শেষ হলো আবরার ফাহাদ হত্যা মামলার সাক্ষ্যগ্রহণ
- আপডেট: ০৫:৫৯:৪০ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ৪ মার্চ ২০২১
- / ১০৪৪১ বার দেখা হয়েছে
বাংলাদেশ প্রকৌশল বিশ্ববিদ্যালয়ের (বুয়েট) ছাত্র আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় তদন্ত কর্মকর্তা গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক ওয়াহিদুজ্জামানের সাক্ষ্যগ্রহণ শেষ হয়েছে। এর মাধ্যমে সাক্ষ্যগ্রহণের সমাপ্তি হলো।
আগামী ১৪ মার্চ আসামিদের আত্মপক্ষ সমর্থনের জন্য দিন ধার্য করেছেন আদালত। বৃহস্পতিবার (৪ মার্চ) ঢাকার দ্রুতবিচার ট্রাইব্যুনাল-১ এর বিচারক আবু জাফর মো. কামরুজ্জামানের আদালত এ তারিখ ধার্য করেন। আসামিপক্ষের আইনজীবী ফারুক আহমেদ এ তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
আবরার ফাহাদ হত্যা মামলায় মোট ৪৭ জনের সাক্ষ্যগ্রহণ হয়েছে। গত বছরের ১৫ সেপ্টেম্বর আসামিদের বিরুদ্ধে অভিযোগ গঠন করেন আদালত। ২০১৯ সালের ১৩ নভেম্বর গোয়েন্দা পুলিশের (ডিবি) পরিদর্শক ও মামলার তদন্ত কর্মকর্তা ওয়াহিদুজ্জামান ২৫ জনকে অভিযুক্ত করে ঢাকার চিফ মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আদালতে অভিযোগপত্র জমা দেন।
এজাহারভুক্ত ১৯ জন এবং এর বাইরে তথ্য-প্রমাণের ভিত্তিতে আরও ৬ জনের জড়িত থাকার প্রাথমিক প্রমাণ পাওয়া গেছে বলে অভিযোগপত্রে উল্লেখ করা হয়। এজাহারভুক্ত ১৯ জনের মধ্যে ১৭ জন এবং এজাহারের বাইরে থাকা ৬ জনের মধ্যে ৫ জনসহ মোট ২২ আসামিকে এ পর্যন্ত গ্রেফতার করা হয়েছে। পলাতক রয়েছেন তিন জন। অভিযোগপত্রে ৬০ জনকে সাক্ষী করা হয়েছে এবং ২১টি আলামত ও ৮টি জব্দ তালিকা আদালতে জমা দেওয়া হয়েছে।
এজাহারে থাকা আসামিরা হলেন-মেহেদী হাসান রাসেল, অনিক সরকার, ইফতি মোশাররফ সকাল, মেহেদী হাসান রবিন, মেফতাহুল ইসলাম জিওন, মুনতাসির আলম জেমি, খন্দকার তাবাখখারুল ইসলাম তানভির, মুজাহিদুর রহমান, মুহতাসিম ফুয়াদ, মনিরুজ্জামান মনির, আকাশ হোসেন, হোসেন মোহাম্মদ তোহা, মাজেদুল ইসলাম, শামীম বিল্লাহ, মোয়াজ আবু হুরায়রা, এএসএম নাজমুস সাদাত, মোর্শেদুজ্জামান জিসান ও এহতেশামুল রাব্বি তানিম।
এজাহারবহির্ভূত ৬ আসামি হলেন-ইশতিয়াক আহম্মেদ মুন্না, অমিত সাহা, মিজানুর রহমান ওরফে মিজান, শামসুল আরেফিন রাফাত, এসএম মাহমুদ সেতু ও মোস্তবা রাফিদ। পলাতক রয়েছেন-মোর্শেদুজ্জামান জিসান, এহতেশামুল রাব্বি তানিম ও মোস্তবা রাফিদ। এদের মধ্যে প্রথম দুজন এজাহারভুক্ত আসামি।
২০১৯ সালের ৬ অক্টোবর রাতে আবরারকে তার কক্ষ থেকে ডেকে নিয়ে যান বুয়েট শাখা ছাত্রলীগের কয়েকজন নেতাকর্মী। তারা ২০১১ নম্বর কক্ষে নিয়ে গিয়ে আবরারকে পিটিয়ে হত্যা করে। পরে রাত ৩টার দিকে শেরে বাংলা হলের সিঁড়ি থেকে তার মরদেহ উদ্ধার করে পুলিশ। এ ঘটনায় ওই বছরের ৭ অক্টোবর রাজধানীর চকবাজার থানায় আবরারের বাবা বরকত উল্লাহ বাদী হয়ে ১৯ জনকে আসামি করে মামলা করেন। পরে পুলিশ ২২ জনকে গ্রেফতার করে। এরমধ্যে আটজন আদালতে স্বীকারোক্তিমূলক জবানবন্দি দিয়েছে। তাদের সবাই বুয়েট ছাত্রলীগের নেতাকর্মী।
আবরার বুয়েটের ইলেকট্রিক্যাল অ্যান্ড ইলেকট্রনিক ইঞ্জিনিয়ারিং বিভাগের দ্বিতীয় বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি শেরে বাংলা হলের ১০১১ নম্বর কক্ষে থাকতেন।
আরও পড়ুন:
- বীর মুক্তিযোদ্ধাদের সমন্বিত তালিকার খসড়া প্রকাশ
- চুপিসারে দায়মুক্তি পেলেন পিপলস লিজিংয়ের সাবেক চেয়ারম্যান
- শহীদ মিনার থেকে এইচ টি ইমামের শেষ বিদায়
- ব্লক মার্কেটে ৫৪ কোটি টাকার লেনদেন
- বৃহস্পতিবার লেনদেনের শীর্ষে যেসব কোম্পানি
- বৃহস্পতিবার দর পতনের শীর্ষে যেসব কোম্পানি
- বৃহস্পতিবার দর বৃদ্ধির শীর্ষে যেসব কোম্পানি
- স্বপ্নের দুবাইয়ে দুঃস্বপ্নের রাত পার করছেন বাংলাদেশি তরুণীরা
- তদন্ত কমিটি বলছে মুশতাকের স্বাভাবিক মৃত্যু হয়েছে
- করোনা: শনাক্ত ও মৃত্যুতে ফের ঊর্ধ্বগতি
- ফের বাড়লো বেক্সিমকো সিনথেটিকসের লেনদেন বন্ধের মেয়াদ
- সূচকের উত্থান হলেও লেনদেনে ভাটা
- লাক্সারি বাস বানাচ্ছে ইফাদ অটোস
- ইবনে সিনার পরিচালকের শেয়ার কেনার ঘোষণা





































