০৯:৩৫ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ২১ এপ্রিল ২০২৬

বন্ধ বিও হিসাবে সিকিউরিটিজ হাউজের কারসাজি: হার্ডলাইনে বিএসইসি

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ০৯:০৫:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মে ২০২২
  • / ১০৪৩২ বার দেখা হয়েছে

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ব্র্যাক ইপিএল স্টক ব্রোকারেজ হাউস ও বহুজাতিক ব্যাংক এইচএসবিসিকে বন্ধ বিও হিসাব থেকে বিপুল পরিমাণ শেয়ার বিক্রির কারণে শোকজের আওতায় এনেছে বিএসইসি। বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

আজ বুধবার ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ব্র্যাক ইপিএল স্টক ব্রোকারেজ হাউসে রক্ষিত একটি বিও হিসাব থেকে ১২ কোটি ৫৭ লাখ টাকার সমমূল্যের তিনটি কোম্পানির শেয়ার বিক্রি করা হয়।

এ তিনটি কোম্পানির শেয়ার আবার সূচকে বড় ধরনের প্রভাব ফেলে। কোম্পানি তিনটি হচ্ছে গ্রামীণফোন, স্কয়ার ফার্মা ও ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ কোম্পানি বা বিএটিবিসি। পরে বিএসইসির পক্ষ থেকে শেয়ার সংরক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান সেন্ট্রাল ডিপজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড বা সিডিবিএলের কাছ থেকে বিও হিসাবটির বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। সিডিবিএলের পক্ষ থেকে বিএসইসিকে জানানো হয়, বিও হিসাবটি ২০১৮ সালের জুনে বন্ধ হয়ে গেছে। কীভাবে `বন্ধ বিও’ থেকে বিপুল পরিমাণ শেয়ার বিক্রি করা হলো, তা নিয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থার কর্মকর্তাদের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এ কারণে ব্র্যাক ইপিএলের কাছ থেকে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মোহাম্মদ রেজাউল করিম জানিয়েছেন, বন্ধ বিও হিসাব থেকে প্রায় সাড়ে ১২ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করা হয়েছে বলে প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে। যেসব কোম্পানির শেয়ার বিক্রি করা হয়েছে, সেগুলো শেয়ারবাজারে সূচকের উত্থান-পতনে বড় ভূমিকা রাখে। যে বিও হিসাবটি নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে, সেটি বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বিও হিসাব। এই বিও হিসাবে রক্ষিত শেয়ারের কাস্টডিয়ান বা হেফাজতকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে রয়েছে বহুজাতিক ব্যাংক এইচএসবিসি। কীভাবে বন্ধ বিও থেকে শেয়ার বিক্রি করা হলো, এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের কাছ থেকে ব্যাখ্যা ও তথ্যপ্রমাণ চাওয়া হয়েছে। তথ্যপ্রমাণ পাওয়ার পর এ বিষয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঢাকা/টিএ

শেয়ার করুন

বন্ধ বিও হিসাবে সিকিউরিটিজ হাউজের কারসাজি: হার্ডলাইনে বিএসইসি

আপডেট: ০৯:০৫:৪১ অপরাহ্ন, বুধবার, ১১ মে ২০২২

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: পুঁজিবাজারে তালিকাভুক্ত কোম্পানি ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ব্র্যাক ইপিএল স্টক ব্রোকারেজ হাউস ও বহুজাতিক ব্যাংক এইচএসবিসিকে বন্ধ বিও হিসাব থেকে বিপুল পরিমাণ শেয়ার বিক্রির কারণে শোকজের আওতায় এনেছে বিএসইসি। বিএসইসি সূত্রে জানা গেছে।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

আজ বুধবার ব্র্যাক ব্যাংকের সহযোগী প্রতিষ্ঠান ব্র্যাক ইপিএল স্টক ব্রোকারেজ হাউসে রক্ষিত একটি বিও হিসাব থেকে ১২ কোটি ৫৭ লাখ টাকার সমমূল্যের তিনটি কোম্পানির শেয়ার বিক্রি করা হয়।

এ তিনটি কোম্পানির শেয়ার আবার সূচকে বড় ধরনের প্রভাব ফেলে। কোম্পানি তিনটি হচ্ছে গ্রামীণফোন, স্কয়ার ফার্মা ও ব্রিটিশ আমেরিকান টোব্যাকো বাংলাদেশ কোম্পানি বা বিএটিবিসি। পরে বিএসইসির পক্ষ থেকে শেয়ার সংরক্ষণকারী প্রতিষ্ঠান সেন্ট্রাল ডিপজিটরি বাংলাদেশ লিমিটেড বা সিডিবিএলের কাছ থেকে বিও হিসাবটির বিষয়ে তথ্য সংগ্রহ করা হয়। সিডিবিএলের পক্ষ থেকে বিএসইসিকে জানানো হয়, বিও হিসাবটি ২০১৮ সালের জুনে বন্ধ হয়ে গেছে। কীভাবে `বন্ধ বিও’ থেকে বিপুল পরিমাণ শেয়ার বিক্রি করা হলো, তা নিয়ে নিয়ন্ত্রক সংস্থার কর্মকর্তাদের মধ্যে প্রশ্ন দেখা দিয়েছে। এ কারণে ব্র্যাক ইপিএলের কাছ থেকে ব্যাখ্যা চাওয়া হয়েছে।

এ বিষয়ে বিএসইসির নির্বাহী পরিচালক ও মুখপাত্র মোহাম্মদ রেজাউল করিম জানিয়েছেন, বন্ধ বিও হিসাব থেকে প্রায় সাড়ে ১২ কোটি টাকার শেয়ার বিক্রি করা হয়েছে বলে প্রাথমিক অনুসন্ধানে জানা গেছে। যেসব কোম্পানির শেয়ার বিক্রি করা হয়েছে, সেগুলো শেয়ারবাজারে সূচকের উত্থান-পতনে বড় ভূমিকা রাখে। যে বিও হিসাবটি নিয়ে সন্দেহ তৈরি হয়েছে, সেটি বিদেশি বিনিয়োগকারীদের বিও হিসাব। এই বিও হিসাবে রক্ষিত শেয়ারের কাস্টডিয়ান বা হেফাজতকারী প্রতিষ্ঠান হিসেবে রয়েছে বহুজাতিক ব্যাংক এইচএসবিসি। কীভাবে বন্ধ বিও থেকে শেয়ার বিক্রি করা হলো, এ বিষয়ে সংশ্লিষ্ট সব পক্ষের কাছ থেকে ব্যাখ্যা ও তথ্যপ্রমাণ চাওয়া হয়েছে। তথ্যপ্রমাণ পাওয়ার পর এ বিষয়ে পরবর্তী ব্যবস্থা নেওয়া হবে।

ঢাকা/টিএ