১১:১৯ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ০২ এপ্রিল ২০২৬

খালেদা জিয়া মানেই আপসহীন গণতন্ত্র আর সার্বভৌমত্বের অতন্দ্র প্রহরী: মির্জা ফখরুল

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ০৪:১১:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬
  • / ১০১৮৭ বার দেখা হয়েছে

প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে বাংলাদেশের রাজনীতিতে দেশপ্রেম ও সাহসিকতার এক অনন্য প্রতীক হিসেবে অভিহিত করেছেন বিএনপি মহাসচিব ও সংসদ সদস্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, দীর্ঘ ৪৩ বছরের রাজনৈতিক জীবনে তিনি গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার প্রশ্নে কখনোই কারও সঙ্গে আপস করেননি।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) জাতীয় সংসদে শোক প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। বক্তব্যে তিনি খালেদা জিয়ার শাসনমলে গৃহীত বিভিন্ন যুগান্তকারী পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন।

বক্তব্যের শুরুতে মির্জা ফখরুল ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার বিপ্লবে জীবন উৎসর্গকারী তরুণদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি বলেন, আমাদের ছেলেরা একটি সত্যিকারের গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র নির্মাণের জন্য প্রাণ দিয়েছে। তাদের আত্মত্যাগ বৃথা যেতে দেওয়া হবে না।

খালেদা জিয়ার শাসনকালের স্মৃতিচারণ করে মির্জা ফখরুল বলেন, তিনি বাংলাদেশের নারীদের উন্নয়নে বিপ্লব ঘটিয়েছেন। মেয়েদের অবৈতনিক শিক্ষা ও নারী ক্ষমতায়নের ভিত্তি তিনিই গড়েছিলেন। প্রাথমিক শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করা, উন্মুক্ত ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এবং বেসরকারি খাতে বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজের অনুমতি ছিল তার দূরদর্শী সিদ্ধান্ত।

কৃষি ও অর্থনীতিতে বেগম জিয়ার অবদান তুলে ধরে তিনি বলেন, কৃষকদের ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ মকুফ এবং ২৫ বিঘা পর্যন্ত জমির খাজনা মাফ করে তিনি গ্রামবাংলার মানুষের ভাগ্য বদলে দিয়েছিলেন। তার হাত ধরেই মুক্তবাজার অর্থনীতি ও স্বনির্ভর অর্থনীতির যাত্রা শুরু হয়েছিল।

মির্জা ফখরুল বলেন, কারামুক্ত হওয়ার পর বেগম খালেদা জিয়া কোনো প্রতিহিংসা নয়, বরং ঐক্যের ডাক দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন— ‘আসুন আমরা ভালোবাসার বাংলাদেশ গড়ে তুলি।’ বিএনপি মহাসচিব স্পিকারকে উদ্দেশ্য করে বলেন, বেগম জিয়ার এই দর্শনই আমাদের আগামীর পথ চলার প্রেরণা।

ঢাকা/এসএইচ

শেয়ার করুন

খালেদা জিয়া মানেই আপসহীন গণতন্ত্র আর সার্বভৌমত্বের অতন্দ্র প্রহরী: মির্জা ফখরুল

আপডেট: ০৪:১১:৪৭ অপরাহ্ন, বৃহস্পতিবার, ১২ মার্চ ২০২৬

প্রয়াত বিএনপি চেয়ারপারসন ও সাবেক প্রধানমন্ত্রী খালেদা জিয়াকে বাংলাদেশের রাজনীতিতে দেশপ্রেম ও সাহসিকতার এক অনন্য প্রতীক হিসেবে অভিহিত করেছেন বিএনপি মহাসচিব ও সংসদ সদস্য মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর। তিনি বলেন, দীর্ঘ ৪৩ বছরের রাজনৈতিক জীবনে তিনি গণতন্ত্র ও স্বাধীনতার প্রশ্নে কখনোই কারও সঙ্গে আপস করেননি।

বৃহস্পতিবার (১২ মার্চ) জাতীয় সংসদে শোক প্রস্তাবের আলোচনায় অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন। বক্তব্যে তিনি খালেদা জিয়ার শাসনমলে গৃহীত বিভিন্ন যুগান্তকারী পদক্ষেপের কথা তুলে ধরেন।

বক্তব্যের শুরুতে মির্জা ফখরুল ২০২৪ সালের ছাত্র-জনতার বিপ্লবে জীবন উৎসর্গকারী তরুণদের প্রতি গভীর শ্রদ্ধা নিবেদন করেন। তিনি বলেন, আমাদের ছেলেরা একটি সত্যিকারের গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র নির্মাণের জন্য প্রাণ দিয়েছে। তাদের আত্মত্যাগ বৃথা যেতে দেওয়া হবে না।

খালেদা জিয়ার শাসনকালের স্মৃতিচারণ করে মির্জা ফখরুল বলেন, তিনি বাংলাদেশের নারীদের উন্নয়নে বিপ্লব ঘটিয়েছেন। মেয়েদের অবৈতনিক শিক্ষা ও নারী ক্ষমতায়নের ভিত্তি তিনিই গড়েছিলেন। প্রাথমিক শিক্ষাকে বাধ্যতামূলক করা, উন্মুক্ত ও জাতীয় বিশ্ববিদ্যালয় এবং বেসরকারি খাতে বিশ্ববিদ্যালয় ও মেডিকেল কলেজের অনুমতি ছিল তার দূরদর্শী সিদ্ধান্ত।

কৃষি ও অর্থনীতিতে বেগম জিয়ার অবদান তুলে ধরে তিনি বলেন, কৃষকদের ৫ হাজার টাকা পর্যন্ত ঋণ মকুফ এবং ২৫ বিঘা পর্যন্ত জমির খাজনা মাফ করে তিনি গ্রামবাংলার মানুষের ভাগ্য বদলে দিয়েছিলেন। তার হাত ধরেই মুক্তবাজার অর্থনীতি ও স্বনির্ভর অর্থনীতির যাত্রা শুরু হয়েছিল।

মির্জা ফখরুল বলেন, কারামুক্ত হওয়ার পর বেগম খালেদা জিয়া কোনো প্রতিহিংসা নয়, বরং ঐক্যের ডাক দিয়েছিলেন। তিনি বলেছিলেন— ‘আসুন আমরা ভালোবাসার বাংলাদেশ গড়ে তুলি।’ বিএনপি মহাসচিব স্পিকারকে উদ্দেশ্য করে বলেন, বেগম জিয়ার এই দর্শনই আমাদের আগামীর পথ চলার প্রেরণা।

ঢাকা/এসএইচ