০৭:৫৩ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

বাংলাদেশে কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক নিয়োগ থাকবে না

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ০৫:৪১:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬
  • / ১০১৭৬ বার দেখা হয়েছে

অর্থমন্ত্রী বলেন, বড় বিনিয়োগের অর্থায়ন ব্যাংক ঋণের পরিবর্তে পুঁজিবাজারের মাধ্যমে হওয়া উচিত। এজন্য দেশের পুঁজিবাজার পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। নতুন সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে পেশাদার ব্যক্তিদের নিয়োগ দেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।  বাংলাদেশের আর্থিক খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়াতে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোয় রাজনৈতিক নিয়োগের অবসানের ঘোষণা দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক নিয়োগ থাকবে না। আমি পুনরায় বলছি, কোনো রাজনৈতিক নিয়োগ নয়, সবই হবে পেশাদার নিয়োগ।’

রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে আজ অনুষ্ঠিত ‘রোডম্যাপ ফর ট্রেড, গ্রোথ অ্যান্ড ইকোনমিক ডিপ্লোম্যাসি ২০২৬: নেভিগেটিং রিস্কস, লিভারেজিং রেজিলিয়েন্স’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত সম্মেলনে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের নীতিনির্ধারক, বিভিন্ন দেশের মিশনপ্রধান, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা, আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বহুজাতিক কোম্পানি এবং ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। টেকসই প্রবৃদ্ধি, প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা ও অর্থনৈতিক স্থিতিস্থাপকতা জোরদারে নীতি, বিনিয়োগ ও আন্তর্জাতিক অংশীদারত্বের সমন্বিত রূপরেখা তৈরির লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে এ সম্মেলন।

‘ক্যাপিটাল ফর গ্রোথ: ফাইন্যান্স, কমার্স অ্যান্ড ট্রেড’ শীর্ষক অধিবেশনে অর্থমন্ত্রীসহ আলোচনায় অংশ নেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান এবং সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার জাহরাত আদিব চৌধুরী। অধিবেশনটি সঞ্চালনা করেন পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও প্রতিষ্ঠাতা এম মাসরুর রিয়াজ।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক আর্থিক কাঠামো দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে এবং বাংলাদেশকে নতুন আর্থিক স্থাপত্যের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। বহুপক্ষীয় ও দ্বিপক্ষীয় ঋণের ব্যয় বেড়ে যাওয়া, উচ্চ সুদে সরকারি ঋণ গ্রহণ এবং ক্রমবর্ধমান সুদ পরিশোধের চাপ দেশের আর্থিক সক্ষমতাকে সংকুচিত করছে। চলতি বাজেটে সুদ পরিশোধ বাবদ প্রায় ১ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এর ফলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামোর মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে ব্যয় করার সুযোগ সীমিত হয়ে পড়ছে।

তিনি বলেন, বড় বিনিয়োগের অর্থায়ন ব্যাংক ঋণের পরিবর্তে পুঁজিবাজারের মাধ্যমে হওয়া উচিত। এজন্য দেশের পুঁজিবাজার পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। নতুন সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে পেশাদার ব্যক্তিদের নিয়োগ দেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, সরকারি মালিকানাধীন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাজারভিত্তিক কাঠামোয় পরিচালিত হতে হবে। এসব প্রতিষ্ঠানের অর্থায়নের জন্য সরকারি কোষাগারের ওপর নির্ভর না করে নিজস্বভাবে বাজার থেকে তহবিল সংগ্রহ করতে হবে।

ব্যবসা ও বিনিয়োগ পরিবেশ সহজ করতে সরকারের ডিরেগুলেশন কর্মসূচির কথাও তুলে ধরেন তিনি। আমির খসরুর ভাষায়, বাজেট বক্তৃতার সাড়ে চার পৃষ্ঠা ছিল ডিরেগুলেশন নিয়ে। অনুমোদন প্রক্রিয়া দ্রুত করতে একটি টাস্কফোর্স গঠন এবং অভিযোগ গ্রহণের জন্য পৃথক ওয়েবসাইট চালুর পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। কোনো অনুমোদনের আবেদন সাত দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি না হলে তা অনুমোদিত বলে গণ্য করার নীতিগত সিদ্ধান্তের কথাও উল্লেখ করেন অর্থমন্ত্রী।

সম্মেলনের উদ্বোধন করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। উদ্বোধনী অধিবেশনে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কূটনীতির ভবিষ্যৎ রূপরেখা তুলে ধরেন তিনি। বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন বিনিয়োগ সম্ভাবনা, চলমান সংস্কার কর্মসূচি এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের জন্য বিদ্যমান সুযোগ তুলে ধরেন। সঞ্চালনা করেন পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম।

‘দ্য পলিসি কম্পাস: অ্যাডভান্সিং ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট’ শীর্ষক প্রথম অধিবেশনে অংশ নেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং শিক্ষা, প্রবাসী কল্যাণ, শ্রম ও কর্মসংস্থানবিষয়ক উপদেষ্টা ড. মাহদি আমিন। অধিবেশনে এলডিসি উত্তরণ, বাজার সম্প্রসারণ, বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধি এবং প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বৃদ্ধির কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়।

দিনের শেষ অধিবেশন ‘দ্য নিউ স্টেজ: এআই, ক্রিয়েটিভ ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যান্ড স্পোর্ট’-এ বিশেষ বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ। তিনি ডিজিটাল অর্থনীতিতে নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠায় সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। আলোচনায় অংশ নেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খাইয়াম এবং যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।

সম্মেলনে বিশ্বব্যাংক গ্রুপ, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি), এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (এআইআইবি), ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (আইডিবি) এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) প্রতিনিধিরাও অংশ নেন। পাশাপাশি বিভিন্ন বিদেশী মিশন, বহুজাতিক কোম্পানি এবং শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে এটি সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বৃহৎ অর্থনৈতিক কূটনীতি বিষয়ক সমাবেশে পরিণত হয়।

সম্মেলনে অংশগ্রহণকারীদের কাছ থেকে পার্টনার এনগেজমেন্ট নোট আহ্বান করা হয়েছে। এসব প্রস্তাবনার ভিত্তিতে আগামী মাসগুলোয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি (আইটিআইটি) উইং এবং বিডা যৌথভাবে ধারাবাহিক ক্লোজড-ডোর রাউন্ডটেবিল বৈঠকের আয়োজন করবে বলে জানানো হয়।

রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে আজ অনুষ্ঠিত ‘রোডম্যাপ ফর ট্রেড, গ্রোথ অ্যান্ড ইকোনমিক ডিপ্লোম্যাসি ২০২৬: নেভিগেটিং রিস্কস, লিভারেজিং রেজিলিয়েন্স’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত সম্মেলনে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের নীতিনির্ধারক, বিভিন্ন দেশের মিশনপ্রধান, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা, আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বহুজাতিক কোম্পানি এবং ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। টেকসই প্রবৃদ্ধি, প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা ও অর্থনৈতিক স্থিতিস্থাপকতা জোরদারে নীতি, বিনিয়োগ ও আন্তর্জাতিক অংশীদারত্বের সমন্বিত রূপরেখা তৈরির লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে এ সম্মেলন।

‘ক্যাপিটাল ফর গ্রোথ: ফাইন্যান্স, কমার্স অ্যান্ড ট্রেড’ শীর্ষক অধিবেশনে অর্থমন্ত্রীসহ আলোচনায় অংশ নেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান এবং সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার জাহরাত আদিব চৌধুরী। অধিবেশনটি সঞ্চালনা করেন পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও প্রতিষ্ঠাতা এম মাসরুর রিয়াজ।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক আর্থিক কাঠামো দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে এবং বাংলাদেশকে নতুন আর্থিক স্থাপত্যের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। বহুপক্ষীয় ও দ্বিপক্ষীয় ঋণের ব্যয় বেড়ে যাওয়া, উচ্চ সুদে সরকারি ঋণ গ্রহণ এবং ক্রমবর্ধমান সুদ পরিশোধের চাপ দেশের আর্থিক সক্ষমতাকে সংকুচিত করছে। চলতি বাজেটে সুদ পরিশোধ বাবদ প্রায় ১ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এর ফলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামোর মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে ব্যয় করার সুযোগ সীমিত হয়ে পড়ছে।

তিনি বলেন, বড় বিনিয়োগের অর্থায়ন ব্যাংক ঋণের পরিবর্তে পুঁজিবাজারের মাধ্যমে হওয়া উচিত। এজন্য দেশের পুঁজিবাজার পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। নতুন সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে পেশাদার ব্যক্তিদের নিয়োগ দেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, সরকারি মালিকানাধীন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাজারভিত্তিক কাঠামোয় পরিচালিত হতে হবে। এসব প্রতিষ্ঠানের অর্থায়নের জন্য সরকারি কোষাগারের ওপর নির্ভর না করে নিজস্বভাবে বাজার থেকে তহবিল সংগ্রহ করতে হবে।

ব্যবসা ও বিনিয়োগ পরিবেশ সহজ করতে সরকারের ডিরেগুলেশন কর্মসূচির কথাও তুলে ধরেন তিনি। আমির খসরুর ভাষায়, বাজেট বক্তৃতার সাড়ে চার পৃষ্ঠা ছিল ডিরেগুলেশন নিয়ে। অনুমোদন প্রক্রিয়া দ্রুত করতে একটি টাস্কফোর্স গঠন এবং অভিযোগ গ্রহণের জন্য পৃথক ওয়েবসাইট চালুর পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। কোনো অনুমোদনের আবেদন সাত দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি না হলে তা অনুমোদিত বলে গণ্য করার নীতিগত সিদ্ধান্তের কথাও উল্লেখ করেন অর্থমন্ত্রী।

সম্মেলনের উদ্বোধন করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। উদ্বোধনী অধিবেশনে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কূটনীতির ভবিষ্যৎ রূপরেখা তুলে ধরেন তিনি। বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন বিনিয়োগ সম্ভাবনা, চলমান সংস্কার কর্মসূচি এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের জন্য বিদ্যমান সুযোগ তুলে ধরেন। সঞ্চালনা করেন পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম।

‘দ্য পলিসি কম্পাস: অ্যাডভান্সিং ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট’ শীর্ষক প্রথম অধিবেশনে অংশ নেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং শিক্ষা, প্রবাসী কল্যাণ, শ্রম ও কর্মসংস্থানবিষয়ক উপদেষ্টা ড. মাহদি আমিন। অধিবেশনে এলডিসি উত্তরণ, বাজার সম্প্রসারণ, বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধি এবং প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বৃদ্ধির কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়।

দিনের শেষ অধিবেশন ‘দ্য নিউ স্টেজ: এআই, ক্রিয়েটিভ ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যান্ড স্পোর্ট’-এ বিশেষ বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ। তিনি ডিজিটাল অর্থনীতিতে নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠায় সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। আলোচনায় অংশ নেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খাইয়াম এবং যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।

সম্মেলনে বিশ্বব্যাংক গ্রুপ, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি), এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (এআইআইবি), ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (আইডিবি) এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) প্রতিনিধিরাও অংশ নেন। পাশাপাশি বিভিন্ন বিদেশী মিশন, বহুজাতিক কোম্পানি এবং শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে এটি সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বৃহৎ অর্থনৈতিক কূটনীতি বিষয়ক সমাবেশে পরিণত হয়।

সম্মেলনে অংশগ্রহণকারীদের কাছ থেকে পার্টনার এনগেজমেন্ট নোট আহ্বান করা হয়েছে। এসব প্রস্তাবনার ভিত্তিতে আগামী মাসগুলোয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি (আইটিআইটি) উইং এবং বিডা যৌথভাবে ধারাবাহিক ক্লোজড-ডোর রাউন্ডটেবিল বৈঠকের আয়োজন করবে বলে জানানো হয়।

ঢাকা/আরএইচ

শেয়ার করুন

বাংলাদেশে কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক নিয়োগ থাকবে না

আপডেট: ০৫:৪১:১০ অপরাহ্ন, শনিবার, ১৩ জুন ২০২৬

অর্থমন্ত্রী বলেন, বড় বিনিয়োগের অর্থায়ন ব্যাংক ঋণের পরিবর্তে পুঁজিবাজারের মাধ্যমে হওয়া উচিত। এজন্য দেশের পুঁজিবাজার পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। নতুন সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে পেশাদার ব্যক্তিদের নিয়োগ দেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।  বাংলাদেশের আর্থিক খাতে সুশাসন প্রতিষ্ঠা এবং বিনিয়োগকারীদের আস্থা বাড়াতে আর্থিক প্রতিষ্ঠানগুলোয় রাজনৈতিক নিয়োগের অবসানের ঘোষণা দিয়েছেন অর্থমন্ত্রী আমির খসরু মাহমুদ চৌধুরী। তিনি বলেছেন, ‘বাংলাদেশে কোনো আর্থিক প্রতিষ্ঠানে রাজনৈতিক নিয়োগ থাকবে না। আমি পুনরায় বলছি, কোনো রাজনৈতিক নিয়োগ নয়, সবই হবে পেশাদার নিয়োগ।’

রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে আজ অনুষ্ঠিত ‘রোডম্যাপ ফর ট্রেড, গ্রোথ অ্যান্ড ইকোনমিক ডিপ্লোম্যাসি ২০২৬: নেভিগেটিং রিস্কস, লিভারেজিং রেজিলিয়েন্স’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত সম্মেলনে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের নীতিনির্ধারক, বিভিন্ন দেশের মিশনপ্রধান, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা, আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বহুজাতিক কোম্পানি এবং ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। টেকসই প্রবৃদ্ধি, প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা ও অর্থনৈতিক স্থিতিস্থাপকতা জোরদারে নীতি, বিনিয়োগ ও আন্তর্জাতিক অংশীদারত্বের সমন্বিত রূপরেখা তৈরির লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে এ সম্মেলন।

‘ক্যাপিটাল ফর গ্রোথ: ফাইন্যান্স, কমার্স অ্যান্ড ট্রেড’ শীর্ষক অধিবেশনে অর্থমন্ত্রীসহ আলোচনায় অংশ নেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান এবং সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার জাহরাত আদিব চৌধুরী। অধিবেশনটি সঞ্চালনা করেন পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও প্রতিষ্ঠাতা এম মাসরুর রিয়াজ।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক আর্থিক কাঠামো দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে এবং বাংলাদেশকে নতুন আর্থিক স্থাপত্যের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। বহুপক্ষীয় ও দ্বিপক্ষীয় ঋণের ব্যয় বেড়ে যাওয়া, উচ্চ সুদে সরকারি ঋণ গ্রহণ এবং ক্রমবর্ধমান সুদ পরিশোধের চাপ দেশের আর্থিক সক্ষমতাকে সংকুচিত করছে। চলতি বাজেটে সুদ পরিশোধ বাবদ প্রায় ১ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এর ফলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামোর মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে ব্যয় করার সুযোগ সীমিত হয়ে পড়ছে।

তিনি বলেন, বড় বিনিয়োগের অর্থায়ন ব্যাংক ঋণের পরিবর্তে পুঁজিবাজারের মাধ্যমে হওয়া উচিত। এজন্য দেশের পুঁজিবাজার পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। নতুন সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে পেশাদার ব্যক্তিদের নিয়োগ দেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, সরকারি মালিকানাধীন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাজারভিত্তিক কাঠামোয় পরিচালিত হতে হবে। এসব প্রতিষ্ঠানের অর্থায়নের জন্য সরকারি কোষাগারের ওপর নির্ভর না করে নিজস্বভাবে বাজার থেকে তহবিল সংগ্রহ করতে হবে।

ব্যবসা ও বিনিয়োগ পরিবেশ সহজ করতে সরকারের ডিরেগুলেশন কর্মসূচির কথাও তুলে ধরেন তিনি। আমির খসরুর ভাষায়, বাজেট বক্তৃতার সাড়ে চার পৃষ্ঠা ছিল ডিরেগুলেশন নিয়ে। অনুমোদন প্রক্রিয়া দ্রুত করতে একটি টাস্কফোর্স গঠন এবং অভিযোগ গ্রহণের জন্য পৃথক ওয়েবসাইট চালুর পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। কোনো অনুমোদনের আবেদন সাত দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি না হলে তা অনুমোদিত বলে গণ্য করার নীতিগত সিদ্ধান্তের কথাও উল্লেখ করেন অর্থমন্ত্রী।

সম্মেলনের উদ্বোধন করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। উদ্বোধনী অধিবেশনে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কূটনীতির ভবিষ্যৎ রূপরেখা তুলে ধরেন তিনি। বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন বিনিয়োগ সম্ভাবনা, চলমান সংস্কার কর্মসূচি এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের জন্য বিদ্যমান সুযোগ তুলে ধরেন। সঞ্চালনা করেন পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম।

‘দ্য পলিসি কম্পাস: অ্যাডভান্সিং ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট’ শীর্ষক প্রথম অধিবেশনে অংশ নেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং শিক্ষা, প্রবাসী কল্যাণ, শ্রম ও কর্মসংস্থানবিষয়ক উপদেষ্টা ড. মাহদি আমিন। অধিবেশনে এলডিসি উত্তরণ, বাজার সম্প্রসারণ, বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধি এবং প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বৃদ্ধির কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়।

দিনের শেষ অধিবেশন ‘দ্য নিউ স্টেজ: এআই, ক্রিয়েটিভ ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যান্ড স্পোর্ট’-এ বিশেষ বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ। তিনি ডিজিটাল অর্থনীতিতে নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠায় সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। আলোচনায় অংশ নেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খাইয়াম এবং যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।

সম্মেলনে বিশ্বব্যাংক গ্রুপ, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি), এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (এআইআইবি), ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (আইডিবি) এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) প্রতিনিধিরাও অংশ নেন। পাশাপাশি বিভিন্ন বিদেশী মিশন, বহুজাতিক কোম্পানি এবং শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে এটি সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বৃহৎ অর্থনৈতিক কূটনীতি বিষয়ক সমাবেশে পরিণত হয়।

সম্মেলনে অংশগ্রহণকারীদের কাছ থেকে পার্টনার এনগেজমেন্ট নোট আহ্বান করা হয়েছে। এসব প্রস্তাবনার ভিত্তিতে আগামী মাসগুলোয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি (আইটিআইটি) উইং এবং বিডা যৌথভাবে ধারাবাহিক ক্লোজড-ডোর রাউন্ডটেবিল বৈঠকের আয়োজন করবে বলে জানানো হয়।

রাজধানীর প্যান প্যাসিফিক সোনারগাঁও হোটেলে আজ অনুষ্ঠিত ‘রোডম্যাপ ফর ট্রেড, গ্রোথ অ্যান্ড ইকোনমিক ডিপ্লোম্যাসি ২০২৬: নেভিগেটিং রিস্কস, লিভারেজিং রেজিলিয়েন্স’ শীর্ষক উচ্চপর্যায়ের সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।

পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় ও বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষের (বিডা) যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত সম্মেলনে সরকারের শীর্ষ পর্যায়ের নীতিনির্ধারক, বিভিন্ন দেশের মিশনপ্রধান, উন্নয়ন সহযোগী সংস্থা, আন্তর্জাতিক আর্থিক প্রতিষ্ঠান, বহুজাতিক কোম্পানি এবং ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধিরা অংশ নেন। টেকসই প্রবৃদ্ধি, প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা ও অর্থনৈতিক স্থিতিস্থাপকতা জোরদারে নীতি, বিনিয়োগ ও আন্তর্জাতিক অংশীদারত্বের সমন্বিত রূপরেখা তৈরির লক্ষ্যে অনুষ্ঠিত হয়েছে এ সম্মেলন।

‘ক্যাপিটাল ফর গ্রোথ: ফাইন্যান্স, কমার্স অ্যান্ড ট্রেড’ শীর্ষক অধিবেশনে অর্থমন্ত্রীসহ আলোচনায় অংশ নেন জাতীয় রাজস্ব বোর্ডের (এনবিআর) চেয়ারম্যান মো. আবদুর রহমান খান এবং সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার জাহরাত আদিব চৌধুরী। অধিবেশনটি সঞ্চালনা করেন পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশের চেয়ারম্যান ও প্রতিষ্ঠাতা এম মাসরুর রিয়াজ।

অর্থমন্ত্রী বলেন, বৈশ্বিক আর্থিক কাঠামো দ্রুত পরিবর্তিত হচ্ছে এবং বাংলাদেশকে নতুন আর্থিক স্থাপত্যের দিকে এগিয়ে যেতে হবে। বহুপক্ষীয় ও দ্বিপক্ষীয় ঋণের ব্যয় বেড়ে যাওয়া, উচ্চ সুদে সরকারি ঋণ গ্রহণ এবং ক্রমবর্ধমান সুদ পরিশোধের চাপ দেশের আর্থিক সক্ষমতাকে সংকুচিত করছে। চলতি বাজেটে সুদ পরিশোধ বাবদ প্রায় ১ লাখ ২৫ হাজার কোটি টাকা ব্যয় হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, এর ফলে শিক্ষা, স্বাস্থ্য ও অবকাঠামোর মতো গুরুত্বপূর্ণ খাতে ব্যয় করার সুযোগ সীমিত হয়ে পড়ছে।

তিনি বলেন, বড় বিনিয়োগের অর্থায়ন ব্যাংক ঋণের পরিবর্তে পুঁজিবাজারের মাধ্যমে হওয়া উচিত। এজন্য দেশের পুঁজিবাজার পুনর্গঠনের উদ্যোগ নেয়া হয়েছে। নতুন সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশনে পেশাদার ব্যক্তিদের নিয়োগ দেয়া হয়েছে বলেও জানান তিনি।

অর্থমন্ত্রী আরো বলেন, সরকারি মালিকানাধীন বাণিজ্যিক প্রতিষ্ঠানগুলোকে বাজারভিত্তিক কাঠামোয় পরিচালিত হতে হবে। এসব প্রতিষ্ঠানের অর্থায়নের জন্য সরকারি কোষাগারের ওপর নির্ভর না করে নিজস্বভাবে বাজার থেকে তহবিল সংগ্রহ করতে হবে।

ব্যবসা ও বিনিয়োগ পরিবেশ সহজ করতে সরকারের ডিরেগুলেশন কর্মসূচির কথাও তুলে ধরেন তিনি। আমির খসরুর ভাষায়, বাজেট বক্তৃতার সাড়ে চার পৃষ্ঠা ছিল ডিরেগুলেশন নিয়ে। অনুমোদন প্রক্রিয়া দ্রুত করতে একটি টাস্কফোর্স গঠন এবং অভিযোগ গ্রহণের জন্য পৃথক ওয়েবসাইট চালুর পরিকল্পনার কথাও জানান তিনি। কোনো অনুমোদনের আবেদন সাত দিনের মধ্যে নিষ্পত্তি না হলে তা অনুমোদিত বলে গণ্য করার নীতিগত সিদ্ধান্তের কথাও উল্লেখ করেন অর্থমন্ত্রী।

সম্মেলনের উদ্বোধন করেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। উদ্বোধনী অধিবেশনে বাংলাদেশের অর্থনৈতিক কূটনীতির ভবিষ্যৎ রূপরেখা তুলে ধরেন তিনি। বিডার নির্বাহী চেয়ারম্যান চৌধুরী আশিক মাহমুদ বিন হারুন বিনিয়োগ সম্ভাবনা, চলমান সংস্কার কর্মসূচি এবং আন্তর্জাতিক অংশীদারদের জন্য বিদ্যমান সুযোগ তুলে ধরেন। সঞ্চালনা করেন পররাষ্ট্র সচিব আসাদ আলম সিয়াম।

‘দ্য পলিসি কম্পাস: অ্যাডভান্সিং ট্রেড অ্যান্ড ইনভেস্টমেন্ট’ শীর্ষক প্রথম অধিবেশনে অংশ নেন পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রী শামা ওবায়েদ ইসলাম, প্রধানমন্ত্রীর পররাষ্ট্রবিষয়ক উপদেষ্টা হুমায়ুন কবির এবং শিক্ষা, প্রবাসী কল্যাণ, শ্রম ও কর্মসংস্থানবিষয়ক উপদেষ্টা ড. মাহদি আমিন। অধিবেশনে এলডিসি উত্তরণ, বাজার সম্প্রসারণ, বিনিয়োগকারীদের আস্থা বৃদ্ধি এবং প্রতিযোগিতামূলক সক্ষমতা বৃদ্ধির কৌশল নিয়ে আলোচনা হয়।

দিনের শেষ অধিবেশন ‘দ্য নিউ স্টেজ: এআই, ক্রিয়েটিভ ইন্ডাস্ট্রিজ অ্যান্ড স্পোর্ট’-এ বিশেষ বক্তব্য দেন প্রধানমন্ত্রীর তথ্য ও যোগাযোগ প্রযুক্তি, বিজ্ঞান ও প্রযুক্তিবিষয়ক উপদেষ্টা রেহান আসিফ আসাদ। তিনি ডিজিটাল অর্থনীতিতে নেতৃত্ব প্রতিষ্ঠায় সরকারের অঙ্গীকার পুনর্ব্যক্ত করেন। আলোচনায় অংশ নেন সংস্কৃতি প্রতিমন্ত্রী আলী নেওয়াজ মাহমুদ খাইয়াম এবং যুব ও ক্রীড়া প্রতিমন্ত্রী আমিনুল হক।

সম্মেলনে বিশ্বব্যাংক গ্রুপ, এশীয় উন্নয়ন ব্যাংক (এডিবি), এশিয়ান ইনফ্রাস্ট্রাকচার ইনভেস্টমেন্ট ব্যাংক (এআইআইবি), ইসলামিক ডেভেলপমেন্ট ব্যাংক (আইডিবি) এবং আন্তর্জাতিক মুদ্রা তহবিলের (আইএমএফ) প্রতিনিধিরাও অংশ নেন। পাশাপাশি বিভিন্ন বিদেশী মিশন, বহুজাতিক কোম্পানি এবং শীর্ষ ব্যবসায়ী সংগঠনের প্রতিনিধিদের উপস্থিতিতে এটি সাম্প্রতিক সময়ের অন্যতম বৃহৎ অর্থনৈতিক কূটনীতি বিষয়ক সমাবেশে পরিণত হয়।

সম্মেলনে অংশগ্রহণকারীদের কাছ থেকে পার্টনার এনগেজমেন্ট নোট আহ্বান করা হয়েছে। এসব প্রস্তাবনার ভিত্তিতে আগামী মাসগুলোয় পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের আন্তর্জাতিক বাণিজ্য, বিনিয়োগ ও প্রযুক্তি (আইটিআইটি) উইং এবং বিডা যৌথভাবে ধারাবাহিক ক্লোজড-ডোর রাউন্ডটেবিল বৈঠকের আয়োজন করবে বলে জানানো হয়।

ঢাকা/আরএইচ