতানি বেড়েছে এ বন্দরে। এর ধারাবাহিকতা অব্যাহত রাখতে ভোমরা শুল্ক স্টেশনের পক্ষ থেকে ব্যবসায়ীদের সার্বিক সহযোগিতা থাকবে বলে জানান তিনি।

ঢাকা/এসএ