১১:৫৮ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬

ডলারের বিপরীতে টাকার আরো দরপতন

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ১২:৪৭:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ অগাস্ট ২০২২
  • / ১০৪১৩ বার দেখা হয়েছে

ফাইল ফটো

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: খোলাবাজারে ডলারের বিপরীতে টাকার আরো দরপতন হয়েছে। এক দিনের ব্যবধানে গতকাল বুধবার ডলারের দাম চার টাকা বেড়ে ১১৯ টাকায় উঠেছে, যা দেশের ইতিহাসে খোলাবাজারে সর্বোচ্চ। গত সোমবারও এই দাম ছিল ১১৫ টাকা ৬০ পয়সা। আর গত ২৬ জুলাই ডলারের দাম ছিল ১১২ টাকা।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

এদিকে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতেও ১০৮ থেকে ১১০ টাকার ওপরে বিক্রি হচ্ছে ডলার। দামে রেকর্ড হওয়ার পরও ডলারসংকট দেখা গেছে। এর প্রভাব পড়ছে বিদেশগামী সাধারণ মানুষ, ভোক্তা, ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে সবার ওপর।

খোলাবাজারের ব্যবসায়ীদের দাবি, কেন্দ্রীয় ব্যাংকসহ বিভিন্ন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর অভিযানের ভয়ে ডলার বিক্রি বন্ধ রয়েছে। চাহিদার বিপরীতে বাজারে ডলার না থাকায় এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। তবে অভিযোগ রয়েছে, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অনৈতিক মুনাফা করে সংকট বাড়াচ্ছেন। অভিযানসহ নানা অজুহাত দেখিয়ে তাদের কেউ কেউ ডলার কেনা বন্ধ রেখেছেন। তাদের অভিযোগ, অসাধু ব্যবসায়ীরা ডলার কেনা বন্ধ রেখেছেন। অথচ সুযোগ বুঝে কম দামে কিনে রাখা ডলার বিক্রি করছেন চড়া দামে। ডলার লাগলে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে বাইরে বাড়তি দামে বিক্রি করা হচ্ছে। খোলাবাজারে সাধারণ গ্রাহক ডলার কিনতে গেলে তাদের পাসপোর্ট, ভিসা, টিকিট দেখিয়ে এখন ডলার দেওয়া হচ্ছে, যা আগে ছিল উন্মুক্ত। মতিঝিল, পল্টন ও গুলশান এলাকার বেশির ভাগ মানি এক্সচেঞ্জে এখন ডলারের সংকট।

রপ্তানি আয়ের বিপরীতে আমদানি ব্যয় অনেক বাড়ায় কয়েক মাস ধরে বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে অস্থিরতা চলছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রিসহ নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। খোলাবাজারে ডলারের কারসাজি থামাতে রাজধানীর বিভিন্ন মানি চেঞ্জারে সম্প্রতি একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদের নিয়ে অভিযান শুরু করে বাংলাদেশ ব্যাংক। ডলার কেনাবেচায় অনিয়মের অপরাধে গত সপ্তাহে রাজধানীর পাঁচ মানি চেঞ্জার প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন স্থগিত করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে ৯টি প্রতিষ্ঠান। আর কারণ দর্শানোর বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে ৪২টি প্রতিষ্ঠানকে। এর পরও অভিযুক্ত মানি এক্সচেঞ্জ, কিছু ব্যাংকের কারসাজি থামেনি। উল্টো অভিযানের অজুহাতে কেউ কেউ হাত গুটিয়ে বসে আছেন।

ঢাকা/এসএ

শেয়ার করুন

ডলারের বিপরীতে টাকার আরো দরপতন

আপডেট: ১২:৪৭:২২ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১১ অগাস্ট ২০২২

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: খোলাবাজারে ডলারের বিপরীতে টাকার আরো দরপতন হয়েছে। এক দিনের ব্যবধানে গতকাল বুধবার ডলারের দাম চার টাকা বেড়ে ১১৯ টাকায় উঠেছে, যা দেশের ইতিহাসে খোলাবাজারে সর্বোচ্চ। গত সোমবারও এই দাম ছিল ১১৫ টাকা ৬০ পয়সা। আর গত ২৬ জুলাই ডলারের দাম ছিল ১১২ টাকা।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

এদিকে বাণিজ্যিক ব্যাংকগুলোতেও ১০৮ থেকে ১১০ টাকার ওপরে বিক্রি হচ্ছে ডলার। দামে রেকর্ড হওয়ার পরও ডলারসংকট দেখা গেছে। এর প্রভাব পড়ছে বিদেশগামী সাধারণ মানুষ, ভোক্তা, ব্যবসায়ী থেকে শুরু করে সবার ওপর।

খোলাবাজারের ব্যবসায়ীদের দাবি, কেন্দ্রীয় ব্যাংকসহ বিভিন্ন আইন-শৃঙ্খলা রক্ষা বাহিনীর অভিযানের ভয়ে ডলার বিক্রি বন্ধ রয়েছে। চাহিদার বিপরীতে বাজারে ডলার না থাকায় এই পরিস্থিতি সৃষ্টি হয়েছে। তবে অভিযোগ রয়েছে, কিছু অসাধু ব্যবসায়ী অনৈতিক মুনাফা করে সংকট বাড়াচ্ছেন। অভিযানসহ নানা অজুহাত দেখিয়ে তাদের কেউ কেউ ডলার কেনা বন্ধ রেখেছেন। তাদের অভিযোগ, অসাধু ব্যবসায়ীরা ডলার কেনা বন্ধ রেখেছেন। অথচ সুযোগ বুঝে কম দামে কিনে রাখা ডলার বিক্রি করছেন চড়া দামে। ডলার লাগলে মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করে বাইরে বাড়তি দামে বিক্রি করা হচ্ছে। খোলাবাজারে সাধারণ গ্রাহক ডলার কিনতে গেলে তাদের পাসপোর্ট, ভিসা, টিকিট দেখিয়ে এখন ডলার দেওয়া হচ্ছে, যা আগে ছিল উন্মুক্ত। মতিঝিল, পল্টন ও গুলশান এলাকার বেশির ভাগ মানি এক্সচেঞ্জে এখন ডলারের সংকট।

রপ্তানি আয়ের বিপরীতে আমদানি ব্যয় অনেক বাড়ায় কয়েক মাস ধরে বৈদেশিক মুদ্রার বাজারে অস্থিরতা চলছে। পরিস্থিতি সামাল দিতে রিজার্ভ থেকে ডলার বিক্রিসহ নানামুখী পদক্ষেপ নিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক। খোলাবাজারে ডলারের কারসাজি থামাতে রাজধানীর বিভিন্ন মানি চেঞ্জারে সম্প্রতি একাধিক গোয়েন্দা সংস্থার সদস্যদের নিয়ে অভিযান শুরু করে বাংলাদেশ ব্যাংক। ডলার কেনাবেচায় অনিয়মের অপরাধে গত সপ্তাহে রাজধানীর পাঁচ মানি চেঞ্জার প্রতিষ্ঠানের নিবন্ধন স্থগিত করেছে কেন্দ্রীয় ব্যাংক। সিলগালা করে দেওয়া হয়েছে ৯টি প্রতিষ্ঠান। আর কারণ দর্শানোর বিজ্ঞপ্তি দেওয়া হয়েছে ৪২টি প্রতিষ্ঠানকে। এর পরও অভিযুক্ত মানি এক্সচেঞ্জ, কিছু ব্যাংকের কারসাজি থামেনি। উল্টো অভিযানের অজুহাতে কেউ কেউ হাত গুটিয়ে বসে আছেন।

ঢাকা/এসএ