১১:০৭ পূর্বাহ্ন, শনিবার, ০৯ মে ২০২৬

২০ ও ৫০ পাউন্ডের নোট হাতে না রাখার পরামর্শ

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ১২:০১:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ জুলাই ২০২২
  • / ১০৪২২ বার দেখা হয়েছে

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: চলতি বছরের ৩০ সেপ্টেম্বরের পর যুক্তরাজ্যে বর্তমানে প্রচলিত ২০ ও ৫০ ব্রিটিশ পাউন্ডের নোট বাতিল বলে গণ্য হবে। সম্প্রতি সে দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক এক বিজ্ঞপ্তি দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

এ অবস্থায় বৈদেশিক মুদ্রা কেনাবেচায় নিয়োজিত অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংক এবং মানি চেঞ্জার প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্ধারিত সময়ের আগেই হাতে থাকা ২০ ও ৫০ পাউন্ডের নোট বিদেশে এজেন্ট বা ব্যাংকের কাছে নিজের অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

তবে এ ক্ষেত্রে নিয়মানুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংক এবং আমদানি ও রপ্তানি নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ের অনুমোদন নিতে হবে বলে গতকাল সোমবার জারি করা সার্কুলারে জানিয়েছে বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এ ক্ষেত্রে কেউ যাতে ভুল না করে বা ব্যর্থ না হয়- সে বিষয়েও সতর্ক করেছে এতে।

বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন সংক্রান্ত ২০১৮ সালের নীতিমালা অনুযায়ী, এডি ব্যাংক এবং মানি চেঞ্জার প্রতিষ্ঠানগুলো বিদেশ থেকে আসা ব্যক্তিদের কাছ থেকে এফএমজে ফরম পূরণ সাপেক্ষে বৈদেশিক মুদ্রা কিনতে পারে। আবার চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংক এবং আমদানি ও রপ্তানি নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ের পূর্বানুমোদন সাপেক্ষে বিদেশে রপ্তানি বা বিক্রি করে দিতে পারে।

ঢাকা/এসএ

শেয়ার করুন

২০ ও ৫০ পাউন্ডের নোট হাতে না রাখার পরামর্শ

আপডেট: ১২:০১:০৭ অপরাহ্ন, মঙ্গলবার, ১৯ জুলাই ২০২২

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক: চলতি বছরের ৩০ সেপ্টেম্বরের পর যুক্তরাজ্যে বর্তমানে প্রচলিত ২০ ও ৫০ ব্রিটিশ পাউন্ডের নোট বাতিল বলে গণ্য হবে। সম্প্রতি সে দেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক এক বিজ্ঞপ্তি দিয়ে এ তথ্য জানিয়েছে।

অর্থনীতি ও শেয়ারবাজারের গুরুত্বপূর্ন সংবাদ পেতে আমাদের সাথেই থাকুন: ফেসবুকটুইটারলিংকডইনইন্সটাগ্রামইউটিউব

এ অবস্থায় বৈদেশিক মুদ্রা কেনাবেচায় নিয়োজিত অনুমোদিত ডিলার (এডি) ব্যাংক এবং মানি চেঞ্জার প্রতিষ্ঠানগুলোকে নির্ধারিত সময়ের আগেই হাতে থাকা ২০ ও ৫০ পাউন্ডের নোট বিদেশে এজেন্ট বা ব্যাংকের কাছে নিজের অ্যাকাউন্টে পাঠিয়ে দেওয়ার পরামর্শ দিয়েছে বাংলাদেশ ব্যাংক।

তবে এ ক্ষেত্রে নিয়মানুযায়ী বাংলাদেশ ব্যাংক এবং আমদানি ও রপ্তানি নিয়ন্ত্রক কার্যালয়ের অনুমোদন নিতে হবে বলে গতকাল সোমবার জারি করা সার্কুলারে জানিয়েছে বাংলাদেশের কেন্দ্রীয় ব্যাংক। এ ক্ষেত্রে কেউ যাতে ভুল না করে বা ব্যর্থ না হয়- সে বিষয়েও সতর্ক করেছে এতে।

বৈদেশিক মুদ্রা লেনদেন সংক্রান্ত ২০১৮ সালের নীতিমালা অনুযায়ী, এডি ব্যাংক এবং মানি চেঞ্জার প্রতিষ্ঠানগুলো বিদেশ থেকে আসা ব্যক্তিদের কাছ থেকে এফএমজে ফরম পূরণ সাপেক্ষে বৈদেশিক মুদ্রা কিনতে পারে। আবার চাইলে বাংলাদেশ ব্যাংক এবং আমদানি ও রপ্তানি নিয়ন্ত্রকের কার্যালয়ের পূর্বানুমোদন সাপেক্ষে বিদেশে রপ্তানি বা বিক্রি করে দিতে পারে।

ঢাকা/এসএ