০৩:০৫ অপরাহ্ন, রবিবার, ০৭ জুন ২০২৬

আইপিও, মিউচুয়াল ফান্ড ও মার্জিন রুলস সহজ করা হবে

বিজনেস জার্নাল প্রতিবেদক:
  • আপডেট: ০১:১২:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬
  • / ১০১৭৪ বার দেখা হয়েছে

পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) এর চেয়ারম্যান মো: মাসুদ খান এফসিএ, এফসিএমএ বলেছেন, তার কমিশন আইপিও বিধিমালা, মিউচুয়াল ফান্ড বিধিমালা ও মার্জিন ঋণ বিধিমালা সহজ করবে। অন্যান্য আইনও সহজ ও সময়োপযোগী করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।তিনি বলেন, বিএসইসি স্মার্ট রেগুলেশন চালু করবে, যেখানে নিয়ন্ত্রণের বাড়াবাড়ি থাকবে না। যেখানে প্রয়োজন কঠোর নিয়ন্ত্রণ করা হবে, বাকী জায়গায় তা সহজ করা হবে।

গতকাল শনিবার (৬ জুন) সিএফএ সোসাইটি বাংলাদেশ এর এক দশক পূর্তি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিএফএ সোসাইটি বাংলাদেশ এর সভাপতি আসিফ খান সিএফএ।

রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে দেশের বিশিষ্ট নীতিনির্ধারক, নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দ, দীর্ষস্থানীয় শিল্প ও আর্থিক যাতের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষাবিদ, সিএফএ চার্টারহোল্ডার এবং বিনিয়োগ পেশাজীবীরা অংশগ্রহণ করেন। তাঁরা দেশের আর্থিক যাতে নৈতিকতা, শিক্ষা এবং পেশাগত উৎকর্ষতার প্রসারে সিএফএ সোসাইটি বাংলাদেশের এক দশকের অবদানকে স্মরণ করেন।

অনুষ্ঠানে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. এম. মাসরুর রিয়াজ। তিনি ‘কনভুসিভ ফিসকাল পলিসি ফর এ বেটার ইনভেস্টমেন্ট ক্লাইমেট’ শীর্ষক বক্তব্যে বাংলাদেশের বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়নে সহায়ক রাজস্ব ও আর্থিক নীতির গুরুত্ব তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে বিএসইসি চেয়ারম্যান মাসুদ খান বাজারে ভাল কোম্পানির তালিকাভুক্তির প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে বলেন, বর্তমানে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ বিনিয়োগযোগ্য। তাই বাজারে ভাল কোম্পানির সংখ্যা বাড়াতে হবে। এ ক্ষেত্রে বিএসইসি প্রয়োজনে সেলসম্যান এর কাজ করবে।

ঢাকা/আরএইচ

শেয়ার করুন

আইপিও, মিউচুয়াল ফান্ড ও মার্জিন রুলস সহজ করা হবে

আপডেট: ০১:১২:৫৪ অপরাহ্ন, রবিবার, ৭ জুন ২০২৬

পুঁজিবাজার নিয়ন্ত্রক সংস্থা বাংলাদেশ সিকিউরিটিজ অ্যান্ড এক্সচেঞ্জ কমিশন (বিএসইসি) এর চেয়ারম্যান মো: মাসুদ খান এফসিএ, এফসিএমএ বলেছেন, তার কমিশন আইপিও বিধিমালা, মিউচুয়াল ফান্ড বিধিমালা ও মার্জিন ঋণ বিধিমালা সহজ করবে। অন্যান্য আইনও সহজ ও সময়োপযোগী করার উদ্যোগ নেওয়া হবে।তিনি বলেন, বিএসইসি স্মার্ট রেগুলেশন চালু করবে, যেখানে নিয়ন্ত্রণের বাড়াবাড়ি থাকবে না। যেখানে প্রয়োজন কঠোর নিয়ন্ত্রণ করা হবে, বাকী জায়গায় তা সহজ করা হবে।

গতকাল শনিবার (৬ জুন) সিএফএ সোসাইটি বাংলাদেশ এর এক দশক পূর্তি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এ কথা বলেন।অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন সিএফএ সোসাইটি বাংলাদেশ এর সভাপতি আসিফ খান সিএফএ।

রাজধানীর একটি হোটেলে অনুষ্ঠিত এ অনুষ্ঠানে দেশের বিশিষ্ট নীতিনির্ধারক, নিয়ন্ত্রক সংস্থার প্রতিনিধিবৃন্দ, দীর্ষস্থানীয় শিল্প ও আর্থিক যাতের নেতৃবৃন্দ, শিক্ষাবিদ, সিএফএ চার্টারহোল্ডার এবং বিনিয়োগ পেশাজীবীরা অংশগ্রহণ করেন। তাঁরা দেশের আর্থিক যাতে নৈতিকতা, শিক্ষা এবং পেশাগত উৎকর্ষতার প্রসারে সিএফএ সোসাইটি বাংলাদেশের এক দশকের অবদানকে স্মরণ করেন।

অনুষ্ঠানে মূল বক্তব্য উপস্থাপন করেন পলিসি এক্সচেঞ্জ বাংলাদেশ-এর চেয়ারম্যান ও প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা ড. এম. মাসরুর রিয়াজ। তিনি ‘কনভুসিভ ফিসকাল পলিসি ফর এ বেটার ইনভেস্টমেন্ট ক্লাইমেট’ শীর্ষক বক্তব্যে বাংলাদেশের বিনিয়োগ পরিবেশ উন্নয়নে সহায়ক রাজস্ব ও আর্থিক নীতির গুরুত্ব তুলে ধরেন।

অনুষ্ঠানে বিএসইসি চেয়ারম্যান মাসুদ খান বাজারে ভাল কোম্পানির তালিকাভুক্তির প্রয়োজনীয়তা সম্পর্কে বলেন, বর্তমানে তালিকাভুক্ত কোম্পানিগুলোর সর্বোচ্চ ১০ শতাংশ বিনিয়োগযোগ্য। তাই বাজারে ভাল কোম্পানির সংখ্যা বাড়াতে হবে। এ ক্ষেত্রে বিএসইসি প্রয়োজনে সেলসম্যান এর কাজ করবে।

ঢাকা/আরএইচ