০৩:২৯ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১২ মে ২০২৬

শিল্পাঞ্চলভিত্তিক আলাদা সাপ্তাহিক ছুটির ভাবনা

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ০৪:২০:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ অগাস্ট ২০২২
  • / ১০৪২২ বার দেখা হয়েছে

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য দেশের শিল্পাঞ্চলগুলোতে আলাদা দিনে সাপ্তাহিক ছুটি দেওয়ার চিন্তা করছে সরকার। এ বিষয়ে সরকারের প্রস্তাবে একমত হয়েছেন ব্যবসায়ীরা। আজ রোববার বিদ্যুৎ ভবনে এফবিসিসিআই, বিজিএমইএ, বিটিএমএ ও বিকেএমইএর প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে বিদ্যুৎ,জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এ কথা জানান।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

তিনি বলেন, এখন শিল্পাঞ্চলে শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটি আছে। এক দিনে সব এলাকায় ছুটি না দিয়ে, যদি রেশনিংয়ের মাধ্যমে একেক দিন একেক এলাকায় ছুটি চালু করা যায়, তাহলে বিদ্যুতের কিছুটা সাশ্রয় হবে, লোডশেডিং কিছুটা কমে আসবে। শিল্প মালিকরা এ বিষয়ে আমাদের সঙ্গে একমত হয়েছেন।

এফবিসিসিআইয়ের সহসভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বলেন, এই পদ্ধতি অবলম্বন করলে প্রতিদিন ৪৯০ মেগাওয়াটের মতো বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা। আমরা বলেছি, কেবল ঢাকায় নয়, সারা দেশেই যেন এরকম ছুটি কার্যকর করা হয়।

এক সময় যখন নিয়মিত লোডশেডিং হতো, তখন এ রকম ছুটির ব্যবস্থা চালু ছিল জানিয়ে বিকেএমইএর সহসভাপতি ফজলে শামীম আহসান বলেন, আমরা বলেছি- প্রয়োজনে সে ধরনের সূচি আবার চালু করা হোক। তবে ডায়িং ও স্পিনিং ফ্যাক্টরিকে কিছুটা ছাড় দেওয়া যায় কিনা, সেই প্রস্তাব আমরা করেছি।

ঢাকা/এসএ

শেয়ার করুন

শিল্পাঞ্চলভিত্তিক আলাদা সাপ্তাহিক ছুটির ভাবনা

আপডেট: ০৪:২০:১২ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ অগাস্ট ২০২২

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: বিদ্যুৎ সাশ্রয়ের জন্য দেশের শিল্পাঞ্চলগুলোতে আলাদা দিনে সাপ্তাহিক ছুটি দেওয়ার চিন্তা করছে সরকার। এ বিষয়ে সরকারের প্রস্তাবে একমত হয়েছেন ব্যবসায়ীরা। আজ রোববার বিদ্যুৎ ভবনে এফবিসিসিআই, বিজিএমইএ, বিটিএমএ ও বিকেএমইএর প্রতিনিধিদের সঙ্গে বৈঠক শেষে বিদ্যুৎ,জ্বালানি ও খনিজসম্পদ প্রতিমন্ত্রী নসরুল হামিদ এ কথা জানান।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

তিনি বলেন, এখন শিল্পাঞ্চলে শুক্রবার সাপ্তাহিক ছুটি আছে। এক দিনে সব এলাকায় ছুটি না দিয়ে, যদি রেশনিংয়ের মাধ্যমে একেক দিন একেক এলাকায় ছুটি চালু করা যায়, তাহলে বিদ্যুতের কিছুটা সাশ্রয় হবে, লোডশেডিং কিছুটা কমে আসবে। শিল্প মালিকরা এ বিষয়ে আমাদের সঙ্গে একমত হয়েছেন।

এফবিসিসিআইয়ের সহসভাপতি মোস্তফা আজাদ চৌধুরী বলেন, এই পদ্ধতি অবলম্বন করলে প্রতিদিন ৪৯০ মেগাওয়াটের মতো বিদ্যুৎ সাশ্রয় হবে বলে জানিয়েছেন বিদ্যুৎ বিভাগের কর্মকর্তারা। আমরা বলেছি, কেবল ঢাকায় নয়, সারা দেশেই যেন এরকম ছুটি কার্যকর করা হয়।

এক সময় যখন নিয়মিত লোডশেডিং হতো, তখন এ রকম ছুটির ব্যবস্থা চালু ছিল জানিয়ে বিকেএমইএর সহসভাপতি ফজলে শামীম আহসান বলেন, আমরা বলেছি- প্রয়োজনে সে ধরনের সূচি আবার চালু করা হোক। তবে ডায়িং ও স্পিনিং ফ্যাক্টরিকে কিছুটা ছাড় দেওয়া যায় কিনা, সেই প্রস্তাব আমরা করেছি।

ঢাকা/এসএ